BDR, BSF agree on joint patrol along border to curb crimes

The three-day director general level talks between the border forces of Bangladesh and India ended here yesterday with broad agreement on curbing cross-border crimes and joint coordinated patrol by the BDR and BSF within their respective territories.

BSF chief Mahendra Lal Kumawat who was asked questions at a joint press conference on the killings of Bangladeshis, assured of stern action for violation of human rights through killings of civilians along the border. BDR chief Major General Mainul Islam described the talks as successful and said," We have reached agreement to carry forward our activities through mutual cooperation."

The director general of BSF handed over a list of 77 Indian nationals including the leaders of United Liberation Front of Asam (ULFA) Raj Khoya, Paresh Barua, Anup Chetia, Deb Borma and Jiban Singh and urged his Bangladesh counterpart to take steps to hand them over to India. Most of these people, according to India, are leaders of different insurgent groups in India.

At the same time, the Director General (DG) of BDR Major General Mainul Islam said that they had handed over a list of 1,227 Bangladeshi terrorists including JMB leaders Mohibul Muttakin and Anisul Mursalin to his Indian counterpart. General Mainul also handed over another list of 23 absconding BDR Jewans with photos requesting for their arrest and hand them over to Bangladesh if they are in India.

The BSF chief assured that if any absconding BDR man is arrested, they would be handed over to the Bangladesh authorities. In response to the Indian request to hand over the Indian nationals, the BDR DG said, "We will convey their request to the authority concerned."

On the killing of Bangladeshi citizen by BSF, the ML Kumawat claimed that the 85 per cent of killings took place at night, when public movement along the border is prohibited under section 144 and the Indian BSF have reasons to resort to firing causing "unfortunate" deaths.

The chief of BSF said that the members of BSF are trained on the importance of maintaining human rights. We will take punitive actions against the members of BSF through investigation if anybody is found to have violated human rights, he said and added. "You know, every force has some black sheep who sometime exceed the limit." Some 62 Bangladeshi citizens were killed by BSF from January to July 11 last, according to statistics by 'Adhikar'.

On the proposed joint coordinated patrolling, the BDR chief said that the 'joint patrolling' does not mean patrolling together. Members of BDR and BSF will patrol on their own territories at a specific time and place in a coordinated way to stop border terrorism.

The BSF chief said that they had given a plan to the BDR to ensure peace along the border with coordinated patrolling. The modalities of such patrolling have not been worked out yet.

General Mainul also said that many border pillars of Bangladesh were damaged and as a result, people in the frontier areas do not know on which land they are walking through. The BSF demanded that Dhaka take back 346 illegal migrants who are on hunger strike demanding repatriation to Bangladesh. Both the delegations signed a joint declaration after the talks.

-The Independent

Comments

vumihinzamidar's picture

dear Rahman Badsha

আপনী জ়িয়া নামের বানানটা ঠিক করেন । ইট ইজ ZIA নট ZEA . নামের উচ্চারন এবং বানানের
ব্যাপারে আমাদের সবারই যত্নবান হওয় উচিত ।

Nirvik2008's picture

Gen. (LPR) MUA and Lt. Gen (Late) Zea. Here is the ...

The difference between MUA and Zea is a moron and pinhead named Rahman_Badsha. Whoever does not understand the difference between MUA and Zea is nothing but insane. A moron does not even know how to spell Zia.

Rahman_Badsha's picture

Gen. (LPR) MUA and Lt. Gen (Late) Zea

What is difference between MUA and Zea?

আমজনতা's picture

দর কষাকষি

ভাই Salim C,

দয়া করে বলবেন কি...ভারতের সাথে দর কষাকষি করে জিয়া/খালেদা জিয়ার সরকার বাংলাদেশের জন্য কি কি সুবিধা আদায় করেছে?

Rahman_Badsha's picture

Gen. (LPR) MUA and Lt. Gen (Late) Zea

What is difference between MUA and Zea?

voter's picture

salimC

বয়স'ত আর কম হইলো না । cut and paste অভ্যাসটা বাদ দেন । যদি নিজের গিলু থেকে কিছু বের না হয় তাতে লজ্জার কিছু নাই । কিন্তু অন্যের লেখা নিজের নামে চালিয়ে দেওয়াটা খুবই লজ্জার বিষয় ।

salimC-pagla's picture

মামু, আমি ঐখানে তোমারে পাঠামু!

