Razzaq, Amu, Tofail and Suranjit are out from Central Committee

Ruling Awami League today announced a complete central committee keeping senior leaders Abdur Razzaq, Amir Hossain Amu, Tofail Ahmed and Suranjit Sengupta outside.

The four leaders were sent to the advisory council from the presidium as Obaidul Kader, Sahara Khatun, Abdul Latif Siddiqui, Satish Chandra Roy, Rajuddin Ahmed Raju and Advocate Yusuf Hossain Humayun entered the presidium. Meanwhile, the positions of Sayeda Johra Tajuddin, Syeda Sajeda Chowdhury, Ataur Rahman Khan Kaiser, Dr Mohiuddin Khan Alamgir, Sheikh Fazlul Karim Selim, Matia Chowdhury and Kazi Jafrullah remained intact.

Dipu Moni and Mahbubul Alam Hanif have been made joint secretaries. The new organising secretaries are Jahangir Kabir Nanok, Ahmed Hossain, Mesbah Uddin Siraj, BM Mojammel Haque, AFM Bahauddin Nasim, Abu Syed Swapan and Khalid Mahmud Chowdhury.

Other office bearers are:

AHM Mostafa Kamal (Lotus)- finance & planning secretary. Syed Abul Hossen- international affairs secretary. Abdul Matin Khasru- law secretary. Abdur Razzaq- agriculture and cooperatives secretary. Faridunnahar Laily- relief & social welfare secretary. Abdul Manna Khan- office secretary. Sheikh Mohammad Abdullah- religion affairs secretary. Nuh-ul-Alam Lenin- publicity secretary. Hasan Mahmud- environment affairs secretary. Yafes Osman- science & technology secretary. Fajilatunnesa Indira- women affairs secretary.

ABM Tazul Islam- liberation war affairs secretary. Dewan Shafiul Arefin Tutul- youth & sports secretary. Nurul Islam Nahid- education secretary. Faruk Khan- commerce & industry secretary. Habibur Rahman Siraj- labour and manpower secretary. Asaduzzaman Noor- cultural affairs secretary. Bodiuzzaman Bhuiyan- health & population secretary. HN Ashiqur Rahman- treasurer. Mrinal Kanti Das- deputy office secretary. Asim Kumar Ukil- deputy publicity secretary. General Secretary Syed Ashraful Islam announced the committee at the prime minister's official residence Jamuna.

At the AL national council on July 24, party councillors elected Sheikh Hasina president and Syed Ashraful Islam general secretary for three years. The council that elected them also bestowed them with the authority to choose leaders for 45 posts in the ruling party's 73-member central working committee, the highest decision-making forum. The party constitution empowers the president to choose remaining 26 members of the working committee. The 45 posts include 13 members of the party Presidium--the highest policymaking body, 31 departmental secretaries including three joint general secretaries and seven organising secretaries, and a treasurer.

Comments

SalimC's picture

বাহ বাহ! কি চমতকার। Minus RATS!!

