দৈনিক জনকণ্ঠ সম্পাদক আতিক উল্লাহ খান মাসুদ জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। দীর্ঘ ২২ মাস ১২ দিন কারান্তরীন থাকার পর মঙ্গলবার সন্ধ্যায় তাকে মুক্তি দেয়া হয়। মুক্তি পেয়ে নিজের মামলাগুলোকে অবাস্তব ও ষড়যন্ত্রমূলক বলে উল্লেখ করেন তিনি বলেন, সময় বলে দেবে আমি নির্দোষ। যারা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে সৃষ্টিকর্তা তাদের বিচার করবেন।

কারা উপ-মহাপরিদর্শক মেজর জেনারেল সামসুল হায়দার সিদ্দিকী ফোকাস বাংলাকে জানিয়েছেন, বিকাল ৪ টার দিকে তার জামিননামা আমাদের হাতে এসে পৌঁছে। এরপর কারা অভ্যন্তরের যাবতীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষে সন্ধ্যা সোয়া ৬ টার দিকে প্রিজন সেলে তার পাশ থেকে কারারক্ষী প্রত্যাহার করে নেয়া হয়। আতিক উল্লাহ খান মাসুদকে ২০০৭ সালের ৭ মার্চ রাতে যৌথবাহিনী তার নিউ ইস্কাটনস্থ বাসভবন থেকে আটক করে। এরপর তার বিরুদ্ধে প্রায় ৩০ টি মামলা দায়ের করা হয় বলে তার আইনজীবী আলী আজগর স্বপন জানিয়েছেন। এর মধ্যে পৃথক ছয়টি মামলায় তার অর্থদণ্ডসহ ৪৮ বছরের কারাদণ্ড দেয় বিশেষ আদালত। এরপর সে অসুস্থ হয়ে পড়লে গত প্রায় ৬ মাস ধরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেডিকেল কলেজের প্রিজন সেলে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে তার আবেদনের প্রেক্ষিতে হাইকোর্টের ভিন্ন ভিন্ন বেঞ্চ তাকে জামিন দেয়। সর্বশেষ গত ১৩ জানুয়ারি তার আয়কর সংক্রান্ত্র পৃথক দুটি মামলা বাতিলের হাইকোর্টের রায় আপীল বিভাগও বহাল রাখে। এরপর গত কয়েকদিন ধরেই চলে তার মুক্তি গুঞ্জন। অবশেষে মঙ্গলবার তার মুক্তির মাধ্যমে গুঞ্জন বাস্তবে রূপ নেয়।
এদিকে জনকণ্ঠ সম্পাদককে সংবর্ধনা জানাতে মঙ্গলবার বিকাল থেকেই জনকণ্ঠ পরিবারের সদস্য ছাড়াও তার বন্ধু, শুভাকাঙ্খীরা হাসপাতাল গেটে ভীড় জমান। তার মুক্তি নিশ্চিত হওয়ার পরে তারা নিজেদের মধ্যে মিষ্টি বিতরন করেন। এবং হাসপাতাল গেটেই তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান।
এদিকে মুক্তি পেয়েই আতিক উল্লাহ খান মাসুদ যান রাজধানীর নিউ ইস্কাটনস্থ জনকন্ঠ ভবনে। সেখানে পুনরায় তাকে সংবর্ধনা জানানো হয়।

Comments
আতিকুল্লাহ মাসুদ
এই সম্পাদক মহোদয়কে কেনো গ্রেফতার করা হয়েছিলো বিষয়টি পরিষ্কার নয়।তিনি-ই সম্ভবতঃ একমাত্র পত্রিকা সম্পাদক যাকে গুরুতর অপরাধীদের মতোই Treat করা হয়েছিল।''আমাকে দেখতে দাও,আমাকে বলতে দাও,নির্ভীক সাংবাদিকতার পথিকৃৎ ''ইত্যাদি শ্লোগান দেয়া পত্রিকার সম্পাদককে এতো দীর্ঘকাল কারারুদ্ধ করে রাখা হলো কী অপরাধে,কেউ আলোকপাত করবেন কি?
হায়রে দেশ
হায়রে দেশ জামিনে মুক্ত সীকৃত অপরাধীকে ফুলের মালা দিয়ে বরন করা হয়॥ বালাদশের পাঠ্যবইয়ে ঢুকানো উচিৎ যে সমাজে সবচয়ে সম্মানিত ব্যক্তি হচ্ছে চোর ডাকাতেরা আর নিকৃষ্ট ও বোকা মানুষ হলো সৎ মানুষ।বালাদশের প্রেক্ষাপটে এটাই যেহেতু সত্য তবে কেন শিশুদের মিথ্যা শেখানো।