আওয়ামী লীগ নেত্রী শেখ হাসিনার নিকট অতীতের লেফ্টেন্যান্ট মোঃ আবদুল জলিল একের পর এক অভিযোগ আনছেন নেত্রী এবং দলটির সততা নিয়ে। অভিযোগ উত্তাপনের ক্লাইমেক্স এতটা উচ্চতায় উঠেছে এই নেতা এখন ব্যক্তিগতভাবে শেখ পরিবারের ক্ষমতা অপব্যবহার করে অবৈধ সম্পদ আহরনের তথ্যাদি প্রকাশ করতেও দ্বিধা করছেন না। দলীয় পর্য্যায়ে এই নেতার এহেন কথাবার্তাকে ক্ষমতা হারানোর প্রসব বেদনা বলে আখ্যায়িত করা হচ্ছে, এবং ভেটেরান এই নেতার ভাগ্য নেত্রী দেশে ফিরলে কোন দিকে গড়াবে তা সহজেই অনুমেয়। বাংলাদেশের সমসাময়িক রাজনীতিতে নেতা/নেত্রী সমালোচনার কোন স্থান নেই, হোক তা আওয়ামী, বিএনপি অথবা জাতীয় পার্টি। ব্যক্তি কেন্দ্রিক রাজনীতিতে জলিলের অভিযোগ কখনোই তদন্ত করে দেখা হবেনা, যদিও নেতার অভিযোগগুলো রাষ্ট্র্বের সর্বোচ্চ পর্য্যায়ে তদন্তের দাবি রাখে।
রাজনীতির লৌহ বলয়ের বাইরে যাদের বাস তারা মনে প্রানে বিশ্বাষ করে শেখ হাসিনা সহ শেখ পরিবারের বাকি সবাই রাষ্ট্র ক্ষমতা অপব্যবহার করে গনলুটপাটের মাধ্যমে নিজদের ভাগ্য অতীতে যেমন গড়েছেন এখনও গড়ে চলছেন। এমন অসৎ দৌড় হতে বিএনপির মত মেগা লুটেরার দল পিছিয়ে এমনটা বিশ্বাষ করার সামান্যতম কোন কারন নেই। বাংলাদেশের রাজনীতির পূরোটাই লুটপাট মূখী, 'জেনারেল' জলিল এমন একটা সিন্ডিকেটেড চুরি সংগঠনেরই ইন্টিগ্রেটেড সদস্য। সমস্যা হল, তত্ত্ব্বাবধায়ক সরকারের গ্যারাকলে পরে এই নেতা নেত্রীর অপকর্মের তথ্যাদি প্রকাশ করতে বাধ্য হয়েছিলেন নিজকে বাচানোর জন্যে। অন্য আওয়ামী মেগা নেতা আমু, তোফায়েল, রাজ্জাক এবং সুরঞ্জিত বাবুর দল একই কাজ করেছিলেন একটু চতুর ভাবে (সংস্কার প্রস্তাব)। এ ধরনের চতুরতার যোগ্য জবাব দিয়ে শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের প্রথম সাড়ি এ নেতাদের ঠুটো জগন্নাথ বানিয়ে রাজনীতির কবরে সমাহিত করার কাজটি সমাধা করে ফেলেছেন। রাজনীতিতে এ ধরনের ব্যক্তিস্বার্থের লড়াইয়ের ফলে সবচেয়ে বেশী উপকৃত হয় রাজনীতি নিজেই। কারন, কাদা ছোড়াছুড়ির ফাক ফোকর গলে রাজনীতির এমন সব অজানা কাহিনী বেরিয়ে আসে যার সবটা জুড়ে থাকে ক্ষমতার অপব্যবহার করে রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুটপাট। বাংলাদেশ নিকট অতীতে র্দুনীতিতে পর পর চার বার বিশ্ব চ্যম্পিয়ন হয়েছিল যার কৃতিত্ব শুধু বিএনপি নয়, আওয়ামী লীগের ভান্ডারেও জমা করা আছে। জলিলের অভিযোগগুলো নতুন করে সত্যায়িত করে বাংলাদেশকে দেয় বিশ্ব সমাজের এই 'পুরস্কার'।
মোঃ আবদুল জলিলকে রাজনীতির কবরে সমাহিত করার আগে তার আনা অভিযোগগুলোর তদন্ত হওয়া বাঞ্চনীয়, এবং আনা অভিযোগগুলোর প্রমান পাওয়া গেলে শেখ হাসিনা সহ শেখ পরিবারের সবাইকে বিচারের মুখুমুখি করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। একই কথা প্রযোজ্য লুটপাট সমিতির অন্য দলের বেলায়। নেত্রী বিরোধীতার কারনে আবদুল জলিলকে বামিংহামে শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে, দেশে ফিরলে হয়ত আরও র্দুভোগ অপেক্ষা করবে। একই ধরনের সমালোচনার জন্যে বিএনপির নেতাকে শুধু নির্যাতন নয় বরং শারীরিকভাবে বিনাশ করার সম্ভাব্যতা দলটির জন্যে ডাল ভাত। এটাই বোধহয় দল দুটির মৌলিক পার্থক্য।
Jalil, Bodruddoza, Oli Ahmed, Mannan Bhuyan etc. etc.