বাহ বাহ! কি চমতকার। Minus RATS!!
আমাদের ডিজিটাল আপার মইন আব্বা এবং ফখর বাবুচছি আমাদের ডিজিটাল আপাকে মাইনাস করেছিল এই RATSদের সহায়তায় কিনতু ভারতের ঠেলা খাইয়া মইন আব্বা এবং ফখর বাবুচছি গেছেন পালাইয়া,সেই সাথে RATSরা গেল মাইনাস হইয়া|এখন দিদিমণি আজীবন ভারতের সেবাদাসী,ভারতের এজেন্ডা পালন করেছেন ঈমানদারীর সহিত।
বিবেকহীন ও দালাল তারা বাদে সবাই জানে ১/১১ হলো কিছু বেইমান,মিরযাফরের দ্বারা ঘটিত ঐ ভারতেরীয় দালালদের এজেন্ডা বাস্তবায়নের ষড়যনত্র।দাদারা এইভাবেই আমাদের কাছ এক এক করে সব কিছুই নিয়ে যাচ্ছে কিন্ত আমাদেরকে কিছুই দিচ্ছে না। ইন্ডিয়া হতে পারতো আমাদের সব ভাল বন্ধু কিন্ত তাদের এই ধূর্ততার জন্যেই আমাদের শত্রুতে পরিনত হয়েছে। আর তার যোগ দিয়েছে আমাদের দেশের তথাকথিত সাধিনতার সপক্ষের শক্তি, যাদের সামনে বাংলাদেশকে কেউ গালি দিলে কিছুই মনে করে না কিন্ত ইন্ডিয়ার নাম মুখে নিলেই যেন তাদের গায়ে জালা শুরু হয়ে যায়। এরা হচ্ছে আওয়ামী মৌলবাদি। ইন্ডিয়া একটু একটু বাংলাদেশকে ধংসের মুখে ঠেলে দিচ্ছে অথচ এই মৌলবাদিরা ভারতের গুনগান গেয়েই চলেছে। দাদারা মাথায় হাত বুলিয়ে যে পাছায় বাঁশ ঢোকাচ্ছে তার পরেও এই দালাল বলবে যে “পাছায় বাঁশ দিলে কি? মাথায় তো হাত বুলিয়েছে”। এরাই হচ্ছে আওয়ামীলিগ।
Meaning of RATS:Razzak,Tofael,Amu & Surangit(Comment by Hasina).
- এই মাইনাস টু ফর্মুলাকে সহযোগী অংশীদার হিসেবে নির্বাচন কমিশনেরও বেশ কিছু কুকর্ম ইতিহাস হয়ে আছে। কথায় বলে, ‘ধর্মের কল বাতাসে নড়ে'। গোটা ইসি, জেনারেল মইন, ফখরুদ্দীন সরকারের সময় তাদের অশুভ ষড়যন্ত্র বাস্তবায়নের যন্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। তার প্রথম প্রমাণ বিএনপি'র চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কর্তৃক বহিষ্কৃত মহাসচিব মান্নান ভূঁইয়ার নেতৃত্বাধীন খন্ডিত বিএনপিকে মূল দল হিসেবে ইসির স্বীকৃতি দান।
-আস্তে আস্তে ভোট কারচুপির খবর বের হচ্ছে ...সেনা বাহিনীকে সেকুলার করার জন্য, ভোটের এই কারচুপি। এবং ঠান্ডা মাথায় ৭০ জন আর্মী অফিসারকে হত্যা, তারপর হত্যাকারীদের সাথে চা-নাস্তা খাওয়া ...এই হলো খুনী আওয়ামী লীগের ইতিহাস।
হাছিনা শকুনের ছোখ পডেছে বাংলাদেশের উপর পুরা বাংলাদেশকে খেয়ে ফেললেও হাসিনার ক্ষুদা মিটবেনা, নিজে খাইতেছে ,আবার ভারতকে দেওয়ার জন্যও বেদিশা হয়ে গেছে,তাইতো বলি-বাংলাদেশের মানুষকে পাগলে পায় নাই যে হাছিনাকে ভোট দিবে,মঈন জানোয়ার ২৫% ভোট চুরি করে হাছিনাকে সরকারে বসাইছে।
পযবেক্ষনশীল মানুষের চোখে বিগত অবৈধ সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত অবৈধ নির্বাচনটি ছিল পাতানো। আওয়ামী লীগের নির্বাচনী ইশতেহারের ভেতরে ও বাহিরে শব্দের বাহারি গোলক ধাধায় যে কটি বিষয়ে ইঙ্গিত ছিল সেগুলো হলোঃ ক)অবৈধ ফখরুদ্দিন সরকারের সকল অবৈধ কাজের বৈধতা দান খ)ভারতকে ট্রানজিটের নামে করিডোর প্রদান গ)চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর এশীয়দের জন্য উন্মুক্ত করার উছিলায় ভারতের জন্য উন্মুক্তকরন ঘ)মার্কিন খবরদারি জোরদারের জন্য সোফা চু্ক্তির ন্যায় টিফা চুক্তি বাস্তবায়ন ঙ)ইসলামপন্থীদের দমনের উদ্দেশ্যে এবং ভারত-মার্কিন সামরিক স্বার্থে সন্ত্রাসবিরোধী দক্ষিন এশীয় টাস্কফোর্স গঠন ও তথাকথিত যুদ্ধপরাধী বিচার।যদি বলা হয় মোটাদাগের এই পাচটি কাজ সংঘটনের জন্য শেখ হাসিনা সরকারকে ক্ষমতায় বসানো হয়েছে তাহলে বোধহয় সত্যর অপলাপ হবেনা। আর এসব কারনেই চারদলের নির্বাচনী শ্লোগান ছিল, “দেশ বাচাও,মানুষ বাচাও”|যে সরকার দুই বছর রাজনৈতিক নেতা,ব্যবসায়ীদের চরিত্র হরন, দুর্নীনিবাজ ইত্যাদি বলে ষ্টীম রোলার চালাচ্ছিলো তখন বাংলাদেশের মহান নেতা ঐ দুর্যোগপুর্ন দিনেও ১৮০ দিন কানের চিকিতসার নামে মিথ্যা কথা বলে আমেরিকার উন্নত পরিবেশে জলকেলি করছিলো|এটা নিশ্চিয় এমনি এমনি হয়,ভিতরে কত কি লেনদেন হয়েছিলো তারই হিস্যা নেওয়া পালা,আর এর নমুনায় হলো আওয়ামী লীগের অন্তর্কলহ|সুতরাং ১/১১,ফখরুদ্দিন,মইন ইউ আহমেদ,শেখ হাসিনার পররাষ্ট্র নীতির প্রতি তার কৃতজ্ঞতা ও আনুগত্যের শেষ কোনদিন হবেনা।
ভারত ও আমেরিকা সমর্থিত ফখরুদ্দিন সরকারও এইসব দেশবিরোধী চুক্তির উদ্যোগ নিয়েছিল তবে পরে তা স্থগিত রেখে তাদের উত্তরসুরী শেখ হাসিনা সরকারের জন্য রেখে যায়।পূর্ববর্তী সরকার কাজটা করে গেলে আওয়ামী সমর্থরাও কেউ কেউ চুক্তিটির বিরোধীতা করত।সম্ভবত তাদের সমর্থন আদায়ের জন্যই চুক্তিগুলো শেখ হাসিনার সরকারের মাধ্যমে ঘটতে যাচ্ছে।সরকার গঠনের পর পরই এইসব চুক্তির উদ্যেগ দেখে মনে হচ্ছে,আরেকটি সংসদ নির্বাচনের আগে আগেই পাবলিক আবার ট্রানজিট সংক্রান্ত তাদের শোকটি কাটিয়ে ওঠবে।তখন যুদ্ধপরাধ-টরাধ বিষয় নিয়ে আওয়ামী লীগের পক্ষে মাঠ গরম করা আবার সহজ হবে।পিলখানার হত্যাকান্ড,ভারতের অন্ধ পূজা করা,টিপাইমুখ বাধ নির্মাণ এখন জনগন আন্দোলন গড়তে শুরু করেছে।দেশ বাসি আরেকটু ধৈর্য ধরুন,থলের বিড়াল আস্তে আস্তে বের হওয়া শুরু করেছে।এখন বিড়াল বের হচ্ছে,পরে বাঘ বের হবে।পরে সিংহ, কুমীর, নেকড়ে ইত্যাদি বের হয়ে আসবে।আওয়ামী লীগের গলা বাজি আস্তে আস্তে বন্ধ হবে।মিসরে গিয়া মনমোহনকে হাসিনা এখন বলিতেছে ধীরে বনদু,ধীরে বনদু।যেভাবে টিপাইমুখ বাধ নির্মাণ এখন জনগন আন্দোলন গড়তে শুরু করেছে,আপনাদের দেওয়া ক্ষমতা হারিয়ে বসি,বাংলাদেশীরা আবার বুনো মোষ,দেশের জননো ওরা মরিতে ভয় পায়না|

