আব্দুল জলিল, বাংলাদেশের রাজনীতিতে সেই তৃনমুল থেকেই তার রাজনৈতিক সততা, একাগ্রতা ও প্রজ্ঞা নিয়ে উঠে এসেছিলেন দেশের সবচেয়ে প্রাচীন ও বৃহত্তর দল আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদকের ন্যায় বিশাল পদে। এ পদে এসে তিনি আলোচিত/সমালোচিত ট্রাম কার্ড খেলে দলের ভাবমুর্তীকে হাস্যকর পর্যায়ে পতিত করলেও মুক্তিযুদ্ধে তার গৌরবজনক ভুমিকা ও দলের প্রতি তার নি সর্ত প্রতিশ্রুতির কারনেই তিনি তার পদ ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন।১/১১ এর অব্যাহতির পর তৎকালীন তত্বাবধায়ক সরকারের কতিপয়ের নীল নকশা তথা মাইনাস টু ফর্মুলাকে কার্যকরি করার অশুভ প্রয়াশের অধীনে তাকে গ্রেফতার করা হয়।অমানবিক নির্যাতনের মাধ্যমে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে কিছু স্বীকারোক্তি জোর পুর্বক আদায় করে তা ইউ টিউবে ছেড়ে দেয়া হয়।যদিও ঐ সময়ে আরো অনেক কতিথ দুর্ধর্ষের অনেক চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি ইউটিউবে বা সিডি করে বাজারে ছাড়া হয়নি। এ সকলই ছিল শেখ হাসিনাকে মানষিক ভাবে দুর্বল করে তাকে মাইনাস টু ফর্মুলাতে বাধ্য করতে।এর পর তিনি বিদেশে যথাযথ চিকিৎসার্থে মুক্তি পেতে একটি চিঠি পাঠিয়ছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি ও প্রধান উপদেষ্টার কাছ্ যা আর স্ত্রী গনমাধ্যমে নিজ কন্ঠে পড়ে শুনিয়েছিলেন। যদিও তিনি এ চিঠির যথার্থতা নিয়ে পরবর্তীতে প্রশ্ন তুলেছিলেন, তাতে তিনি ব্যাক্ত করেছিলেন যে, প্রয়োজন বোধে তিনি দলের সাধারন সম্পাদকের পদ থেকে পদত্যাগ করে রাজনীতি থেকে অবসর নিবেন। তার এ চিঠির প্রেক্ষিতে তিনি প্যারোলে মুক্ত হয়ে চিকিৎসার্থে বিদেশ যান। এ চিঠিতে তিনি যে ব্যক্ত করেছিলেন প্রয়োজন বোধে তিনি পদত্যাগ ও অবসর নিবেন, যুক্তির নীরিখে তার প্যারোলে মুক্তির সাথে সাথেই এ প্রয়োজন বোধ আপনা আপনি কার্যকরী হয়ে যায়। অতঃপর তিনি দেশে ফিরে আইনী লড়াইয়ে জামিন লাভ করেই ছো মেরে দলের সাধারন সম্পাদকের পদ পুনর্গ্রহনের ন্যায় যে নাটকের অবতারনা করেন, তাতে দলের সাধারন কর্মীদের কাছে তার ভাবমুর্তী ভিষনভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। কারন ১/১১ এর পুরোটা সময়কালে দলের ভারপ্রাপ্ত সাধারন সম্পাদক হিসেবে জনাব আশরাফুল ইসলাম দলের প্রতি তার প্রতিশ্রুতি, প্রজ্ঞা ও সৌজন্যতার মাধ্যমে ইতিমধ্যে দলের ব্যাপক অংশের সমর্থন ও সহানুভুতি লাভে সক্ষম হন।বিধায় জলিল সাহেবের এই ছো মারা নাটকটি দলের সাধারন কর্মী থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ পর্যায়ের কেহই সহজ ভাবে মেনে নিতে পারেন নাই। তাই তাকে অত্যান্ত সম্মানের সাথেই বলা হয়েছিল, আপনি অসুস্থ্য,বিশ্রাম নিন। এরপর তিনি যথারীতি নিজ এলাকায় দলের প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে জয়যুক্ত হয়ে সংসদে যান, এবং সেখানেও অসহষ্ণু বেশ কিছু বক্তব্য রেখে দলকে