There exist a long list of casualtis of AL & BNP ladders; the most recent being Jalil & Mannan.
Khaleda was not too mad with Mannan, but Mannan was in wrong place, in GS post; Khaleda needed to keep it vacant for Tareq, poor Mannan Bhu.
Rehana had problem with Jalil, that was the beganing.
লন্ডনে গা ঢাকা দিয়েছেন জলিল চাপের মুখে সাক্ষাৎকার প্রচার বন্ধ
লন্ডনে গা ঢাকা দিয়েছেন জলিল চাপের মুখে সাক্ষাৎকার প্রচার বন্ধ
গত ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের বিপুল বিজয়ের গোপন তত্ত্ব সবই ফাঁস হতে শুরু করেছে। দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল সর্বশেষে লন্ডনে প্রদত্ত সাক্ষাৎকারে হাটে হাড়ি ভেঙ্গে দিয়েছেন। আরো তথ্য ফাঁস করে দেয়ার হুমকিকে যুক্তরাজ্যের একটি বাংলা বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের ওপর চাপ প্রয়োগ করে আব্দুল জলিলের সাক্ষাৎকার প্রচার বন্ধ করে রাখা হয়েছে। শুক্রবার লন্ডনে আব্দুল জলিল দলীয় বিক্ষুব্ধ কর্মীদের হাতে লাঞ্ছিতও হয়েছেন বলে খবর বেরিয়েছে। গতকাল লন্ডনে আব্দুল জলিল সম্পূর্ণ গা ঢাকা দিয়েছিলেন বলে লন্ডন থেকে প্রাপ্ত সূত্র জানিয়েছে। যুক্তরাজ্য শাখা আওয়ামী লীগ এ প্রশ্নে একটি প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করার আগাম ঘোষণা দিলেও গতকাল সন্ধ্যায় এ লেখা পর্যন্ত এ ধরনের কোন আয়োজন তাদের করতে দেখা যায়নি।
আওয়ামী লীগের এক সময়কার হেভিওয়েট নেতা সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের ক্ষমতারোহণের গোপন তত্ত্ব ফাঁস করে দিয়েছেন। বর্তমানে তিনি লন্ডনে অবস্থান করছেন সপরিবারে। সেখানে বিডিনিউজের সাথে এবং একটি বেসরকারি বাংলা টেলিভিশনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এসব গোপন তথ্য ফাঁস করে দিয়েছেন। টেলিভিশন চ্যানেলটি গত বৃহস্পতিবার আব্দুল জলিলের আংশিক সাক্ষাৎকার প্রচার করে। এতে তিনি উল্লেখ করেছেন যে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও সেনা গোয়েন্দা সংস্থা ডিজিএফআইয়ের সাথে গোপন সমঝোতা করে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসীন হয়েছে। টিভি চ্যানেলটি পরবর্তীতে আব্দুল জলিলের পূর্ণাঙ্গ সাক্ষাৎকার প্রচার করতে চাইলেও তা চাপের মুখে সক্ষম হয়নি। আওয়ামী লীগ ঐ চ্যানেলের ওপর চাপ প্রয়োগ করে সাক্ষাৎকারটির প্রচার বন্ধ রেখেছে। এমনকি তারা ঐ চ্যানেলের কাছে আব্দুল জলিলের সাক্ষাৎকারের ভিডিও ক্যাসেট তলব করেছে। ব্যক্তি স্বনাধীনতা ও মত প্রকাশের স্বাধীনতা শুধু দেশেই নয় বিদেশেও বাকশালী কায়দায় বন্ধ করে রাখতে পারদর্শী আওয়ামী লীগ।
যুক্তরাজ্যের রাজধানী লন্ডনে একজন সিনিয়র সাংবাদিক ও একটি পত্রিকার সম্পাদক গতকাল বলেন, তিন দিন পেরিয়ে গেলেও বেসরকারি ঐ টিভি চ্যানেলটি আব্দুল জলিলের পূর্ণাঙ্গ সাক্ষাৎকারটি প্রচার করতে সক্ষম হয়নি। এ ব্যাপারে ঐ চ্যানেলের কোন দায়িত্বশীল ব্যক্তি মুখ খুলতে নারাজ। তারা বিপদের মধ্যে আছেন বলেও জানিয়েছেন সাংবাদিকদের। লন্ডনে গতকাল যুক্তরাজ্য শাখা আওয়ামী লীগের একটি প্রতিক্রিয়া দেয়ার কথা ছিল। স্থানীয় সময় বেলা ১টা পর্যন্ত (বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৬টা) এ ব্যাপারে তাদের কোন উদ্যোগ দেখা যায়নি। অন্যদিকে গত ২ দিন ধরে আব্দুল জলিল লন্ডনে আত্মগোপনে রয়েছেন। তার আংশিক সাক্ষাৎকার প্রকাশিত হওয়ার পরের দিন লন্ডনে দলীয় নেতা-কর্মীদের হাতে লাঞ্ছিত হওয়ার পর তিনি গত দু'দিন ধরে আত্মগোপনে রয়েছেন। তাকে কোথাও খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।