তুমি ঐখানে পাহারা দিবা।

SalimC's picture

আমাদের অরক্ষিত সীমান্ত

আমাদের অরক্ষিত সীমান্ত
সরকারপক্ষ দেশবাসীকে নানা কথার মারপ্যাঁচে সীমান্ত-সুরক্ষার কথা বললেও কার্যতঃ আমাদের স্থল সীমান্ত অরক্ষিত হয়ে পড়েছে।বিশেষ করে বিগত ২৫ ফেব্রুয়ারির বিডিআর বিদ্রোহ ও সেনাহত্যার নিষ্ঠুরতার পর বিডিআর ও সেনাবাহিনীর মনোবল এবং শৃঙ্ক্ষলা ভেংগে পড়ার পটভূমিতে গোটা সীমান্ত জুড়ে চলছে ভারতীয় বিএসএফ-বা বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্সের সন্ত্রাসী তৎপরতা ও গণহত্যা।এদিকে ঢাকার পিলখানা বিডিআর সদর দফতরে যখন বিডিআর-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ে বৈঠক চলছে, তখনই দিনাজপুর ও চুয়াডাঙ্গায় বিএসএফ-এর গুলীতে দু'জন নিরীহ বাংলাদেশী নিহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এ নিয়ে বিগত ৯ বছরে বিএসএফ-এর গুলীতে মোট ৭৭৯ জন বাংলাদেশীকে জীবন দিতে হয়েছে। এসব বাংলাদেশীদের বাংলাদেশ সীমান্তের অভ্যন্তরেই হত্যা করা হয়েছে। নিহত বাংলাদেশীরা অধিকাংশই কৃষিশ্রমিক বা জেলে।
সীমান্তে বিএসএফ-এর সন্ত্রাস ও গণহত্যার বিরুদ্ধে এতকাল বিডিআর পতাকা বৈঠক ও ডিজি পর্যায়ের বৈঠকসমূহে প্রতিবাদ জানানো হলেও ২৫ ফেব্রুয়ারির বিডিআর বিদ্রোহ ও সেনাহত্যার পর সরকারের অবস্থান ও সীমান্ত পলিসিও যেন বদলে গেছে। ভারতের ইচ্ছা, বাংলাদেশের একটি নামকাওয়াস্তে সীমান্ত থাকবে এবং বিডিআর-এর তৎপরতা থাকলেও তা দেশরক্ষায় আগের মতো সিরিয়াস ও মারমুখী হবে না। বরং বাংলাদেশের সীমান্ত পলিসি হবে ভারতের নিরাপত্তা পলিসিরই পরিপূরক। গত ফেব্রুয়ারি মাসে পিলখানার বিডিআর সদর দফতরে বিডিআর বিদ্রোহের নামে ৫৭ জন শীর্ষপর্যায়ের মেধাবী সেনা অফিসার হত্যার পর ভারতের পরামর্শ ও স্ট্র্যাটেজিতে বিডিআর-এর নাম পরিবর্তনসহ বিডিআর পুনর্গঠনের ভারতীয় প্রস্তাবে সরকারের ইতিবাচক সাড়াদান বাংলাদেশের সীমান্তের ফার্স্টলাইন অব ডিফেন্সকে ভারতের একটি অনুগত বাহিনীতে পরিণত করার সরকারি দুরভিসন্ধিই প্রতিফলিত হয়েছে। এরই পটভূমিতে বাংলাদেশ-ভারত গোটা সীমান্ত এলাকাই এক প্রকার অরক্ষিত হয়ে আছে। এই সুযোগে ভারতীয় বর্ডার সিকিউরিটি ফোর্স (বিএসএফ) বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকার অসামরিক নাগরিকদের ওপর বেপরোয়াভাবে গণহত্যার তান্ডব চালিয়ে যাচ্ছে। সরকারের আপোষকামী সীমান্ত নীতি এবং সামগ্রিকভাবে নতজানু পররাষ্ট্রনীতি বিএসএফ-এর নৃশংসতাকে দুর্দমনীয় করে তুলেছে।