বিব্রত করেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফরকালেও তিনি গনমাধ্যমে নিজদলের বিপক্ষে বোমা ফাটান। দলের আপামর কর্মীদের তীব্র ক্ষোভ সত্তেও তিনি সে যাত্রা রক্ষা পান। দলের কাউন্সিলের পুর্বে তিনি ইতিপুর্বে প্রয়োজনবোধে আপনা আপনি কার্যকর হয়ে যাওয়া পদে দ্বিতিয়বার পদত্যাগের ঘোষনা করে নিজেকে আরো হাস্যকর করে তুলেন। বিএনপিতে এ ধরনের ঘটনার প্রক্ষিতে বেশ কজন সনামধন্য নেতা দলের সাধারন কর্মীদের হাতে নিগৃহীত ও শারীরিক ভাবে লাঞ্ছিত হওয়ার ন্যায় নিজীর থাকলেও তিনি আওয়ামী লীগের দলীয় কাউন্সিলে উপস্থিত হয়ে এ ধরনের কোন বিরুপতার স্বীকার না হয়ে বরং যথাযথ সম্মান লাভ করেছেন। এখানেই সসম্মানে তার থেমে যাওয়া উচিৎ ছিল। না তিনি থামেন নাই। আবারো তিনি বোমা ফাটালেন। এবং এবার বিদেশের মাটিতেই। দলের সাধারন কর্মীদের ও ধৈর্যের একটি সীমারেখা আছে,সেটা তার ন্যায় প্রজ্ঞাবান মানুষের বোঝা উচিত ছিল। প্রবাসী রাজনৈতিক কর্মীদের কাছে রাজনৈতিক আনুগত্য অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কোন বৈষয়িক বিষয়ের সাথে সম্পর্খযুক্ত নয়,বরং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা আদর্শ ভিত্তিক,বিধায় তাদের পুঞ্জীভুত ক্ষোভের হাত থেকে জলিল সাহেবের শেষ রক্ষা হলো না।
এহেন ঘটনা নিয়ে অনেকেই তালিয়া বাজাচ্ছেন, হৃদয়ে পুলক অনুভব করছেন। করুন না ক্ষতি কি ?
মুক্তিযুদ্ধে তার গৌরবজনক ভুমিকা এবং সারা জীবনের রাজনৈতিক আদর্শ ও আনুগত্য জন্য তার প্রতি থাকা একান্ত ভক্তি ও শ্রদ্ধ্যাবোধ এখন অনেকটা সহানুভুতিতে পর্যবসিত হয়েছে, বিধায় তার প্রতি সবিনয়ে অনুরোধ, " জলিল সাহেব, আপনি অসুস্থ্য, বিশ্রাম নিন "।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
জলিল সাহেব অসুস্হ তবে তারতো
জলিল সাহেব অসুস্হ তবে তারতো মস্তিস্ক বিকৃতি ঘটেনি। তিনি যা বলেছেন তা অবশ্যই সত্য। কারণ তিনি তো এখন চাপমুক্ত। তিনি যখন বন্দী ছিলেন তখন চাপে পড়ে দলীয় নেত্রীর বিরুদ্ধে স্বীকারোক্তিমুলক জবানবন্দী দিয়েছিলেন এবং তখন তিনি ছিলেন সুস্হ। তাহলে কি হাসান ইমাম খান জলিল সাহেবের সে সময়ের দেয়া বক্তব্য সত্য বলে ধরে নিতে হবে? জলিল সাহেব বিশ্রাম নিবেন কি না সেটা তার ব্যাপার। একজন অসুস্হ ব্যক্তিকে সংসদ নির্বাচনে মনোনয়ন দিয়ে তাকে বিশ্রাম নিতে বলাটা কি শ্রেয়? তিনি যেসব কথা বলেছেন তা সত্য বলে ধরে নিতে হবে এ কারনে যে ঘটনা সংঘটনের সময় তিনি ছিলেন দলের দায়িত্বপ্রাপ্ত ও গুরুত্বপূর্ন পদে আসীন । তার বক্তব্যকে মিথ্যা বলার কোন অবকাশ নেই। বৃহৎ গণতান্ত্রিক দলের দাবীদার নেত্রী যখন বলেন এসব বক্তব্য দেয়ার আগে জলিল সাহেবের পদত্যাগ করা উচিত ছিল। এতেই বুঝা যায় দলের গণতান্ত্রিক চর্চ্চার নমুনা। আসলে নেত্রী অনুধাবন করতে পেরেছেন যে এরকম একজন দয়িত্বশল ও প্রবীণ নেতার কথা মূল্য বাংলাদেশের রাজনীতিতে কত গুরুত্বপূর্ন যা বুঝলেন না হাসান ইমামের মত পাঠক!
