
Sutrapur police yesterday rescued nine members of a family from a workshop at Hrishikesh Das lane where they were held hostage after abduction allegedly by the hired men of a local property developer.
Tofazzal Hossain, officer-in-charge of Sutrapur police station, told the New Nation that a gang of criminals introducing themselves as police entered the 100-year old building belonging to one Shambhu Das at the 95 Hrishikesh Das Lane at around 3:30am on Saturday, abducted eight members of his family at gun point and thereafter confined them inside Janata Engineering Workshop for long eight hours.
The other members of Shambhu Das's family kept confined at the workshop are Kajal Das, Sajal Das, Swarna Das, Laxmi Das, Nitai Das, Mohabir Das, Sweety and Beauty. They were also beaten up by their captors, it was alleged. Police arrested four young men for their alleged involvement in kidnapping Shambhu Das and his family members. The arrestees are Babul, Akhter Hossain, Nizamuddin Hossain and Sohagh. Nitai told police that a local property developer has been pressing them for a long time to sell their old building to him, but they did not comply with his demand. He also said the kidnappers also forced them to sign a blank paper while they were kept confined to the workshop.
Police suspect that the abduction of Shambhu Das and eight other members of his family might be a sequel to the denial of the demand of the local property developer to sell the old building to him. The four detainees are stated to be activists of Awami league. Muhammad Ali, president of Dhaka Metropolitan Awami League's Ward 80 unit, said that the suspects might be local AL supporters. But he denied that they were linked with the abduction of Shambhu Das and his family members and keeping them hostage.

Comments
আ'লীগ সন্ত্রাসীরা এক হিন্দু পরিবারের বাড়ি দখল করে|
সূত্রাপুরে আ'লীগ সন্ত্রাসীরা এক হিন্দু পরিবারের ৯ জনকে অপহরণ করে
-বাড়ি দখলের ঘটনায় মারধর লুটপাট|
-সূত্রাপুরে আ'লীগ সন্ত্রাসীরা এক হিন্দু পরিবারের ৯ জনকে অপহরণ করেছে পরে উদ্ধার
গতকাল শনিবার ভোরে রাজধানীর সূত্রাপুর এলাকায় স্থানীয় আওয়ামী লীগের স্বশস্ত্র সন্ত্রাসীরা অস্ত্রের মুখে একটি বাড়িতে হানা দিয়ে একটি হিন্দু পরিবারের নয় সদস্যকে অপহরণ করে।দীর্ঘ আট ঘণ্টা চেষ্টার পর সূত্রাপুর থানা পুলিশ তাদের উদ্ধার করে|
- রাজধানীর সূত্রাপুরে আওয়ামী লীগের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা একটি বাড়ি দখলের জন্য এক হিন্দু পরিবারের ৯ সদস্যকে অপহরণ করেছে।খবর পেয়ে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ৮ ঘণ্টা পর তাদেরকে উদ্ধার করে।এ ঘটনায় আওয়ামী লীগের স্থানীয় চার নেতাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।সূত্রাপুর থানা পুলিশ এই ঘটনাটি নিয়ে দিনভর নাটকীয়তার আশ্রয় নেয়।গতরাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থানায় মামলা হয়নি।পুলিশ আওয়ামী লীগ নেতাদের পক্ষে সমঝোতার উদ্যোগ নিয়ে দৌড়ঝাঁপ দিচ্ছে।ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটায় সূত্রাপুরের ৯৫ ঋষিকেশ দাস লেনে।
