
Reluctance to comply with the army and pent-up frustration over unfulfilled demands led to the mutiny at Bangladesh Rifles headquarters in Pilkhana on February 25.
The government committee, headed by former bureaucrat Anisuzzaman Khan, said this in its report which was submitted to Home Minister Sahara Khatun on Thursday.
"There was anger among the border guards over the lifestyle of their seniors from the army," Khan told reporters unveiling the findings of the report at the secretariat today. "There was a perception that they lived in luxury while the BDR soldiers had poor pay. It all burst out on that day," he added.
He said soldiers had been complaining for years against the way they were treated but their gripes had been ignored. This, he said, sparked the "well-planned" mutiny. "They complained about their salary structure and not being able to get promotions the way their army counterparts can, and jobs as UN peacekeepers abroad," he said.

Seventy-four people, including 57 senior army officers, were killed in the 33-hour siege. After handing over the 309-page report on Thursday, Khan said, "We've based the report on truth and reality. There is nothing based on speculation."
The government formed the inquiry committee on Feb 26 headed by the home minister, but later reformed the committee with the retired civil servant amid protests from a quarter.
The committee is comprised of 11 former and serving bureaucrats and high-ranking officers from the army, navy and air force. The committee, reconstituted on March 2, began its work the following day. Its last deadline for submission of the report expired on May 11. Earlier, the time was extended for four times.
The first deadline for its report, March 9, was extended by seven working days. On Mar 23, the committee got another four days. Finally on Mar 30, the committee was given 30 more workdays to submit the report for a proper investigation into the bloodbath at the border guards' headquarters.
- The Daily Star

Comments
সনুদ্র ভাইজানের স্বপ্নবিলাস
সমুদ্র ভাইজান
সিটিজির আসমাপ্ত উদ্দেশ্যগুলো কি কি একটু বর্ননা করেন ত? সিটিজির উপর আশাবাদ প্রাথমিকভাবে যাদের ছিল আমিও তাদের একজন। যাহোক, দুবছর পার করে, যদি সামগ্রিকভাবে সিটিজির কোর প্রন্সিপাল কি ছিল তার তাত্বিক বিশ্লেষন করেন, তাহলে দেখবেন, এরা নিজেরাই জানতনা কতদুর তারা যেতে চায়। তাই, জনগনের আকাঙ্ক্ষাগুলোকে এক ঝলিক উতসাহিত করে, বেশ কিছু আতি উতসাহি কেরিকেচার দেখিয়ে লেজেগোবরে একাকার হয়ে যান। তবে ভাল কাজ হচ্ছেঃ
১।নির্বাচনের কিছু যুগান্তরকারি কাজের জন্য তারা ধন্যবাদ পাবেন, যেমন দেশের ইতিহাসে সবচাইতে গ্রহনযোগ্য একটা ভোটার লিস্ট। (নির্বাচনে আঃলীগের বিজয়ে আপনার সিটিজির কি কোন ভুমিকা/উদ্দেশ্য ছিল? আমার নমে হয় না, আপনার কি অভিমত?)