sabbirali কে
হাসান সাহেবেরা বুদ্ধিমান আওয়ামী প্রানী। এদের কাজই হলো প্রভুভক্তি, রাজনীতি নয়।
যা বলেছিলাম,জলিল সাহেব, আপনি অসুস্থ্য, বিশ্রাম নিন "
সম্প্রতি আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারন সম্পাদকের অসুস্থ্য প্রলাপে যারা পুলকিত হয়ে বেশ কয়েকদিন যাবত এ আসরকে মাতিয়ে তুলেছিলেন, তাদের জন্য জলিল সাহেব তার সর্বশেষ অশ্বডিম্ব প্রসব করেছেন। তখন আমি বলেছিলাম,জলিল সাহেব, আপনি অসুস্থ্য, বিশ্রাম নিন "। তখন যারা আমাকে বিভিন্ন প্রশ্ন করেছিলেন, আশা করি তারা তার সদুত্তর পেয়ে গেছেন।
Jalil says 'sorry'
Wed, Sep 30th, 2009 12:07 am BdST Dial 2324 from your mobile for latest news
Syed Nahas Pasha, UK Correspondent
London, Sep 29 (bdnews24.com)–Former Awami League general secretary Abdul Jalil has said 'sorry' for his recent comments about the party, chief Sheikh Hasina and her cabinet.
The disgruntled ruling AL MP said he still mentally suffers from the torture by the military intelligence DGFI and says things that are not proper.
"I also told leader Sheikh Hasina before to act against them before."
He refuted his earlier claim that the party had sealed a deal with the military-installed caretaker government to take office. He said he talked about the -process'that had taken place prior to the polls.
Hasina said in New York on Sunday that Jalil should as well resign from parliament before he questions the credibility of the Dec 29 elections.
"He was given the party ticket and has been elected," added Hasina.
----------------------------------------------------------------------
পরিশেষে বলি,যারা জলিল সাহেবের এই বিভ্রান্ত প্রলাপে খুব বেশি পুলকিত হয়েছিলেন,তারা এই অশ্বডিম্ব প্রসবে হাতাশ হলে আমি তাদের জন্য আন্তরিক ভাবেই দুঃখ প্রকাশ করছি।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
হাসান ঈমামরা সুইজারল্যান্ডে হাজার বছর বাস করলেও স্বভাব রয়ে যাবে
হাসনা সাহেবদের কাছে জলিল এখন অসুস্হ কারন নে;টা করে ফেলেছে আলীগ ও হাসিনাকে| অথচ জলিল এই দুদিন আগেই এই ফ্যাসিষ্ট দলটির সাধারন সম্পাদক ছিলেন|
এক পা কবরে দেয়া জিল্লুর সুস্হ প্রেসিডেন্ট কারন জিল্লুর চামচামীর মহান বানী দিয়েছেন " আমার নেত্রী ভুল করতে পারেন না"......!!!