সূত্রাপুর থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রসমূহ জানায়, গতকাল শনিবার একটি বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া এক হিন্দু পরিবারের নয় সদস্যকে উদ্ধার করা হয়েছে।বাড়ি দখলের উদ্দেশ্যেই এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে পুলিশ মনে করছে।এতে জড়িত সন্দেহে চারজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ঋষকেশ দাস লেনের ওই বাড়ি থেকে শুক্রবার ভোররাতে ওই পরিবারকে তুলে নিয়ে কাছের একটি দোকানে আটকে রাখা হয়।সকালে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের ডেমরা অঞ্চলের সহকারী কমিশনার মনিরুজ্জামান টুকু।তিনি বলেন, রাত সাড়ে ৩টার দিকে পুলিশ পরিচয় দিয়ে একদল সন্ত্রাসী ওই বাড়িতে ঢুকে অস্ত্রের মুখে বাড়ির নয়জনকে কাছের জনতা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস নামে একটি দোকানে আটক করে রাখে।খবর পেয়ে সকালে পুলিশ গিয়ে তাদের উদ্ধার করে।
৯৫ ঋষিকেশ দাস লেনের দোতলা ওই জরাজীর্ণ বাড়ির মালিক মহাবীর দাস, নিতাই দাস ও শম্ভু দাস।তারা সম্পর্কে চাচাত ভাই।রপ্তানী উন্নয়ন ব্যুরোর এমএলএসএস শম্ভু (৫০) বলেন, তাদের ধরে নিয়ে মারধর করা হয়।নিতাই দাস (৭০) জানান, তারা উত্তরাধিকার সূত্রে ওই বাড়ির মালিক।তিনি বলেন, তারা আমাদের মুখ বেঁধে প্রথমে বাড়িতে লুটপাট চালায়।আলমারি থেকে গহণাগুলো নেয়।পরে আমাদের ধরে নিয়ে জনতা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসে আটকে রাখে।
এ ঘটনার সঙ্গে একটি ডেভেলপার প্রতিষ্ঠানের জড়িত থাকার ইঙ্গিত করে নিতাই বলেন, ওই কোম্পানীটি বাড়ি বিক্রি করার জন্য আমাদের চাপ দিচ্ছিল।কিন্তু আমরা রাজি হইনি।বাড়ি বিক্রিতে আমাদের বাধ্য করতে তারা এ কাজ করতে পারে।নিতাই জানান, আটকে রাখার সময় একটি সাদা কাগজে স্বাক্ষর দিতে তাদের বাধ্য করা হয়।নিতাই ওই বাড়ির সামনেই একটি দোকান চালান।নিতাই ও শম্ভু দাস ছাড়া আর যাদের ধরে নিয়ে যাওয়া হয় তারা হলেন- মহাবীর দাস (৪৫), কাজল রানী দাস (৪২), লক্ষ্মীশ্রী দাস (৪০), বিউটি দাস (১৮), সজল দাস (১৪), সুইটি রানী দাস (১২) ও স্বর্ণা রানী দাস (৮)। বিউটি এবার এইচএসসি পরীক্ষা দিচ্ছেন। তবে এ ঘটনার জন্য গতকাল শনিবার ব্যবহারিক পরীক্ষা দিতে পারেননি তিনি।
বাড়ির ভাড়াটে কার্তিক চন্দ্র বলেন, রাতে হঠাৎ শোরগোল শুনে বেরিয়ে দেখি বাড়ির মালিকদের ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।সামনে এগিয়ে গেলে দুর্বৃত্তরা মেরে ফেলার হুমকি দেয়।তখন আমরা আবার ঘরে ঢুকে পড়ি।পরে বিভিন্ন স্থানে খবর দেই।
সূত্রাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ডাকাতির খবর পেয়ে পুলিশ ওই বাড়িতে যায়।পরে আশপাশে অনুসন্ধান চালিয়ে গতিবিধি সন্দেহজনক মনে হওয়ায় হোসাইন বাবুলসহ চারজনকে আটক করা হয়। তার দেয়া তথ্যে অপহৃত নয়জনকে সকাল ১১টার দিকে উদ্ধার করা হয়। বাবুল (৩২) জনতা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসের মালিক।তার সঙ্গে আর যাদের গ্রেফতার করা হয়েছে তারা হলেন- আখতার হোসেন (২৭), নিজামউদ্দিন সাগর (২৮) ও সোহাগ (২৮)।পুলিশ কর্মকর্তা তোফাজ্জল বলেন, বাড়ি দখলের জন্য পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছে, তা আমরা নিশ্চিত। তবে এর সঙ্গে কারা জড়িত তা তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।তিনি জানান, একটি ডেভেলপার কোম্পানীর বিরুদ্ধে ওই এলাকায় একটি মন্দিরসহ বেশ কয়েকটি জমি বিক্রির জন্য চাপ দেয়ার অভিযোগ রয়েছে।বাবুলসহ গ্রেফতারকৃত চারজন আওয়ামী লীগ কর্মী বলে স্থানীয়রা জানায়।
ঢাকা মহানগরের ৮০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী তা স্বীকার করেছেন।তিনি সাংবাদিকদের বলেন, তারা আওয়ামী লীগের সমর্থক।তবে তাদের এ দুষ্কর্মের সঙ্গে দলের কোনও সংশ্লিষ্টতা নেই।
গতকাল সন্ধ্যায় সূত্রাপুর থানা পুলিশের সাথে যোগাযোগ করা হলে ডিউটি অফিসার এসআই কাদের উল ইসলাম জানান, বাড়ি দখল কিংবা অপহরণ এসব ঘটনায় থানায় এখন পর্যন্ত কোন মামলা হয়নি।তবে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।গ্রেফতারকৃতদের বিস্তারিত পরিচয় জানাতে তিনি অপারগতা প্রকাশ করে বলেন, তারা আওয়ামী লীগের কিনা আমার জানা নেই।
সংখ্যালঘুদের জন্য SUSHIL মিডিয়া 'প্রথম আলো-ষ্টার' ......