বাংলাদেশের প্রধান গণতান্ত্রিক দল বলে দাবীদার আওয়ামিলীগের গণতন্ত্রের নমুনা সারা জাতি আবার দেখল।কাউন্সিলরদের সিদ্ধান্তে নয়, শুধুমাত্র ভারতের ইচছায় ও নেত্রীর সিদ্ধান্তেই আশরাফকে সাধারন সম্পাদক নিয়োগ করা হলো।ভারতীয় মালের এতই (বিবির) এতই গুণ,লাকী আশরাফ| বাংলাদেশের প্রধান গণতান্ত্রিক দল বলে দাবীদার আওয়ামিলীগের গণতন্ত্রের নমুনা সারা জাতি আবার দেখল। দিন বদলের শ্লোগান যে জাতির সাথে কত বড় পরিহাস ও প্রতারনা তাই প্রমাণিত হলো। শুধু তাই নয় নেত্রী বললেন ভোগ নয়, ত্যাগের মানসিকতা নিয়ে নেতা-কর্মীদের কাজ করতে হবে। কিন্ত্ত বাস্তবেতো এর কোন প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না। ছাত্রলীগের টেন্ডারবাজি, হল দখল, নেতাদের তদ্বির ও বদলি বাণিজ্য দিয়ে আর যাই হোক দিন বদল ও ভিশন ২১২১ কেন ২১৫০ বাস্তবায়ন সম্ভব হবে না। এসব অনাচার বন্ধ করা কি খুবই দুরুহ? এসব ব্যাপারেই নেতৃত্বের প্রশ্ন সামনে চলে আসে। আওয়ামী ভাইরা খামাকা এই পাপিষ্ঠদের পা চেটে কেনো পাপের ভাগিদার হচ্ছেন।

