No security crisis after pullout, accord in phases: Sajeda

Deputy Leader of the House Syeda Sajeda Chowdhury today reaffirmed the government determination to implement the CHT Peace Accord in phases, allaying security concerns following the withdrawal of temporary army camps from the hilly districts.

Syeda Sajeda Chowdhury, who is also the chairperson of the National Committee for Implementation of the CHT Peace Accord, also termed the recent blockade programme as 'stray incidents' saying, "These will not effect the implementation of the peace accord". While talking to the reporters after attending a programme at the National Museum in the capital this morning, she also said there will not be any security crisis as only the temporary security camps have been withdrawn from the hill tracts.

The government has discussed the accord's implementation with CHT Regional Council Chairman and PCJSS Chief Santu Larma and further discussions will resume after the Ramadan, Sajeda added. She also ruled out any security threat to Bangladesh over the recent force mobilization by Myanmar along its border terming it the neighbor's internal affairs. She, however, said Bangladesh beefed up its security measures to remain alert since Myanmar mobilised forces on the other side of the border.

Earlier on August 19, the committee on implementation of CHT Peace Accord, signed 12 years ago, held its first meeting in Rangamati with Sajeda Chowdhury in chair. Awami League, after forming the government in January this year, restarted implementation work on the accord to bring normalcy in the region. In May, Syeda Sajeda Chowdhury was made chairperson of the national committee for implementation of the treaty.

Comments

SalimC's picture

‘শান্তিচুক্তির বেড়াজালে খন্ডিত বাংলাদেশ!!!

সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহারের পর বন্ধ হয়ে গেছে আযানের ধ্বনি|
-পার্বত্য অঞ্চলে বাঙ্গালীদের ওপর অত্যাচার বাড়ছে, অপহরণ ও চাঁদাবাজি চলছে|
- সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহারের সাথে সাথে পার্বত্য চট্টগ্রামে আযানের ধ্বনি বন্ধ হয়ে গেছে।মুসলিম ও অমুসলিম বাঙ্গালীদের উপর অত্যাচার-নির্যাতন বেড়ে গেছে।প্রতিদিনই অপহরণ এবং চাঁদাবাজির ঘটনা ঘটছে।সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহারের সাথে সাথে আযানের ধ্বনি বন্ধ হয়ে গেছে।বাঙ্গালীরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে।এমনকি সেখানকার পুলিশরাও আতংকে আছে।কারণ উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা অত্যাধুনিক অস্ত্র ব্যবহার করছে। গত দু'দিনে ৫ জন বাঙ্গালীকে অপহরণ করা হয়েছে।
- পাহাড়ী ও এনজিও মিলে অত্যাচার শুরু করেছে।৫০টির মত এনজিও আছে যেখানে মুসলমানদের কোনো পাত্তা নেই।বিদেশী টাকায় পরিচালিত এসব এনজিও পাহাড়ীদের খৃস্টধর্মে রূপান্তরিত করছে, পাশাপাশি তাদের নানাভাবে বাঙ্গালী মুসলমানদের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তুলছে।পার্বত্য অঞ্চলে মুসলমানদের উপজাতীয় সন্ত্রাসীরা প্রতিনিয়ত হুমকি দিচ্ছে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম সমঅধিকার আন্দোলনের নেতা মনিরুজ্জামান গতকাল শনিবার জানান, পার্বত্য অঞ্চলে সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহার করার সাথে সাথে সেখানে আযানের ধ্বনি বন্ধ হয়ে গেছে। সেনা ক্যাম্পগুলোর পাশেই মসজিদ ছিল। সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহার করার সাথে সাথে মসজিদও ভেঙে ফেলা হয়েছে।মসজিদ ও মুসলমানদের কবর দখল করে নিয়ে সেখানে পশু পালনের স্থান করা হয়েছে পানছড়ির ছনটিলায় কবর দখলে নিয়ে সমান করে দেয়া হয়েছে।এছাড়া সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহার করার পর সেনা ক্যাম্প, মসজিদের জায়গা ও কবর স্থানে ‘শান্তি কুটির' অরুন কুটির নামে সাইন বোর্ড ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে ‘‘টুপি ও জুতা পরে প্রবেশ নিষেধ’’ সম্বলিত সাইন বোর্ড।
পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ী-বাঙ্গালী সংহতি পরিষদের নেতা আবদুর রহমান মানিক জানান, পাহাড়ী ও এনজিওগুলো মিলে বাঙ্গালীদের উপর অত্যাচার বাড়িয়ে দিয়েছে। ওয়ার্ল্ড ভিশন, সিসিডিভি ও কারিতাসসহ কয়েকটি এনজিও মুসলমান বাঙ্গালীদের উপর অত্যাচার শুরু করেছে। বান্দরবানের স্থানীয় সাংবাদিক মোজাম্মেল হক জানান, সীমান্ত অরক্ষিত থাকায় ভারতীয় সন্ত্রাসীরা এদেশে প্রবেশ করছে। আসছে অত্যাধুনিক অস্ত্র। বাঙ্গালীদের অপহরণ করা হচ্ছে।সেই সাথে বাঙ্গালীদের পাহাড় ছাড়ার হুমকি দেয়া হচ্ছে।বাঙ্গালীরা নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিন কাটাচ্ছে।
পার্বত্য চট্টগ্রাম সমঅধিকার আন্দোলনের পক্ষ থেকে গতকাল শনিবার এক প্রেসবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সেনা প্রত্যাহারের সাথে সাথে পার্বত্য অঞ্চলের বাঙ্গালীরা অস্থিরতা ও নিরাপত্তাহীনতায় আছেন।খাগড়াছড়ি সীমান্ত উপজেলা পানছড়িতে বিডিআর ও সেনাবাহিনীর ক্যাম্প গুটিয়ে ফেলার পর স্থানীয় বাঙ্গালীদের ওপর অত্যাচার চলছে।পানছড়িতে ৩ জন বাঙ্গালীকে সন্ত্রাসীরা হত্যা করেছে।পানছড়ির ছনটিলা সেনা ক্যাম্প প্রত্যাহারের পর মসজিদে আযানের ধ্বনি বন্ধ হয়ে গেছে।গত মঙ্গলবার পানছড়িতে মুক্তিযোদ্ধার পুত্রবধূ নাসিমা বেগমের (২২) লাশ উপজাতি গ্রাম অদুকছড়ির পাহাড় থেকে উদ্ধার করা হয়েছে।গতকাল শনিবার নাসিমার হত্যাকান্ডের প্রতিবাদে এক সভা হয়।সভায় খুনী পাহাড়ী সন্ত্রাসীদের বিচার, সন্তুলারমা, চাকমা চীফ ত্রিদিব রায়সহ জেএসএস, ইউপিডিএফ, গুন্ডুস ও সদক বাহিনীর আর্মস ক্যাডারদের গ্রেফতার করে বিচারের দাবি জানানো হয়।আরো বলা হয় যে পার্বত্য চট্টগ্রামে নিরীহ বাঙ্গালীদের ওপর শাসক দলের লোক, পাহাড়ীরা যৌথভাবে আক্রমণ চালাচ্ছে। ‘শান্তিচুক্তির বেড়াজালে খন্ডিত বাংলাদেশ, অরক্ষিত পার্বত্য চট্টগ্রাম' এই বিষয়টি ক্রমেই দৃশ্যমান হচ্ছে।