২।দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদদের প্রতি মেসেজ দেয়া যে দ্যে আর নট আন্টাচেবলস।
৩।এবং নিজেরা শিক্ষা নেয়া যে, নির্বাচিত সরকারের বিকল্প আর আইনের শাসনকে পাস কাটিয়ে দিয়ে, বেশিদিন দেশ শাসন বাংলাদেশের জনগন খুব ভাল চোখে দেখেনা। কারন, খুব সহজেই রাজনীতিবিদ দের জায়গায় অনির্বাচিত ব্যক্তিরা একই খেলায় নেমে পড়ে (এ ক্ষেত্রে হয়েছিল সামরিক বাহিনীর সদস্যরা)।
আপনার "অসমাপ্ত উদ্দেশ্য" এবং ধুয়াটে বর্তমান অবস্থান নিয়ে আমার আপনার সম্পর্কে সঠিক ধারনা করতে আসুবিধা হয়, এটা আমার সীমাবদ্ধতা।
শঙখচিল ভাইজান
আর যাই হোক আপনি আমার আসল উদ্দেশ্য বুঝতে পেরেছেন বলে ধন্যবাদ। সিটিজির অসমাপ্ত উদ্দেশ্য পূরন হওয়াঅবধি এইরুপ লেখা চলবেই। আর ভাল কথা নিজামি, মুজাহিদকে আর কতকাল ব্যবহার করবেন? এদের দোহাই দিয়ে বহাল তবিয়তে ৭১ সালে ইন্ডিয়ায় নামকরা হোটেলে বসে মৌজ শেষে ডিসেম্বরে স্বাধীন দেশে ফিরে এসে আবার এদেরকেই ব্যবহার করে বছরের পর বছর রাজনীতির মঞ্চে টিকে আছে আপনার দল।এদের কেউ কেউ প্রকাশ্যে আপনাদের তালই নয়ত অপ্রকাশ্যে দারুন মিত্র।
সামহয়্যার ব্লগে একজন ব্লগার দারুন একটা ফুটার ব্যবহার করেন।'' আমার শুধু রাজাকারেই রুচি'' । টিউব লাইট না হলে ব্যঙ্গটা না বুঝতে না পারার কথা নয়।
এই মীরজাফরই হলো সেনাবাহিনি ও দেশের দুষমন|
সব দোষ ত কেষট বেটার!এই বাংলাদেশে কি কোন সরকার আছে ?পিন্টুই শেষ মেষ হিরু বনে গেল?হাসিনাকে বোকা বানাল আওয়ামীলিগের ওয়ার্ড সভাপতি তোরাব আলী?হি:!হা:! হি:!হা:!এই সরকারি কমিটির রিপোর্টের আর প্রয়োজন নাই।জনগণের যা বোঝার বুঝে নিয়েছে।সরকারের সময় নষ্ট করার দরকার ছিল,সেটাও হয়ে গেছে।তাহলে আর অযথা রিপোর্ট প্রকাশের বাড়তি ঝামেলা করা কেন?যেটা সত্য সেটা জনগনের সামনে প্রকাশ করা দরকার।আমার ধারনা এই ঘটনা আওয়ামীলীগের নেতারা ঘটিয়েছে।যার জন্য এত দেরী হচ্ছে। এই বাহিনীর নাম নিয়ে চলছে গবেষনা। বিডিআর এন নাম পরিবর্তন করে এখন সেই রক্ষী বাহীনি বানাবে। আমার ধারনা এটাই।এই জন্য এখন নাম আর পোষাক পরিবর্তন নিয়ে যত তুমুল কান্ড চলছে। যদি সত্য কথা বলার বা জানানোর সৎ সাহস তদন্ত কমিটি'র এতসব শিক্ষিত জনের না থাকে তাহলে উনারা তদন্ত করার দায়িত্ব কেন নিলেন? আমাদের পুলিশ প্রশাসনের অল্প শিক্ষিতরাই এই কাজটুকু করতে পারত। যুগে যুগে সব সরকার এ ধরনের নোংরা কাজের জন্য পুলিশ কেই ব্যবহার করেছে। মনে হচ্ছে এটা আমাদের রাজনীতিতে একটা ভিন্ন মাত্রা যোগ করতে যাচ্ছে, যা ভবিষ্যেতর জন্য সুখকর নয়। আর তথাকতিথ এসব