জলিল হাসিনা-রেহানার মিলিয়ন ডলার চুরি ফাঁস করেছে আর্মিদের কাছে ঠিক ডলা খেয়ে শেখ সেলিমও ফাস করেছে সব চুরির ঘটনা| শাস্তি শুধু জলিলের.......???
আশ্রাফ তার ছোট ভাই যে অব: ব্রিগেডিয়ার, তার মাধ্যমে ডিজিএফআই এর সাথে ৯৭% ভোট ও ২৭০ আসনের ডিল ফাইনাল করাতে এক লাফে সাধারন সম্পাদক....!!!
কাদের সিদ্দীকী, ড: কামাল, জলিল, তোফায়েল, আমু,রাজ্জাক, সুরন্জিত যেই মুখ খুলেছে এই ফ্যাসিষ্টদের বিরুদ্বে, সেই লান্ছিত হয়েছে|
লন্ডনের মতো যায়গার জলিল লান্ছিত হয় যুবলীগ ডাকাতদের হাতে, হাসান ঈমামরা সুইজারল্যান্ডে হাজার বছর বাস করলেও স্বভাব রয়ে যাবে যুবলীগেরই.....।
Betrayed ভাই
জলিল সাহেবকে য়ুবলীগের লোকজন শারীরিক ভাবে লাঞ্চিত করেছে আর উনি হাতে তালিয়া বাজাচ্ছেন এবং জলিল সাহেবকে অসুস্থতার পত্যায়নপত্র দিছেন। কথায় বলে ঢেকি সর্গে গেলেও ধান বানে। সুইস ল্যান্ড বলেন আর চন্দ্র ল্যান্ড বলেন, ঢেকি ধানই বানবে।
ধন্যবাদান্তে,
পোগো
Pogo: এইসব আবর্জনা কী সত্যিই বা;লাদেশী.....।??
বা;লাদেশ থেকে বিদেশে এসে কত লোক যে পলিটিক্যাল এসাইলাম মারলো নীজ দেশের বিরুদ্বে মিথ্যা বদনাম রটিয়ে| এরাই বিদেশে বিভিন্ন দলের নামে স;গঠন করে দল ভারী করে, সময় মতো নেত্রীদের পাশে দাড়িয়ে পোজ দেয়, সেই ছবি ইমিগ্রেশনে দেখিয়ে আশ্রয় লাভ করে| এই বেঈমানের দল দেশকে কিছু না দিক, দলের জন্য বিদেশের মাটিতেও মারা মারি কাটা কাটি বাদ রাখে না.......|
সেই ডাকাত গ্রুপের কিছু আবার টাইপ করা শিখেছে, এরা নেত্রীর নামে কীর্তন গাইবে, ভারতের সাথে শুয়ে পড়লে কি কি লাভ ব্লগে লিখবে, দালালী করবে বন্দর, করিডোর, সীমান্ত হত্যা দোষের কিছু না|
মনে মনে ভাবি এইসব আবর্জনা কী সত্যিই বা;লাদেশী.....।?? না-কী বা;লাদেশী পাসপোষ্টধারী ভারতীয়......???
Aashun --- Bharot er Pachay Tel Malish Kori
Bangladeshi Passport-dhari aai shob Bangladeshi Bangalee ra (BAL supporters, Jatir Pitar Shontan) nijeder kheye (Banglades-a jonmo niye) porer bon-a mohish (Bharot namok rashtror pachay tel Malish) tarate pochondo kore! Eder budhhi bibechona kathal gachtolay okka paowa kulo beng er moto-i shimabodhho!
JACKOB RAIHAN
One day we might be able to see white coal, but ...........
Betrayed, I agree with your precise comments on Awami-Baksali goons. Their character will never change. One day we might be able to see white coal, but the color of Jubo league black coal will never change, even if living in Switzerland for thousand years. Every blood cell of these jubo league dacoits are made of hard core fascism.