shomudro's picture

১/১১

আপনার আর আমার অবস্হা দেখি এক হয়ে গেল ! আমিও ব্যস্ত বাড়ী বদলের মত বিরক্তিকর ঝামেলায়।

The One Eleven's picture

জালি বেত কেন?(ইউসুফকে)

কারন জালি বেতই তুমি এবং তোমার গ্যাংদের জন্য একমাত্র ঔষধ।জালি বেতের পিটায় পাছার রক্ত ঝরলেই যদি তোমাদের মত জাতীয়তাবাদের সৈনিকেরা কিছুটা ঠান্ডা হয়!(Kidding,no offense)

The One Eleven's picture

Robin

Even lots of energy bars do not work in loading and unloading phases of house changing.I just start moving today and it will take up to 48 hours to complete the irritating job.You are right,only overcrowding destroyed Bangladesh.It makes people crazy to make money and they have one theory "chacha apnar jan bacha".The board is charmless without you,WD,Somudra etc.What happened?May be all are enjoying summer vacation in a sea beach or in smoky mountains.Thank you a lot.

bd08's picture

মহান মঈন সাহেবের contribution বাদ দিলে ...কি দাড়াই

004 ঠাকুরগাঁও-২

  • মহান মঈন সাহেবের contribution সহ হিসাব,

সর্বমোট 218338
আওয়ামী লীগ 102833(50.16%)
বিএনপি 98456 (48.03%)
প্রদত্ত ভোট 205007 (93.89%)

এখন আমরা যদি ধরি এখানে আসলে ৮৫% ভোট পড়েছে এবং মহান মঈন সাহেব ৯৩,৮৯-৮৫ =৮,৮৯% ভোট আওয়ামী লীগের পক্ষে contribution করেছেন।

  • মহান মঈন সাহেবের contribution বাদ দিলে কি দাঁড়াবে,

সর্বমোট 218338
প্রদত্ত ভোট 185587(৮৫% of 218338)
বিএনপি 98456 (৫৩.০৫% )
আওয়ামী লীগ (১৮৫৫৮৭ - ৯৮৪৫৬)= ৮৭১৩১ (৪৬.৯৫% )

এভাবে প্রতিটি আসন থেকে মঈনের দেওয়া ১২%-১৫% ভোট বাদ দিলে ভোটের আসল চিত্র পাওয়া যাবে। মহান মঈন সাহেব আওয়ামী লীগের পক্ষে contribution করেছেন বলে হিংসুটে হাসিনা তার বিচার চান না ...কাজেই ভারত পন্থী আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদীদের সংখ্যা কোন কালেই বিএনপি থেকে বেশী ছিলো না...এই জন্য মুজিব থেকে শুরু করে হাসিনা কেউই গনভোটে যেতে চায় না ...(এমন কি ৭০ সালের নির্বাচনেও ৫০% বাংগালী ভোট দিয়েছিলো কিনা সন্দেহ আছে,+ তৎকালীন আওয়ামী ফাসিস্টরা ভোট কেন্দ্রেও দখল করে ভোট ঢুকিয়েছে বলেই আমি সন্দিহান, এরা মুনাফেক, এদের বিশ্বাস করা যায় ...যা বলে মিথ্যা বলে ...)
...বাকশাল করেছে গনভোট ছাড়াই,
...৭২ এর সংবিধান গনভোট ছাড়াই,
...ফারাক্কা চুক্তি গনভোট ছাড়াই,
...বেরুবারী চুক্তি গনভোট ছাড়াই,
...৩০ বছর পানির গোলামী চুক্তি গনভোট ছাড়াই,
...৯৭ সালের পার্বত্য শান্তি চুক্তি গনভোট ছাড়াই,
...আরো সামনে আসিতেছে
...টিপাইমুখে বাধের আওয়ামী সম্মতি, কিংবা এশিয়ান হাইওয়ের নামে ভারতকে করিডোর ইত্যাদি ভারত সংশ্লিষ্ট জাতীয় স্বার্থে আওয়ামী লীগ আজীবন বাংলাদেশের লোকের উপর তাদের ভারতপন্থী সিদ্ধান্ত জোর করে চাপিয়ে দিতে চায় ...এরা ফ্যাসিষ্ট , এদের দেশ থেকে বের করে দিন ...একটা তো ২যুগ বিদেশী পালিয়েছে, আর আগা চাচা তো সুখের টানে লন্ডনে পালিয়ে দেশপ্রেমের ভারতীয় প্রসাদ প্রতিনিয়ত মন্দিরে নিবেদন করছে ...
সকল বাংলাদেশী এক হও,
আওয়ামী ফ্যাসিস্টদের তাড়িয়ে দাও