আব্দুল জলিলের লন্ডনে সাক্ষাৎকারকে কেন্দ্র করে ঢাকায় দলের মধ্যে তোলপাড় দেখা দিয়েছে। তবে কেউই মুখ খুলতে নারাজ। দলের একটি দায়িত্বশীল সূত্র বলেছে, আগামী ৩ অক্টোবর দলের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক রয়েছে। সেখানে আব্দুল জলিলের বিরুদ্ধে দলের শৃক্মখলা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হতে পারে। অভিযোগ প্রমাণ হলে তাকে দল থেকে বহিষ্কার করা হতে পারে। সাবেক সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল দলের সর্বশেষ কাউন্সিলে সাধারণ সম্পাদক হতে পারেননি। তার পরিবর্তে সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। জলিলের অবস্থান হয়েছে দলের উপদেষ্টা পরিষদে। প্রেসিডিয়াম, বা ওয়ার্কিং কমিটিতে তার স্থান হয়নি। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সময়ে গ্রেফতার হওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি দলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। গ্রেফতারের পর দলীয় সভানেত্রী সম্পর্কে তার কতিপয় মন্তব্য বিরূপ প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়। পরে জেল থেকে বের হওয়ার পরও তিনি নামে সাধারণ সম্পাদক থাকলেও তাকে দায়িত্ব পালন করতে দেয়া হয়নি। তাকে বিশ্রামে পাঠানো হয়। এমনকি সর্বশেষ কাউন্সিল আয়োজনের মধ্যেও তাকে রাখা হয়নি। অথচ আওয়ামী লীগের গঠনতন্ত্র অনুসারে কাউন্সিলের আয়োজন হওয়ার কথা সাধারণ সম্পাদকের আহবানে। অবশেষে কাউন্সিলের ৩ দিন আগে তিনি সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে পদত্যাগ করেন। কাউন্সিলের পরে জলিলকে সব দায় দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে উপদেষ্টা পরিষদে রাখা হয়েছে। বর্তমানে তিনি দলের একজন এমপি এবং বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি। লন্ডনে তিনি সম্প্রতি গিয়েছেন সপরিবারে। ৫ বছরের মাল্টিপল ভিসা নিয়ে গেছেন তিনি লন্ডনে। এতে ধারণা করা হচ্ছে যে অবস্থা বেগতিক দেখলে এই ৫ বছরের মধ্যে আব্দুল জলিল দেশে নাও ফিরতে পারেন। লন্ডন থেকে প্রকাশিত আব্দুল জলিলের সাক্ষাৎকারে দলের বর্তমান অবস্থান ও নেতৃত্বেরও তীব্র সমালোচনা করা হয়েছে।
ট্রামকার্ড প্রদর্শনকারী জলিল