জলিলের অশ্বডিম্ব
জলিল যখন বিএনপিকে ট্রাম্প কার্ড দেখিয়েছিল তখন কিন্তু আওয়ামিলিগের কারোর মুখে জলিল সাহেবের অশ্বডিম্বের কথা শোনা যায়নি।তার কারন জলিল ছিল তখন শেখ হাসিনার ভাংচুর আর জ্বালাও পোড়াওয়ের জোগান দাতা।হায়রে কপাল একেই বলে জলিলের কপাল।খালেদাকে ট্রাম্প কার্ড দেখানোর প্রয়োজন ফুরিয়েছে বলে জলিলের ও প্রয়োজন ফুরিয়েছে।হাসিনার মত লোভী অসভ্য এবং মস্তিস্ক বিকৃত কুসন্তান এখন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী যিনি নাকি নিজের স্বার্থে যে কোন সিদ্ধান্ত নিতে কখনোই দ্বিধা করেন না।
হাসান সাহেব
জলিল সাহেব বিশ্রামে কেন যাবে? এটা কি অনুরোধ নাকি হুমকি? ম্যানহলে নিক্ষিপ্ত হওয়ার ভয় থাকা স্বত্তেও কিছু বলার সাহস যে দেখাচ্ছেন , তার জন্য তাকে সাধুবাদ জানাই।
তা এই বুড়ো ভাম বিডিয়ার নিয়ে মুখ খুললে জাতি কৃতজ্ঞ হত।
সমুদ্র ভাইজান...অশ্বডিম্বের অপেক্ষায় থাকুন......।
জলিল সাহেবের ন্যায় একজন আপদমস্তক রাজনীতিতিক তার না পাওয়ার বেদনাকে অর্থহীন প্রলাপে পরিনত করে তিনি নিজের ভারসাম্য নষ্ট করেছেন এবং তিনি প্রমানিত করেছেন যে, তিনি রাজনীতিতে আর সুস্থ্য নন। তাই তাকে বিশ্রামে যেতে বলেছি।
তার এহেন ভুমিকাতে যারা পুলকিত হচ্ছেন তাদের জন্য তিনি আর একটি ট্রামকার্ডের অশ্বডিম্ব প্রসব করবেন মাত্র। তাই আপনার কতিথ বুড়ো ভামের অশ্বডিম্বের অপেক্ষায় প্রহর গুনুন। ক্ষতি নেই, তবে হাতাশ হবেন বলেই আমার ধারনা।
ভাল থাকুন।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
Mr Hassan Two month back i
Mr Hassan Two month back i have given you some nice word i think you forget.however Just i am requesting you please could keep quit and don't give any advice anyone.
please let us know what's the reality.what's is the main story of last election.don't try to stop Mr Jalil to say the truth.
pleas...........................eeeeeeeeeeeeeeeeeeeeeeeeeeeeeeeee.
Alzheimer Sajeda talking about the constitution?
This ugly face alzheimer patient is physically & mentally incapable of running a family, but Hasina found a rehab center for her in our parliament house. It is very scary that she is talking about changing our constitution, she is not capable of keeping her sharee in place.
She lost her memory even, last time she said that Gen Zia did not fight in Liberation war. Very scary sensation.
Sheikh Rassel was a Freedom Fighter -- Sajeda Chowdhury
Aai bridhho mohila, Shajeda Chowdhury, kichudin aage bollen je Bir Uttom Ziaur Rahman khokhono naki muktijudhhoi koren ni. Aaro kichudin por hoyto aai mohila bolben, Bir Uttom Ziaur Rahman ekjon certified Razzakar chilen 1971 a!
BAL er lokjonera etihash bikritir jonno onno k dosharup kore thake shochorachor. Aai erai kintu BD Constitution k rape koreche shorboprothom! Sajeda Chowdhury hoyto alzheimer rog-a akranto hoye BD Constitution dhorshon bishoyok etihash vule boshe achen!
Kichu din por hoyto aai Shajeda Chowdhury notun ek etihash jonmo deben. Tini khub shomvoboto bolben je Jatir (AL supporters = Jati) Pita Sheikh Mujib-er putro Sheikh Rassel ekattor-a muktijuddho korechilo Dhanmondi Bottirish nombor-a tar mayer (Begum Mujib) kole boshe!