উল্লেখ্য, বিগত ২৫ ফেব্রুয়ারির বিডিআর বিদ্রোহ ও অর্ধশতাধিক মেধাবী সেনা অফিসার হত্যার সাথে কয়েক বছর আগে রংপুর সীমান্তের পদুয়ায় বাংলাদেশের সিপাহী-জনতার প্রতিরোধে বিএসএফ হানাদারদের যে চরম শিক্ষা পেতে হয়েছিল, তার প্রতিশোধ নেয়ার মতো উৎফুল্ল হতে দেখা গেছে ভারতীয় পক্ষকে। বিডিআর-এর ওপর থেকে সামরিক বাহিনীর নেতৃত্ব, কমান্ড ও প্রশিক্ষণ, মোটিভেশন ইত্যাদি অপসৃত করার লক্ষ্যে বিডিআর জওয়ানদের প্ররোচিত ও বিভ্রান্ত করে সেনা অফিসারদের হত্যা করা হয়। যাতে বিএসএফ-এর সাথে দ্বি-পাক্ষিক বৈঠক ও সীমান্ত প্রতিরক্ষা তৎপরতায় বাংলাদেশ আর কখনও সামরিক দৃঢ়তা এবং সার্বভৌম মর্যাদা সমুন্নত করে দরকষাকষি করতে না পারে ভারত ও ভারতের এজেন্টরা সেটাই চেয়েছে। এজন্যই বিডিআর-এর সামরিকত্ব এবং সেনা-কর্তৃত্ব নিশ্চিহ্ন করে ভারতের বশংবদ-মন্ত্রমুগ্ধ একটি সীমান্ত চৌকিদারী বাহিনী বানানোর আত্মঘাতী তৎপরতা সরকারের নীতিনির্ধারকের মধ্যে দেখা যাচ্ছে।
এই পটভূমিতে ঢাকার পিলখানা বিডিআর সদর দফতরে বিডিআর-বিএসএফ ডিজি পর্যায়ে একটি বৈঠক হয়েছে। এর আগে বিডিআর সদর দফতরে সেনাহত্যার পর বর্তমান বিডিআর প্রধান নয়াদিল্লীতে আর একটি বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন। সেখান থেকে তিনি বিডিআর পুনর্গঠনে ভারতের প্রস্তাব বহন করে আনেন। বিডিআর ডিজি তখন বিএসএফ এবং বাংলাদেশের প্রতি ‘সৌহার্দ্যমূলক' আচরণেরও ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন। তাতে স্পষ্টতই প্রতীয়মান হয়েছিল যে, বিডিআর ডিজি পরিবর্তিত রাজনৈতিক অবস্থায় বাংলাদেশের দীর্ঘকালীন সীমান্ত প্রতিরক্ষা নীতি-অবস্থান থেকে সরে গিয়ে সরকারের রাজনৈতিক মুখপাত্রের ভূমিকা পালন করেছেন। এরপর সময় যতো গড়িয়েছে, সরকারের সীমান্ত পলিসি আরো দুর্বল ও ভারতের প্রতি নতজানু হয়েছে। বিডিআর বিদ্রোহ ও সেনা হত্যার পর চার-পাঁচ মাস সময় কেটে গেলেও বিডিআর পুনর্গঠন করে সীমান্ত প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে নেয়া সম্ভব হয়নি। ৫৭ জন মেধাবী ও সুদক্ষ সেনা অফিসারের রক্তস্নাত বিডিআর সদর দফতরে বিএসএফ-বিডিআর ডিজি পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। হয়তো শহীদ সেনা অফিসারদের বিদেহী আত্মা দেশরক্ষার নাজুকতায় ক্রন্দন করেছে বৈঠকের চারদিকে।
সীমান্ত বৈঠকও এখন অনেকটা গতানুগতিক ও আনুষ্ঠানিকতায় পর্যবসিত হয়েছে। কোন বৈঠক থেকেই বাংলাদেশ সদাচারের সুফল পায়নি। বিএসএফ-জওয়ানদের সীমান্ত সন্ত্রাস ও নিরন্তর গণহত্যা কখনও বন্ধ হয়নি। বিডিআর সদর দফতরে যখন বিএসএফ ডিজি সদলবলে সহাস্যে বৈঠক করছেন, তখনই দিনাজপুর ও চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে আরো দু'জন নিরস্ত্র বাংলাদেশী নাগরিককে বিএসএফ হত্যা করেছে বলে খবর পাওয়া গেছে। তার একদিন আগে সাতক্ষীরায় ইছামতি নদীতে মাছ ধরা