ট্রামকার্ড প্রদর্শনকারী জলিল হাসিনার বিরুদ্ধে মন্ত্রীত্ব হারানোর ব্যাথায় যে সকল কথা বলে চলেছেন তা অনেকেই পাগলের প্রলাপ বলে মনে করছেন।ওয়ান এলেভেন এবং পরবর্তী ঘটনার হিসাব কষলে তা একেবারেই মিথ্যা বলে হয়তো উড়িয়ে দেওয়া যায় না।স্বাভাবিক ভাবেই মনে প্রশ্ন জাগে তাহলে জলিল সাহেব কথা গুলি আগে বলেন নি কেন?তাহলে কি আমরা ধরে নিতে পারি না যে উনি এতদিন মন্ত্রীত্ব পাওয়ার অপেক্ষায় ছিলেন?তা না পাওয়ার বেদনায় এখন কাতরাচ্ছেন?জলিল ছিলেন হাসিনার তথা কথিত জ্বালাও পোড়াও,মার খা্ও,আটকাও ইত্যাদি গনবিধ্বংসী আন্দোলনের সহযোগী।একটা ভোটে জেতা গনতান্ত্রিক সরকারকে ট্রাম কার্ড দেখানোর মত এত বড় আস্পর্দা জলিল কোথায় পেয়েছিল এই প্রশ্ন তখনকার মানুষের মনে বিরাট আকারে দেখা দিয়েছিল।আজ তিনি তারই অপকর্মের নেত্রীকে ট্রাম কার্ড দেখাতে চাচ্ছেন,আতাতের মাধ্যমে ক্ষমতায় আরোহনের অভিযোগে অভিযুক্ত করছেন-অথচ মন্ত্রীত্ব পেলে তিনি এই অভিযোগ করতেন না-এই সত্য আমাদেরকে উপলিব্ধি করতে হবে।গনতন্ত্রের নামে মানুষ মারা তথা গনতন্ত্রকে হত্যা করার নীল নক্সায় হাসিনার সাথে জলিল ও জড়িত।হাসিনার বিরুদ্ধে জলিলের অভিযোগ যদি ব্যাখ্যার দাবী রাখে তাহলে জলিলের কুকর্মের ও কৈফিয়ত তলব করার দাবী রাখে।
জলিল সাহেব ছিলেন একজন পাক্কা লেজে খেলোয়ার যার গুরু ছিলেন স্বয়ং শেখ হাসিনা অথচ ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস একটি চালে ভুল করে জলিল সাহেব তার গুরুর কাছে হেরে গেলেন এবং বর্নাঢ্য খেলোয়াড়ি জীবনের ইতি টানতে বাধ্য হলেন।
১/১১
এই বুড়ো ভামের আর্মির হতে ধোলাই খেয়ে দেশবসীর কাছে লেখা সেই বিখ্যাত খোলা চিঠিখানার কথা মনে আছে? দেশবাসীর যেমন মনে আছে সেই চিঠির প্রতিটি অক্ষর, হাসিনার পক্ষে কি ভুলে যাওয়া সম্ভব সেই অপমানকর কথা? ১/১১ সরকারের যেটা সবচেয়ে ভুল ছিল তা হচ্ছে খা্লদার পাশাপাশি হাসিনার মত বিশাক্ত গোখরাকে চিনতে ভুল করা।যার হিসাব কড়ায় গন্ডায় দিচ্ছে এই হতভাগ্য দেশ।আরো কত দিন , কত শতাব্দি দিতে হবে এই হিসাব তা সময়ই নির্ধারন করবে।
দোষ শুধু জলিল ব্যাটার
আজ থলের বিড়াল বের করে দিয়েছে জলিল সাহেব। আমু, সুরঞ্জিত, রাজ্জাক এবং তোফায়েল শুরু করবে খুবই শিগগিরি।
১/১১ সরকারের যেটা সবচেয়ে ভুল ছিল তা হচ্ছে খা্লদার পাশাপাশি হাসিনার মত বিশাক্ত গোখরাকে চিনতে ভুল করা।
সমুদ্র সাহেব। হাসালেন। আজব আপনাদের ধ্যান ধারনা। মুয়া ফুয়া ক্ষমতা দখল করতে চেয়েছিল। কিন্তু পারে নায়। তারা বাঁচার জন্য হাসিনার সাথে আঁতাত করে। আজব পেচাল একটু কম মারলে ভাল হয়।
ইউসুফ সাহেব (don't be so ungrateful)
মুয়া ফুয়ার সবচেয়ে বড় দোষ বা দুর্বলতা যেটা ছিল তা হল ক্ষমতার প্রতি লোভ না হওয়া।এদের যদি এই মহান দোষটা থাকত তবে বাংলাদেশের আজ অন্য চেহারা হত।খালেদা , হাসিনার আসল চেহারা উন্মুক্ত করে তাদের টেম্পরারী মাইনাস টূ নয়, বিচারের পুখোমুখি করে আদালত কতৃক চিরতরে মাইনাস করার যে মোক্ষম সুযোগ তারা পেয়েছিল তার স্বদব্যবহার করার না কারন মইনুদ্দিনের কাপুরুষতা। খালেদা , হাসিনার যদি কারো প্রতি কৃতজ্ঞ হওয়া উচিৎ, তবে তা এই মইনুদ্দিন। এই ক্ষমতার প্রতি নির্লোভ , কাপুরুষের কারনে আজ খালেদা, হাসিনা তাদের হারান ডাকাতির সাম্রায্য ফিরে পেয়েছে । কাজেই মুয়া ফুয়ার নাম প্রতিদিন শ্রদ্ধার সাথে স্বরন করে একটু কৃতজ্ঞতার পরিচয় দিন।
ইউসুফ সাহেব (don't be so ungrateful).......Shomudro
Shomudro wrote:......এই ক্ষমতার প্রতি নির্লোভ , কাপুরুষের কারনে আজ খালেদা, হাসিনা তাদের হারান ডাকাতির সাম্রায্য ফিরে পেয়েছে..... ।
আলুখোর মঈন কাপুরুষ ছিল তবে নির্লোভ নয়..