JACKOB RAIHAN
======================================================================
Until they (MUA, FUA, MASUD, AMIN, BARI, HUDA, SHAKHWAT) are brought to justice (for raping the law and constitution) -- spit on them, pee on them, and shit on their faces!
======================================================================
হাসান ইমাম খান --------- আপনি অসুস্থ্য, বিশ্রাম নিন
হাসান ইমাম খান ------------ ভক্তি ও শ্রদ্ধ্যাবোধ এখন অনেকটা সহানুভুতিতে পর্যবসিত হয়েছে|
Mr. হাসান ইমাম খান, you should not say to any body who is freedom fighter this type of comment.
Truly Awami League is more corrupted.
জলিল সাহেব ভালো থাকুন
অসুস্থ শরীরের জলিল সাহেব,বুঝতে পারছি মন্ত্রীত্ব এবং প্রেসিডীয়ামে না থাকতে পেরে দিশেহারা।সহজ সরল মানূষ তিনি জীবনে রাজণিতীর জন্য অনেক কিছু ত্যাগ করেছেন।।বিলেতে ব্যারিষ্টারী পড়া বাদ রেখে বংঙ্গোবন্ধুর আহবানে রাজণিতীতে এসেছেন।৭১ সালে পাকিস্থানী সরকারের ব্যাংক লূটের টাকা যুদ্ব শেষে বাংলাদেশ সরকার কে ফেরত দিয়েছেন।পেয়েছেনও অনেক ৮৬ সালে বিরীধীদলের চীফ হুইপ এবং ৯৬ সালের পরে মন্ত্রী।উদোক্তা হিসাবে মার্কেন্টাইল ব্যাংকের পরিচালক।শোনা যায় তার শেয়ারের পরিমান ৫% এর কম।কিন্তু সেই জলিল সাহেব অনেক কথাই বলছেন যা দলীয় ফোরামেই বলা ভাল।কিন্তু উনি কিসের উপড় ভিত্তি করে ১/১১ এবং আওয়ামীলীগের সাথে আতাত হয়েছে বলছেন তার কি ভিত্তি আছে?শুধু অনুমান নির্ভর করে এই ধরনের মন্তব্য করা যেকোন ব্যক্তির পক্ষেই হাস্যকর। আর যারা তার মন্তব্য নিয়ে নির্বাচনে কারচুপির কথা বলছেন তাদের জন্য বলছি মইনের ভাই কিন্তু নির্বাচনে হেরেছেন।
যাই হোক জলিল সাহেবের মন্তব্য নিয়ে তাকে তাকে লাঞ্চিত করা নিন্দার এবং ধিক্কার জানাই তারা যেই হোক।মনে পড়ে মেজর মান্নান দল থেকে পদত্যাগ করার পরে তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানও হামলা থেকে বাচেনি।সেই ধরনের কোন রাজনীতির পূনরাত্তান আমাদের কাম্য নয়।
আওয়ামী বলে কথা
আজ তো দিনের আলোর মত পরিষ্কার যে মুয়া ফুয়ার সাথে সমঝোতার মাধ্যমে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে। জলিল আজ বলছে কাল তোফায়েল, সুরঞ্জিত, রাজ্জাক এবং আমু বলা শূরু করবে। সত্য কখন চাপা থাকে না। বদ্ধ পাগল এবং অন্ধরাই বিশ্বাস করবে যে নির্বাচন হয়েছিল। হয়েছে এক প্রহশন।
জলিলকে দোষ দিয়ে লাভ কি? তার উপর দিয়ে তো কম করেনি মুয়া ফুয়া। মুয়া ফুয়ার লাঞ্চিত হওয়া বাকি আছে। তাই তো ভয়ে পালিয়ে আছে আমেরিকায়। তাদের শেষ রক্ষা হবে না।
To yousuf144 Form friend JR (until then)
Until they (MUA, FUA, MASUD, AMIN, BARI, HUDA, SHAKHWAT) are brought to justice (for raping the law and constitution) -- spit on them, pee on them, and shit on their faces!!
JACKOB RAIHAN