বোন-ভাগ্নিকে নিয়ে নির্বাচনী প্রচারে শেখ হাসিনা

প্রথম আলো: আমি এবার নতুন ভোটার, ভোট দিব। আমার মতো যারা নতুন ভোটার, তাদের আহ্বান জানাচ্ছি নৌকা মার্কায় ভোট দিন, দেশকে সোনার বাংলা হিসেবে গড়ে তুলুন।- এভাবেই নতুন ভোটারদের আকৃষ্ট করে ভোট চাইছেন রূপন্তি। শেখ রেহানার বড় মেয়ে রূপন্তি মা ও খালা শেখ হাসিনার সঙ্গে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে বিভিন্ন জনসভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে এসব কথা বলছেন। তবে শেখ রেহানা প্রচারাভিযানে নামলেও কোনো বক্তব্য দেননি।

আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা গতকাল সকাল থেকে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের চারটি জেলায় নির্বাচনী প্রচার শুরু করেছেন। তিন দিনের সফরের প্রথম দিনে তিনি ঢাকায় একটি, মুন্সিগঞ্জে পাঁচটি জনসভায় ভাষণ ও বিভিন্ন পথসভা করেন। এ সময় তিনি ওই সব এলাকার দলীয় প্রার্থীদের ভোটারদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেন। গ্যাস বিক্রি নিয়ে নিজের মতামত প্রকাশ করে বলেন, আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার সময় গ্যাস দেওয়ার জন্য বিদেশের অনেক চাপ ছিল। কিন্তু আমরা মাথা নত করিনি। বাংলাদেশের গ্যাস এ দেশের সম্পদ, এ দেশেই থাকবে।

Hasina, Rehana and Priyontiবিএনপির চেয়ারপারসন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কঠোর সমালোচনা করলেও শেখ হাসিনা তত্ত্বাবধায়ক সরকারের বিরুদ্ধে তেমন কিছুই বলেননি। তবে গোপালগঞ্জের প্রার্থী কাজী জাফর উল্যাহর স্ত্রী নিলুফার জাফর উল্যাহর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়ার সময় তিনি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নাম উল্লেখ না করে বলেন, জাফর উল্যাহর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়ে নির্বাচন করতে দেওয়া হয়নি। একইভাবে আমাকে ও রেহানাকেও মিথ্যা মামলায় জড়ানো হয়েছে। তাঁর অপরাধ ছিল আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনতে রাজি হননি। ওই আসনে মহাজোটের শরিক দল জাকের পার্টির প্রার্থী পীরজাদা মোস্তফা আমীর ফয়সলের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "আমার সঙ্গে তাঁর কথা হয়েছিল। তার নির্বাচনে দাঁড়ানোর কথা ছিল না। কেন দাঁড়ালেন বুঝতে পারছি না।"

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী তাঁর নির্বাচনী প্রচারের শুরুতেই পদ্মা সেতু নির্মাণের অঙ্গীকার করলেন। তিনি সব বক্তৃতায় দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কথা বলেন এবং ক্ষমতায় গেলে মূল্য কমানোর প্রতিশ্রুতি দেন।

গতকাল সকালে শ্যামপুরে প্রথম জনসভায় সানজিদা খানমকে পরিচয় করিয়ে দিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, এ এলাকা যে রাজধানীর মধ্যের তা দেখে বোঝা যায় না। এখানে কোনো উন্নয়ন হয়নি।

মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগর স্টেডিয়ামে মুন্সিগঞ্জ-১ আসনের প্রার্থী সুকুমার রঞ্জন ঘোষের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, এ অঞ্চলের মানুষ পদ্মা সেতু নির্মাণের জন্য এতদিন ধরে দাবি জানিয়ে আসছে। তাঁর দল ক্ষমতায় গেলে পদ্মা সেতু নির্মাণ করে মংলা বন্দর পর্যন্ত যাতায়াত ব্যবস্থা সহজ করে দেবে। পাশাপাশি এ অঞ্চলের জনগণের আরও একটি দাবি ঘরে ঘরে গ্যাস সরবরাহের ব্যবস্থা করা হবে।
মাওয়া বালিগাঁও কলেজ মাঠে আয়োজিত জনসভায় মুন্সিগঞ্জ-২ আসনের প্রার্থী সেগুফতা ইয়াসমিন এমিলিকে পরিচয় করিয়ে দেন শেখ হাসিনা।

বিএনপির সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী বলেন, বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার বিদ্যুতের নামে ২০ হাজার কোটি টাকা চুরি করেছে। বিদ্যুতের বদলে এ দেশের মানুষ পেয়েছে খাম্বা। আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে ৬৫ টাকার সয়াবিন তেল ২৮ টাকা রেখেছিলাম। মানুষকে ১০ টাকায় চাল খাইয়েছি।

শেখ হাসিনা বলেন, আমরা নির্বাচিত হলে স্নাতক পর্যন্ত শিক্ষা অবৈতনিক করে দেব। আরও নতুন নতুন স্কুল-কলেজ প্রতিষ্ঠা করে ভর্তি সমস্যার সমাধান করব।