*********************************************************
বারবার চেষ্টা করেও ক্ষমতা দখল করতে পারেননি জেনারেল মইন
ক্ষমতার প্রতি কোনো মোহ নেই বারবার বললেও ওয়ান ইলেভেন পরবর্তীসময়ে তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল মইন উ আহমেদ বেশকয়েকবার চেষ্টা করেছেন ক্ষমতা দখল করতে। কিন্তু প্রভাবশালী কূটনীতিকদের সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করেও গ্রিন সিগনাল না পাওয়ায় তার সে আকাঙ্খা পূরণ হয়নি। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন চায়নি দক্ষিণ এশিয়ায় আরেকজন মোশাররফের আবির্ভাব ঘটুক। এরপরও তিনি ক্ষ্যান্ত দেননি। বারবার কৌশল পরিবর্তন করে ক্ষমতায় বসতে চেয়েছিলেন। চেষ্টা করেছেন রাজনৈতিক দলগুলোকে বিভক্ত করে কিংস পার্টি গঠনের। সব ব্যর্থ হওয়ার পর অসহায় আত্মসমর্পণ করতে হয়েছে রাজনীতিকদের কাছে। ঢাকা প্রকাশিত ও নূরুল কবীর সম্পাদিত সংবাদ সাময়িকী সাপ্তাহিক বুধবারের চলতি সংখ্যায় ‘মইন ক্ষমতা নিতে চেয়েছিলেন তিনবার’ শিরোনামে মতিউর রহমান চৌধুরীর লেখা প্রতিবেদনটি www.bdleadnews.com'র পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্ষমতা দখল করতে চাননি জেনারেল মইন উ আহমেদ এটা সত্যি নয়। জাতির সামনে তিনি বারবার অসত্য বলেছেন। বাস্তব অবস্থা হচ্ছে, জেনারেল মইন ক্ষমতা দখল করতে চেয়েছিলেন অন্তত তিন বার। সফল হননি নানা ঘটনায়, নানা চাপে। এর মধ্যে সেনাবাহিনীর ভেতরকার প্রতিরোধ অন্যতম। বিদেশি প্রতিক্রিয়াও ছিল নেতিবাচক। বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্র চায়নি জেনারেল মইন ক্ষমতা গ্রহণ করেন। মইনের পক্ষ থেকে একাধিকবার হোয়াইট হাউসে যোগাযোগ করা হয়। কনভিন্স করার চেষ্টা চলে, ক্ষমতা না নিলে সংস্কার প্রক্রিয়া এগিয়ে নেয়া সম্ভব নয়। ১১ জানুয়ারি ২০০৭ এর আগে তেমন জোরালো লবি ছিল না। লবি শুরু হয় জানুয়ারির শেষ দিকে। হোয়াইট হাউস পর্যন্ত পৌঁছে যায়। জেনারেল মইন নিজে ঢাকাস্থ মার্কিন রাষ্ট্রদূত প্যাট্রিসিয়া বিউটেনিসকে জানান, এভাবে একটি তত্ত্বাবধায়ক সরকার চলে না। সেনাবাহিনী যদি ক্ষমতা না নেয় তাহলে রাজনৈতিক চাপ বাড়বে। কাজের কাজ কিছুই হবে না। ক্ষমতা আসলে কোথায় জনগণ জানে না। বিউটেনিস মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরকে বিষয়টি জানান এক বার্তায় ফেব্রুয়ারির শেষ ভাগে। তার পর অপেক্ষার পালা মইনের। ১৮ মার্চ আবার যোগাযোগ করেন দূতাবাসের সঙ্গে। এবার যোগাযোগ করেন একজন প্রভাবশালী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল। বলেন, মাইনাস-টু ফর্মুলা বাস্তবায়ন করতে হলে একটি তৃতীয় ফ্রন্ট খোলা দরকার। আর এই ফ্রন্ট হতে পারে জেনারেল মইনের নেতৃত্বে। দুটি দলে যে সংস্কার প্রক্রিয়া চলছে তা এগিয়ে নিতে হলেও প্রয়োজন একটি ফ্রন্টের। এবার কিছুু জবাব আসে বুশ প্রশাসন থেকে। পরিষ্কার ভাষায় বলা হয়, আমরা দক্ষিণ এশিয়ায় আরেকজন মোশাররফ তৈরি করতে চাই না। কথা শুনে মইনের মাথায় যেন আকাশ ভেঙে পড়লো। সব পরিকল্পনাই ভেস্তে যাবে!
জেনারেল মইন দমবার পাত্র নন। রাজনীতিকে নিয়ন্ত্রণে নেয়ার চেষ্টা করতে থাকলেন। দুই নেত্রীকে গ্রেফতার করে তাদের নামে মামলা দেয়া হলো দুর্নীতির। আওয়ামীলীগ-বিএনপির শীর্ষ নেতাদের নামেও দুর্নীতির মামলা রুজু হলো। অনেককেই গ্রেফতার করে রিমান্ডে নেয়া হলো। দুই দলের সংস্কারবাদিরা তখন সক্রিয়। জেনারেল মইনকে ঘন ঘন সংবাদমাধ্যমে দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে টেলিভিশনের পর্দায়। মে মাসের গোড়ার দিকে ফরমেশন কমান্ডরদের এক বৈঠকে একজন জেনারেল বলেন, আমাদের বেশি বেশি টেলিভিশনে দেখা যাচ্ছে। এতে জনগণ ভুল বুঝতে পারে। সেনা ইমেজ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। এক