কাজেই বিদেশে বেটা মঈন যেখানে যাবে সেখানেই এই বেটার বিরুদ্ধে সোচ্চার হবেন।

ফ্যাসিস্ট এবং ভীরু আওয়ামী লীগ মইনকে রক্ষা করতে পারবে না। বেটা মঈন পালিয়ে পালিয়েই থাকবে, তাকে বিদেশের মাটিতেই ধরতে হবে।

নবম সংসদ নির্বাচনের সময় সরকারি প্রেসের বাইরেও ব্যালট পেপার ছাপানো হয়েছে...মঈনের নির্দেশে।

  • Save Bangladesh: No more farakka

Robin Hood's picture

B.A.L BNP and 2008 votes

Bangladesh Awami League 33,887,451 votes (49%)
Bangladesh Nationalist Party & alliance 26,245,378 (37.9%)

Source: Electoral Commission of Bangladesh

Got that Nirvik2008?

Robin
Carmel, California

Nirvik2008's picture

Hello OE

bd08 wants to kick out B.A.L (48% of BD population) from Bangladesh. I have another suggestion for him. Kick out the BNP (46% of BD population)

This statistics has been prepared by world's best statistician. Whoever came with the number (48% of population is BAL) deserve nobel prize on statistics. You can have this type of statistics only California.

Robin Hood's picture

Hello OE

Hope you have overcome the first phase of house changing. The second phase of unpacking and decorating is waiting! You will need a lot of energy bars.

bd08 wants to kick out B.A.L (48% of BD population) from Bangladesh. I have another suggestion for him. Kick out the BNP (46% of BD population) from Bangladesh. Current Bangladesh infrastructure is just about right to support the remaining 6% (10 million). The Chittagong Hill Tracts tribal people will live happily like before Bangladesh was created.

Bangladesh has too many people, just too many. Nothing will work in a land of 56,000 square miles that supports about 160 million people.

Robin
Carmel, California

The One Eleven's picture

ভাই ভোটার

আমার অনেক ব্যাস্ততা এবং বাড়ী পরিবর্তনের মত বিরক্তিকর কাজের মাঝে আপনার কথা আমাকে অনেক অনেক আনন্দ দিয়েছে।আসলে বিডি গ্রুপ আর তাদের নেতা ইউসুফের শরম লজ্জার বালাই নেই বলেই পালাক্রমে নষ্ট এবং চরিত্রহীনদের গুনগানে কাটে সারা বেলা,বিনিময়ে রুটি রুজগার করে বউ বাচ্চা নিয়ে কোনরকমে দিন কেটে যাচ্ছে। ধন্যবাদ আপনাকে।

ভাই লগি বৈঠা চেড়ে জালি বেত কেন

কান ভাই লগি বৈঠা জনগন আর খাচ্ছে না? আপনি ডিজিটাল যুগের জালি বেতে উপড্যাট হতে চাচ্ছেন নাকি? মার ধর ছাড়া আওয়ামীদের কাছ থেকে তেমন কিছুই কেঊ আসা করে না। আওয়ামীর বাচ্চা আওয়ামী।