সংখ্যালঘুদের জন্য SUSHIL মিডিয়া 'প্রথম আলো-ষ্টার' গ্রুপ মায়া কান্না করলেও খবর প্রকাশের ক্ষেত্রে এ ঘটনার নেপথ্য নায়কদের রাজনৈতিক পরিচয় প্রকাশ করেনি। আর এটা যদি BNP-এর কোন ছায়াও যদি করতো তা হলে কি 'প্রথম আলো-ষ্টার' গ্রুপ ছেড়ে দিত?
“ If I could be useful to another human being, even for a day, that would be a great thing. It would be greater than all the big thoughts I could have at the university. ” ~ Dr. Muhammad Yunus
Dacati by AL's people in its Vote Bank
An example of AL Dacati in its vote bank among minority people in BD. Minorities in BD needs to wake up again. Read Ittefaq for aaitional information: http://www.ittefaq.com/content/2009/08/23/news0681.htm
ইত্তেফাক রিপোর্ট: পুরানো ঢাকার সুত্রাপুরে শুক্রবার গভীর রাতে জমি দখলের উদ্দেশ্যে ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে একই পরিবারের মহিলা-শিশুসহ নয়জনকে অপহরণ করে সন্ত্রাসীরা। অপহরণের ৮ ঘন্টা পর একটি গোডাউন থেকে অপহৃতদের উদ্ধার করে পুলিশ। অপহরণকারীরা বাড়ির দলিল, স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ২ লাখ টাকার মালামাল লুট করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আওয়ামী লীগের স্থানীয় ৪ কর্মীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রাত আড়াইটার দিকে ৯৫,ঋষিকেশ দাস রোডস্থ রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর অফিস সহকারী শম্ভুনাথের দোতলা বাড়িতে ২৫/৩০ জনের একটি সন্ত্রাসী দল গিয়ে কলিংবেল টিপলে পরিবারের এক সদস্য গেট খুলে দেন। সন্ত্রাসীরা ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে ভিতরে প্রবেশ করে। প্রত্যেকেই আগ্নেয়াস্ত্র ও ধারালো অস্ত্রে সজ্জিত ছিল। এ সময় পরিবারের সদস্যরা আতংকিত হয়ে পড়েন। পরিবারের নয় সদস্যকে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে অপহরণ করে নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা। বাসার পাশেই জনতা ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কস নামে একটি গোডাউনে অপহৃতদের আটকে রাখা হয়। সন্ত্রাসীরা তাদের মারধর করে। অপহৃতরা হচ্ছেন ওই বাড়ির মালিক শম্ভুনাথ (৫০), তার স্ত্রী কাজল রানী দাস (৪২), সজল দাস (১৪), মহাবীর দাস (৪৫), লক্ষ্মী রানী দাস (৪০), বিউটি রানী দাস (১৮), সুইটি রানী দাস (১২), বৃদ্ধ নিতাই চন্দ্র দাস (৭০) ও মর্মিতা দাস ওরফে স্বর্ণা (৮)। অপহরণের সময় সন্ত্রাসীরা আলমারি ভেঙ্গে বাড়ির দলিল, নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকারসহ প্রায় ২ লাখ টাকার মালামাল লুট করে।
ঘটনার সময় বাড়ির আশপাশের লোকজন ডাকাত মনে করে চিৎকার শুরু করলে সন্ত্রাসীরা পুলিশ পরিচয় দিয়ে সবাইকে চুপ থাকতে বলে। খবর পেয়ে গতকাল ভোর রাতে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে যায়। এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয় আওয়ামী লীগ কর্মী হোসাইন মোহাম্মদ বাবুল (৩২), সোহাগ (২৪), আক্তার হোসেন (২৭) ও নিজাম উদ্দিন সাগরকে (২৮) গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে আসে। তাদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করলে ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করে। তাদের তথ্যের ভিত্তিতে শনিবার বেলা সোয়া ১১টার দিকে গোডাউনের ভিতর থেকে অপহৃতদের উদ্ধার করে পুলিশ। তাদেরকে স্থানীয় একটি ক্লিনিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।