সপ্তাহের মধ্যেই ওই জেনারেলকে বদলি করা হলো অপেক্ষাকৃত কম গুরুত্বপূর্ণ একটি পদে। বর্তমানে ওই জেনারেল অবশ্য সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ এক পদে বহাল হয়েছেন। ২০০৭ এর মে মাসের এক সকালে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল বারীকে ডেকে পাঠালেন মইন। একটি তালিকা হাতে দিয়ে বলেলেন, ওদের সঙ্গে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব যোগাযোগ করতে হবে। একটি রাজনৈতিক দল গঠন করতে চাই। জেনারেল এরশাদ যেভাবে জাতীয় পার্টি গঠন করেছিলেন ঠিক সে আদলে একটি দল গঠন করে ক্ষমতা পাকাপোক্ত করাই তার উদ্দেশ্য। বারী যোগাযোগ স্থাপন করলেন। গুলশানে একাধিক বৈঠক করলেন রাজনীতিকদের সঙ্গে। আওয়ামীলীগের এক সাবেক এমপির বাসায় বৈঠক বসলো। ২৬ জন সাবেক এমপির উপস্থিতিতে ব্রিগেডিয়ার বারী তাদের পরিকল্পনার কথা জানালেন। দীর্ঘ আলোচনার পর ঠিক হলো নয়া দলে তারা শরীক হবেন। এরপর অবশ্য ওই বৈঠকে হাজির এমপিদের মধ্যে বিভক্তি দেখা দিল। কারণ, তারা জানতেন না কেন ওই বৈঠকে ডাকা হয়েছে। নেত্রীকে মাইনাস করার প্রস্তাব সম্পর্কে তারা আগেভাগে কিছুই জানতেন না। এই বৈঠকের খবর চাউর হয়ে গেল সর্বত্র। নেত্রীর কানেও পৌঁছে দিলেন কেউ কেউ। শেষ পর্যন্ত এমন হলো বিগত নির্বাচনে মনোনয়নই পেলেন না বৈঠক আয়োজনকারী, যিনি এক সময় অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন রাজনৈতিক নেতা ছিলেন। ব্রিগেডিয়ার বারীর মিশন যখন এগিয়ে চলছে তখনই আরকবার মইন তার নয়া সিদ্ধান্তের কথা জানালেন। এবার ড. ফেরদৌস আহমেদ কোরেশীকে নিয়ে দল করতে হবে। কোরেশী মত দিলেন। কাজ শুরু করলেন কোরেশী। একপর্যায়ে মইনের আগ্রহে ভাটা পড়ল। ফের বারীকে ডেকে বলেলেন, আপাতত দল নয়। অন্যভাবে এগিয়ে যেতে হবে। এরই মধ্যে চলে গেলেন ভারত সফরে। সেখান থেকে ফিরে এসে নয়া পরিকল্পনার কথা জানালেন সহকর্মীদের কাছে। বললেন, এভাবে নয়। রাজনীতিকদের সঙ্গেই বোঝাপড়া করতে হবে। কোন দলের সঙ্গে সমঝোতা করা যায় তা নিয়েই এখন কাজ করতে হবে। বলে রাখা ভালো, যে ক’জন জেনারল মইনের রাষ্ট্রপতি হওয়ার পথে প্রধান অন্তরায় ছিলেন তাদের অন্যতম জেনারেল মাসুদ উদ্দিন। নবম পদাতিক ডিভিশন থেকে তাকে সরিয়ে পিএসও করা হলো মাসুদের অজান্তে। অবশ্য তাকে পদোন্নতি দিয়ে লে. জেনারেল করা হলো। একজন লে. জেনারেল তো জিওসি থাকতে পারেন না। মাসুদ টের পেয়েছিলেন। কিন্তু তার করার ছিল না কিছুই। বরং তাকে অনেকটা নজরবন্দিই করে রাখা হয়েছিল। জেনারেল মইন যেদিন তার চাকরির মেয়াদ আরো এক বছর বাড়ান সেদিন পিএসও’র দায়িত্বে থেকেও টের পাননি। মইনর পক্ষে সোজা ফাইল নিয়ে বঙ্গভবন গিয়েছিলেন একজন ব্রিগেডিয়ার জেনারেল। যিনি পর মেজর জেনারেল হন। শেখ হাসিনা ক্ষমতায় এসেই তাকে বাড়িতে পাঠিয়ে দেন অন্য অভিযোগে। বলাবলি আছে, এই মেজর জেনারেলই নির্বাচনের আগে রাজনীতিকদের সঙ্গে দর কষাকষি করেছিলেন। সমঝোতা হয়েছিল তারই নেতৃত্বে। সেটা এখন অতীত।
জেনারেল মইন রাষ্ট্রপতি হওয়ার জন্য একটি কমিশনও গঠন করেন। আটজন ব্রিগেডিয়ারকে দায়িত্ব দেন, যারা তুরস্কসহ নানা দেশের সংবিধান পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে একটি রিপোর্ট জমা দেন। তারা রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ক্ষমতার ভারসাম্য কীভাবে রক্ষা করা যায় তারও একটি ফর্মুলা দেন। মইন রাষ্ট্রপতি হলে কে হবেন প্রধানমন্ত্রী এটা নিয়েও পর্দার আড়ালে সংলাপ চলে। মইনের প্রথম পছন্দ ছিল বিএনপি থেকে কাউকে নেয়া। বিশেষ করে খালেদা জিয়ার ভাই সাঈদ এস্কান্দারের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হন অন্তত দু’দফা। এই সাঈদ এস্কান্দারই তাকে সেনাপ্রধান নিয়োগে ভূমিকা পালন করেছিলেন। জেনারেল