বিএনপি-জামায়াত জোট সরকার ক্ষমতায় গিয়ে ২০০১ সালের পর তেল, চাল, ডালসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বাড়িয়ে জনগণের পকেট খালি করেছে।

খোলাবাজারে সার সরবরাহ করা হবে। কৃষিখাতে ভর্তুকি, বিদ্যুৎ সমস্যার সমাধান, কৃষি ঋণ ও নদীভাঙন রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আওয়ামী লীগের সভানেত্রীর সফরকে ঘিরে উৎসবমুখর ছিল পুরো এলাকা। তাঁর যাত্রাপথে দুই ধারে দাঁড়িয়ে ছিল হাজার হাজার মানুষ। মানুষের ভিড়ে আওয়ামী লীগ নেত্রীর গাড়িবহরকে এগোতে বেশ বেগ পেতে হয়। রাতে তিনি টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর কবর জিয়ারত করে দিনের কাজ শেষ করেন। আজ তিনি কোটালিপাড়া মাঠে জনসভায় ভাষণ দেবেন।

Comments

farmer's picture

Intelligent salimC, having hard time to understand you; confusin

Intelligent salimC, I'm having hard time to understand what you trying to point out. You are doing the jobs, meant for slaves of Khaleda family. 15 crores people saying Khaleda, Tareq, Koko are thieves; you saying they are from a respectable family, who cares where they are from, they are our national thieves.

farmer's picture

Intelligent bla, bla salimC, you promoting pig shits Nizami, KZ

You are posting pig shit stories and promoting Rajaker Nizami and thieves KZ with 2 thieves sons. This election is about putting the thives into graveyard and destruction of rajakers; but you are trying to confuse readers, although it is hard to understand what you really want to say(means you are very much confused).

SalimC's picture

You fool Farmer

You don't know anything why you trying to post bla,bla?your bla,bla is what type of post You fool Farmer?
If you are brave & expericece man post with your logic.If that will be a real thing we will accept.Why you doing like a fool bla!bla!

farmer's picture

bla,bla salimC, finding more pig shits? eat it, do not post!

bla,bla salimC, always discovering pig shits? Eat it, do'nt post!