বাড়ির মালিক শম্ভুনাথ জানান, তাদের ছয় শতাংশ সম্পত্তির ওপর দৃষ্টি পড়ে আনন্দধারা হাউজিং লিমিটেড নামে একটি ডেভেলপার কোম্পানীর। ওই কোম্পানী বিভিন্ন সময় ঐ জায়গায় বহুতল ভবন নির্মাণের জন্য দালালদের মাধ্যমে বিক্রির প্রস্তাব দেয়। তাদের ওই প্রস্তাব ফিরিয়ে দিলে নানাভাবে হয়রানি করার চেষ্টা করে। পরে ডেভেলপার কোম্পানীর লোকজন স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের সাথে যোগাযোগ করে। তিনি আরো বলেন, অপহরণের সময় পরিবারের সবাইকে মারধর ও অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে সন্ত্রাসীরা। অস্ত্রের ভয়ে কোন কথা বলা সম্ভব হয়নি।
স্থানীয় বাসিন্দা শিল্পী রানী জানান, রাত তিনটার দিকে বাথরুমে যাওয়ার জন্য ঘরের দরজা খোলার চেষ্টা করলে দরজা বন্ধ পাওয়া যায়। এ সময় বাইরে থেকে বলা হয়, আমরা ডিবির লোক। কেউ ঘরের বাইরে যাওয়ার চেষ্টা করবেন না। সবার হাতে অস্ত্র ছিল। ডেভেলপার কোম্পানীর লোকজন এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে তিনি মনে করেন।
অপহৃত লক্ষ্মী রানী দাস বলেন, রাতের বেলায় মুখে কালো কাপড় বেঁধে সন্ত্রাসীরা বাসায় প্রবেশ করে সবার মুখে স্কচটেপ মেরে দেয়। এ সময় তাদের হাত-পা বেঁধে ফেলা হয়। গোডাউনের ভেতর আটকে রাখার পর একটি সাদা কাগজে সবার স্বাক্ষর নিয়ে নেয়। বাসায় থাকা জমির দলিল, নগদ টাকা স্বর্ণালংকারসহ দুই লাখ টাকার মালামাল নিয়ে গেছে সন্ত্রাসীরা। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর আওয়ামী লীগের লোকজনকে সঙ্গে নিয়ে ঐ ডেভেলপার কোম্পানী বাড়িটি দখলের পাঁয়তারা করে। তিনি আরো বলেন, তার এইচএসসি পড়ুয়া মেয়ে বিউটির শনিবার ব্যবহারিক পরীক্ষা ছিল। অপহরণের কারণে পরীক্ষা দিতে পারেনি সে।
বৃদ্ধ নিতাই চন্দ্র দাস জানান, এই ঘটনার সঙ্গে ডেভেলপার কোম্পানী ও স্থানীয় আওয়ামী লীগের কিছু লোক জড়িত। দীর্ঘদিন ধরে হাউজিং কোম্পানী বাড়িটি কেনার চেষ্টা করছিল। বাড়ির পাশে হিন্দুদের একটি উপাসনালয় রয়েছে। সেটিও দখল করার চেষ্টা করছে একটি মহল।
৮০ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোহাম্মদ আলী সাংবাদিকদের জানান, ঘটনার সঙ্গে স্থানীয় আওয়ামী লীগের কিছু নেতা-কর্মী জড়িত রয়েছে। তবে তাদের এ দুষ্কর্মের সঙ্গে দলের কোন সংশ্লিষ্টতা নেই বলে তিনি দাবি করেন। পুলিশের লালবাগ বিভাগের উপ-কমিশনার আনোয়ার হোসেন জানান, একটি ডেভেলপার কোম্পানী এই জায়গাটি দখল করার চেষ্টা করছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।
সূত্রাপুর থানার ওসি তোফাজ্জল হোসেন জানান, গ্রেফতারকৃতরা স্থানীয় আওয়ামী লীগের কর্মী। পলাতক সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করার চেষ্টা চলছে। বাড়ির মালিক বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেছেন।
ধন্যবাদান্তে,
পোগো