রেজ্জাকুল হায়দারকে সেনাপ্রধান নিযুক্ত করা হয়েছিল। সাঈদ এস্কান্দারসহ আরো তিনজনের চাপে খালেদা জিয়া তার সিদ্ধান্ত বদল করেন। সাঈদ এস্কান্দার যাতে খালেদার অবর্তমানে বিএনপির নেতৃত্ব কব্জা করতে পারেন সে জন্য এক সন্ধ্যায় তাকে দলের ভাইস চেয়ারম্যান নিযুক্ত করা হয়। সিদ্ধান্ত ছিল খালেদা জিয়াকে নির্বাসনে পাঠানো হবে। এই সময় দল চলবে কীভাবে? তারেক রহমানও জেলখানায়। এই পটভূমিতে খালেদাকে অনেকটা বাধ্য করে এই সিদ্ধান্ত আদায় করা হয়। এখানেও গোয়েন্দা চাপ ছিল প্রবল। শেষ পর্যন্ত সৌদি আরব বেঁকে বসায় খালেদাকে নির্বাসনে যেতে হয়নি। ওদিকে শেখ হাসিনাকেও দেশে আসতে দিতে বাধ্য হন সেনাশাসকরা।
দৃশ্যপট পাল্টে যেতে শুরু করে। ২০০৭-এর সেপ্টেম্বরে রাষ্ট্রপতি ইয়াজউদ্দিনের কার্যকলাপ যখন শেষ হতে চলেছে তখন জেনারেল মইন আবার তৎপর হন। ইয়াজউদ্দিনকে আর এক্সটেনশন নয়। তাকে বিদায় জানিয়ে সর্বময় ক্ষমতার মালিক হবেন তিনি। তার পছন্দের দুই জেনারেলের সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হলেন। পরিকল্পনা ফাঁস হয়ে গেল যেকোনো কারণে। সংবাদ মাধ্যমেও খবর আসতে শুরু করলো। এই যখন অবস্থা তখন ঢাকাস্থ একজন পশ্চিমা কূটনীতিক (যিনি ডেপুটি চিফ অব মিশন ছিলেন) সরাসরি তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে জানান, রাষ্ট্রপতি হওয়ার চেষ্টা করবেন না। এটা আপনার কাজ নয়। নির্বাচনের পথেই যেতে হবে। গত জুলাই মাসে এই প্রভাবশালী কূটনীতিক দেশে ফিরে গেছেন অন্য এক অ্যাসাইনমেন্ট নিয়ে। যখন তিনি মইনের সঙ্গে বৈঠক করেন তখন তিনি ছিলেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রদূত। তার কথা শুনে মইন রীতিমতো হতবাক। কারণ তাকে ইউরোপীয় কয়েকজন কূটনীতিক আশ্বাস দিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতিকে সরিয়ে নয়, সাংবিধানিক প্রক্রিয়া অব্যাহত রেখে দায়িত্ব পেলে তাদের আপত্তি থাকবে না। একজন সংবিধান বিশেষজ্ঞ নাকি একটি ফর্মুলাও বের করেছিলেন। যে ফর্মুলায় সেনাশাসন জারি না করেও মইনের রাষ্ট্রপতি হতে আইনগত অসুবিধা ছিল না। কিন্তু সেই পশ্চিমা কূটনীতিক সব ওলটপালট করে দেন। মইন তখনও বসে নেই। তার পক্ষে একজন পদস্থ সেনা কর্মকর্তা কূটনীতিকদের সঙ্গে বৈঠক করে জানান, তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যর্থ হচ্ছে পদে পদে। যে কোনো সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যেতে পারে।
দুই নেত্রীর মধ্যে ফোনে যোগাযোগ স্থাপিত হয়েছে এই খবরও দেয়া হয় কূটনীতিকদের। বোঝানো হয় দুই নেত্রী এক হয়ে গেলে সর্বনাশ হয়ে যাবে। মানুষ রাস্তায় নেমে পড়বে। তখন সত্যিই সমস্যা হবে। জেনারেল মইনের সঙ্গে একজন কূটনীতিক সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি নিজেই বলেন, এভাবে আর পারা যাচ্ছে না। তোমাদের পরামর্শে সেদিন আমরা ক্ষমতা নিয়েছিলাম ভিন্ন কৌশলে। এখন সে কৌশল অর্থাৎ তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে সামনে রেখে ক্ষমতা ধরে রাখা সম্ভব নয়। বোধ করি এটাই ছিল মইনের শেষ ইচ্ছা। তার কথাবার্তা শুনে বিদেশি কূটনীতিকরা কম-বেশি চিন্তিত হয়ে পড়েন। এদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বিদেশি কূটনীতিকদের প্রত্যক্ষভাবে নাক গলানো নিয়ে সমাজে তখন বিরূপ আলোচনা চলছে প্রকাশ্যে। তারা বৈঠকে মিলিত হন কয়েক দফা। এরপর সিদ্ধান্ত হয় নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য তারা চাপ দেবেন তত্ত্বাবধায়ক প্রশাসনকে। এই সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতেই ইন্টান্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ ২০০৮ সালে ২৮ এপ্রিল ব্রাসেলস থেকে এক দীর্ঘ বিবৃতি ইস্যু করে। যাতে পরিষ্কার ভাষায় জানিয়ে