অবস্থায় বিএসএফ দুই বাংলাদেশী জেলেকে হত্যা করেছে। ভারত সীমান্ত-সন্ত্রাস ও গণহত্যা চালিয়ে সীমান্তকে জনশূন্য করে তাদের আগ্রাসন প্রসারিত করতে চায়। সীমান্ত এলাকার জনগণ এতদিন বিডিআর-কে তাদের পাশে দুর্ভেদ্য-প্রাচীরের মতো পেলেও এখন বিডিআর-ই যেখানে অনিশ্চিত ভবিতব্যের মুখোমুখি, তখন সীমান্তপাড়ের মানুষ নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়েছেন। এবারে ভারতের কাঁটাতারের বেড়া আলোচনায় আসলেও বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত চুক্তিটিকে উভয়পক্ষই এড়িয়ে চলছে। ১৯৭৪ সালে মুজিব-ইন্দিরা সীমান্ত চুক্তিকে আলোচনার ভিত্তিভূমি ধরলে বাংলাদেশের দাবি ভারত কখনও নাকচ করতে পারতো না। যদিও ঐ চুক্তি অনুযায়ী ভারত আমাদের থেকে বেরুবাড়ি ছিনিয়ে নিয়েছে। কিন্তু যুগপৎভাবে আমাদেরকে হস্তান্তরে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ তিনবিঘা করিডোর আজও ভারত বাংলাদেশকে ফেরৎ দেয়নি। ভারত ১৯৭৪-এর মুজিব-ইন্দিরা চুক্তি আজ অবধি যদি পার্লামেন্টে তুলে র্যা টিফাই না করে থাকে, সেটা ভারতের নিজস্ব সমস্যা। বাংলাদেশকে তার ঐতিহাসিক ও ন্যায়সঙ্গত অবস্থানে দাঁড়িয়েই ভারতের সাথে দরকষাকষি করতে হবে। আওয়ামী লীগ সরকার যখন মরহুম শেখ মুজিবকে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে প্রতিষ্ঠার তোড়জোড় চালাচ্ছে, তখন ভারতের অবজ্ঞা-উপেক্ষা থেকে শেখ মুজিবকে তাদের মুক্ত করতে অনীহা কেন? প্রয়োজনে বাংলাদেশ হস্তান্তরিত বেরুবাড়ি ভারতের কাছে ফেরত চাইতে পারে। মুজিব-ইন্দিরা সীমান্ত চুক্তি নাকচ করে ভারত দুই ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্বকেও অবমাননা করেছে। এই অনাচারের অবসান হওয়া দরকার।
সীমান্ত প্রহরা ও সীমান্ত রক্ষার অতন্দ্র-দুর্দমনীয় বাহিনী না থাকলে সীমান্তও থাকে না। ভারত নো-বর্ডার পরিস্থিতি তৈরি করে উন্মুক্ত সীমান্ত বাণিজ্যে বাংলাদেশের বাজার দখলের নয়া পরিকল্পনা নিয়েছে। ফলে সীমান্ত পথে ভারতীয় পণ্যের চোরাচালান এখন বৈধতা পাবে। ইতোমধ্যেই ভারতের অনুকূলে বাংলাদেশের বিপক্ষে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২০ হাজার কোটি টাকা। অরক্ষিত সীমান্ত পথে অস্ত্র, বোমা, বিস্ফোরক, ফেনসিডিল-মাদক, এইডস, মাওবাদী জঙ্গি বাংলাদেশে ঢুকে আমাদের আর্থ-সামাজিক অবস্থা পাল্টে দিচ্ছে। এমনকি, সীমান্তে কঠোর নিরাপত্তা না থাকায় ভারত বাংলাদেশে এইডস্ রোগের বিস্তারের উৎস হয়ে উঠেছে বলেও বিশেষজ্ঞরা মনে করেন। হালে নকল ইসলামী জঙ্গিদেরও ভারত বাংলাদেশে ঠেলে দিচ্ছে। এই অবস্থায় বাংলাদেশকে সীমান্ত প্রতিরক্ষায় দুর্ভেদ্য ও অজেয় করে তোলা ছাড়া আর কোন বিকল্প নেই।