SalimC's picture

যে বিষবৃক্ষ একদিন রোপন করেছিলেন শেখ হাসিনা

যে বিষবৃক্ষ একদিন রোপন করেছিলেন শেখ হাসিনা
শরীফ হোসাইন মৌন
কথায় বলে যার আমেরিকার মতো বন্ধু আছে তার আর শত্রুর দরকার হয়না। কথাটি যে কেবল কথার কথা নয় বরং সত্য তার জ্বলন্ত উদাহরন বর্তমান ইরাক ও পাকিস্তান। আর এ কথা যে সত্য সে ব্যপারে কারো কোন দ্বি-মত নেই যে, হরিনের মাংসই হরিনের শত্রু। আমাদের রাজনৈতিক পরিমন্ডলেও একটি কথা বহুল প্রচলিত যে শেখ হাসিনার মুখের ভাষাই স্বয়ং তার ও আওয়ামী লীগের শত্রু। আওয়ামী নেতৃস্থানীয়রা প্রকাশ্যে কথাটিকে যতই এড়িয়ে যাকনা কেন কিংবা অস্বীকার করুক না কেন, ব্যাপারটা নিয়ে যে তারা সচেতন তার প্রমান বিদেশ থেকে আসার পর শেখ হাসিনার মিডিয়া এড়িয়ে চলা। রাজনীতির মাঠে এমনও গুজব রয়েছে যে, দলের পক্ষ থেকেই তাকে এ ব্যাপারে সতর্ক করা হয়েছে অন্তত নির্বাচন অনুষ্ঠান পর্যন্ত যাতে তিনি কথা কম বলেন। তবে এটা সত্য যে, বিদেশ থেকে আসার পর তিনি কথা খুবই কম বলছেন এবং তেমন কোন বিতর্কিত বক্তব্য দেননি প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করে। এটি নি:সন্দেহে ভালো লক্ষন। কিন্তু কিছু সময়ের জন্য জোর করে ভালো কাজ কি করা যায় যদি না তাতে ব্যাক্তিগত স্বত:স্ফূর্ততা থাকে?
সেনা কুঞ্জে দুই নেত্রীর কথপোকথন সম্পর্কে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শেখ হাসিনা বলেন তিনি কোন দূর্নীতি করেননি,তার ছেলেরা(তার কিন্তু একটা ছেলে)দূর্নীতি করেনি, তার বোন কোন দূর্নীতি করেননি। অন্যর (বিএপিকে বোঝাতে চেয়েছেন) দায় কেন তাকে নিতে হবে?
এইভাবে তিনি যে প্রতিপক্ষকে সামান্য সুযোগেই অভিযুক্ত করলেন তার কি আসলে কোন ভিত্তি আছে? আসলে এটা উনার স্বভাব জাত। তারপর বলা যায় ২৩ নভেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আওয়ামী শিক্ষক প্রতিনিধিদের সাথে তার সাক্ষাতের সময়কার বক্তব্যর কথা।
তিনি নির্বাচন পেছানোর সমালোচনা করে বলেন, এতে তাদের মনোনয়ন বঞ্চিতদের বিএনপি অর্থের লোভ দেখিয়ে বাগিয়ে নেবার সুযোগ পাবে। কারন ওদের অনেক টাকা পয়সা আছে। যাই হোক আমরা দেখতে পাচ্ছি বক্তৃতা দেবার সুযোগ পেলেই তিনি স্ব-মূর্তিতে আবির্ভূত হন। প্রতিহিংসায় জ্বলতে থাকেন। এটাতো একদিনে হয়নি । দীর্ঘদিন ধরে নিজের ভেতর প্রতিহিংসা ও পরনিন্দার যে অনুশীলন তিনি করেছেন এবং স্ব-গোত্রীয় মিডিয়ার যে বাহবা তিনি পেয়েছেন এটা সে ধারাবাহিকতারই অভিশাপ। তার কটূ কথাবার্তা কিংবা দলীয় সন্ত্রাসের পক্ষাবলম্বন নিয়ে সব কথা বলার সুযোগ এখানে নেই। তবে দু’চারটি কথা উল্লেখ না করলেই নয়। প্রধানমন্ত্রীর মত একটা গুরুত্ত্বপূর্ন পদে বসে যখন তিনি একটি লাশের বিনিময়ে দশটি লাশ ফেলার কথা বলেন, কিংবা শামীম ওসমান,তাহের মিয়ার মত গডফাদারদের পক্ষে বিবৃতি দেন কিংবা হরতালের বিপক্ষে সসস্ত্র সন্ত্রাসীদের শান্তি মিছিল বের করান;তখন নিজের অজান্তেই যে বিষবৃক্ষ তিনি রোপন করেন তা ফুলে ফলে আরেকবার প্রস্ফুটিত হয় লগি-বৈঠা হাতে স্বয়ং তারই আদেশে পল্টনে ২৮ শে অক্টোবরে। হাইকোর্টের রায়ের বিপক্ষে তিনি যখন লগি-বৈঠা হাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে রাজপথে নামিয়ে দেন তখন বোধ হয় বুঝতেই সক্ষম হননি পাপ একদিন বাপকেও ছাড়েনা।
তৃনমূল নেতাকর্মীদের বঞ্চিত করে, বিশেষ মহলের ঈঙ্গিতে তিনি প্রার্থী তালিকা চূড়ান্ত করেন চিকিৎসার নামে বিদেশে অবস্থান করার সময়। স্বভাবতই কর্মী সমর্থকরা তা মেনে নেয়নি। এখন কী দেখছি আমরা? কর্মী সমর্থক নেতাদের লগি-বৈঠা হাতে সুধা সদনের সামনে জড়ো হতে। কেন্দ্রীয় নেতাদের গাড়ি ভাংচুর করতে। হাই কমান্ডের নেতারা এখন সুধা সদনে ঢুকেন বের হন বিকল্প পথে অনেকটা লুকোচুরি করে! সুধা সদনের চারপাশ জুড়ে প্রতিদ্বন্দ্বী কর্মী সমর্থকদের মধ্যে সেই লগি-বৈঠার তান্ডব। এমনকি সামনে এসে তাদের বক্তব্য শোনার ঝুঁকিও শেখ হাসিনা নিতে পারছেন না। শেষ পর্যন্ত ভিডিও কনফারেন্স-এর মাধ্যমেও লগি-বৈঠা নামানো যায়নি তার কর্মী-বাহিনীর হাত থেকে। বলতে গেলে এখন তিনি নিজের লোকদের লগি-বৈঠার তান্ডবের ভেতরই আপনালয়ে গৃহবন্দি। তারই প্রিয় লগি-বৈঠা আজ তাকেই তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে।
নিজ দলীয় সন্ত্রাসীদের দমন না করে প্রশ্রয় দিয়ে,সন্ত্রাসের উপকরন হাতে তুলে দিয়ে যে বিষবৃক্ষের বীজ একদিন তিনি বোপন করেছিলেন তার বিষময় ফল আজ তাকে ভোগ করতেই হবে।
২৩/১১/০৮
শরীফ হোসাইন মৌন
e-mail: sharif5may2005@yahoo.com

farmer's picture

Rehana's presence cutting talkative's votes,people getting angry

Talkative turtle SH will never understand that Rehana's presence cutting AL votes, dumb idiot Hasina.

The One Eleven's picture

এই তো সময়

এই তো সময়।বোন ভাগ্নি সবাইকে নিয়ে তরি পার হওয়ার এই তো সময়।আর মাত্র কয়টা দিন।উনি স্বপ্নে এখন গদি আর বস্তা ভর্তি নারায়ন ছাড়া আর কিছু বুঝেন না যে।Image