দেয়া হয়, চালাকির সুযোগ নেই। নির্বাচন দিতে হবে যতো দ্রুত সম্ভব। বলা হয়, জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার করতে হবে নির্বাচনের অন্তত দুইমাস আগে। রাজনৈতিক দলগুলোর ওপর আরোপিত বিধিনিষেধ প্রত্যাহার করতে হবে। সংবাদ মাধ্যমকে নিয়ন্ত্রণ করা যাবে না। ২০০৮-এর ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন দিতে হবে। এ নিয়ে কোনো সময়ক্ষেপণ চলবে না। এমনকি সুনির্দিষ্ট তারিখের কথাও বলা হয়। রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপ শুরু করতে হবে। নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে কোনো বিধিনিষেধ আরোপ করা চলবে না। দুর্নীতির নামে নয়, সুনির্দিষ্ট কোনো মামলা ছাড়া কাউকে আটক করা যাবে না। মাইনাস টু থিওরি থেকে সরে আসতে হবে। হাসিনা-খালেদা ট্রায়াল হতে হবে উচ্চ আদালতে। সেখানে কোনোরূপ হস্তক্ষেপ চলবে না। হাইকোর্ট এবং আপিল বিভাগকে সঠিকভাবে কাজ করতে দিতে হবে। নির্বাচনে বিদেশি পর্যবেক্ষক আসতে উৎসাহিত করতে হবে। রাজনৈতিক দলগুলোর সংস্কারের জন্য আর চাপ দেয়া যাবে না। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় বিশেষ করে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, জার্মানি, ভারত, জাপান, যুক্তরাজ্য, জাতিসংঘ এবং যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ অন্তত দশটি বিষয়ে তাদের সহযোগিতা কামনা করে। এর মধ্যে রয়েছে তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে একটি বিশ্বাসযোগ্য নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য চাপ দিতে হবে। সংশিৱষ্ট দেশগুলোর পদস্থ কর্মকর্তারা যাতে বাংলাদেশ ভ্রমণ করেন সে কথাও বলা হয়। সব রাজনৈতিক দল যাতে নির্বাচনে অংশ নেয় সেটাও নিশ্চিত করতে হবে। নির্বাচনের আগে বা পরে সহিংসতা যাতে না হয় সেদিকেও বিশেষভাবে নজর দিতে হবে। নির্বাচনে প্রার্থীরা যাতে তদারকি প্রশাসন কিংবা সেনাদের হয়রানির শিকার না হয় সেদিকটার ওপরও গুরুত্ব দিতে হবে। ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ তাদের মূল্যায়নে জানায়, নির্বাচন দেরি হলে মিলিটারিরা যেভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘন করছে তাতে যে কোনো সময় সংঘাত শুরু হয়ে যেতে পারে। এতে দেশটার অস্তিত্বই হুমকির সম্মুখীন হতে পারে। এই লাল নোটিস পাওয়ার পর জেনারেল মইনের সব ইচ্ছাই ভণ্ডুল হয়ে যায়। অনেকটা অসহায় আত্মসমর্পণ করতে হয় রাজনীতিবিদদের কাছে। নির্বাচনে পথে যায় দেশ। ২৯ ডিসেম্বর নির্বাচন সম্পন্ন হয়। জেনারেল মইনদের ভাগ্য লেখা হয়ে যায়।
( http://bdleadnews.com/news.php?news=2009091412501)
আজব পেচাল একটু কম মারলে ভাল হয়
yousuf144 vai
Apni thkoi bolechen. Pagla Mujib er aai shob follower der 'shojjo aar dhorjo khomota' khuboi kom. Era eknon Abdul Jalil shaheb k boycott korche hate hari vanger jonno. Jalil shaheb to khub-i shamanno bolechen, aar tatai era "khemta nach nacha shuro koreche"!
Ta dhin...Ta dhin....Tere kete tak...Ta dhin....Ta dhin......
Apni to kolom-er kikhay eder valo hote bolchen. Ashole, abaro hate oshro neya dorkar - nutun ek judhho-er prostuti nin.
Era ekhon 'shongbidhan' poriborton korte chiche!!
JACKOB RAIHAN
আজব প্যাচালের জ্যাকব ভাইজান...।
এ যাবত কাল মৈত্রিট্রেন,আর্মি রিভোল্ট প্যাচাল, আওয়ামীদের বঙ্গপোসাগরে নিক্ষেপ সহ অনেক আজব প্যাচাল এই আসরে মেরে কিছুদিনে জন্য ঘাপটি মেরে থেকে আবার ঊদয় হয়েছেন এ আসরে সেই সব পুরোনো অচল আজব প্যাচালের পসার নিয়ে। ক্যানভাস করতে থাকুন,বিকবে বলে মনে হয় না।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।