শিক্ষিতরাই আমাদের সব সময় বলে এসেছেন অন্যায়'র কাছে কখনো মাথানত না করতে। আজ ভাবতে লজ্জা লাগছে জীবনে'র সু-শিক্ষা টা আমরা উনাদের কাছ থেকেই পেয়েছিলাম। সরকার কে বলছি, অন্যায় কে চাপা রেখে কেউ কখনো মহান হয় না। সত্য কখনো চাপা থাকবে না। এক এক দিন না এক দিন সত্য প্রকাশ পাবেই। আপনাদের প্রকাশ করার সাহস না থাকতে পারে, কিন্ত আমরা যারা এ দেশে হাল ধরব তারা এতোটা কাপুরুষ নই। আল্লা্হ্ আপনাদের ততদিন বাচিয়ে রাখুক যেন আপনারা দেখে যেতে পারেন বাঙালি জাতি অন্যায়ের বিরুধ্বে লডতে জানে। যতই ঘসা মাজা করেন না-ই কেন , সেনাবাহিনীর রিপোটে অনেক সত্য বেরিয়ে এসেছে ! আপনাদের তৈরী রিপোটে বিশবাস যোগ্যতা নিয়ে প্রশন থাকবেই !যে সেনা বাহীনির প্রধান তার চোখের সামনে ৭০ জনের মত অফিসারদের ধারাবাহিক কিলিংএর পরও তাদের বাচানোর কোনো সাহস ও উদ্যগ নিতে পারেনা অদৃশ্য কারনে,তাকে বেইমান,কাপুরুষ ও দালাল বলাই উচিত।তার সেনাপ্রধান পদে থাকাই উচিত নয়।
বিএনপি ষেনাপ্রধান করেছিলো সংবিধান অনুযায়ি দেশ চালানো ,দেশবাচানো ও দেশিবিদেশি ষড়যনত্র মোকাবেলা করার লাগি সাহস ও বিশ্বাসের সাথে।দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার ভিত্তিমুল সেনাবাহিনীর প্রতি নগ্ন আক্রোশ তাদের থিসিস আর গবেষণায় ।ডিজিটাল বাংলাদেশের ডিজিট এন্ট্রি হবে ভারত থেকে । সেনাবাহিনী থেকে ইসলাম দুর করার অভিযান চালানো হবে।আওয়ামী লীগ বাংলাদেশে গনহত্যা চালাইতে চায়|তার প্রেক্ষাপট তৈরীতে ব্যস্ত, পিলখানার ঘটনাটি একটি ট্রায়াল মাত্র| হাসিনা দেখতে চাইছে, ধীর স্থির সিদ্ধান্তের আড়ালে এই আর্মি অফিসারকে হত্যার করলো,এই ঘটনাটি জনগন কিভাবে নিচ্ছে বা দেখচ্ছে তাই এখন হাসিনার আওয়ামী লীগ পর্যবেক্ষন করছে|আর এই জন্যই প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে হিংসা ছড়িয়ে আওয়ামী ফ্যাসিষ্ট কর্মীদের উজ্জিবিত রাখার কুট কৌশল হাসিনা নিয়েছে (ইজারা ইস্যু, এতে ফ্যাসিষ্টরা বেজায় খুশি),যাকে বলে আপনার ভাষায় গ্রাম্য পলিট্রিক্স।
লক্ষ্য করুন, পিলখানায় গনকবরও হাসিনা খুড়েছে,কারন বাংলাদেশে গনহত্যা চালাইলে এই রুপ গনকবরও দরকার হবে|তাই পিলখানায় গনকবরও একটি ট্রায়াল|আওয়ামি লীগের অসর্মথিত অংশটুকু কেটে ফেলাই হলো ঘাতক হাসিনার এজেন্ডা। মুজিব পারেনি, হাসিনাও পারবে না| জানি এতে আওয়ামী লীগ ক্ষিপ্ত হয়ে উঠবে,হতাশা চারিদেকে ঘিরে ধরবে| হাসিনা আপা আপনের জন্য একটাই কথা'' এই দিন দিন নয় আরো দিন আছে ''। বিডিআর নিয়া তামাশা শুরু করেছেন, এতোগুলো সেনা অফিসার মারা গেল আর আপনে মনের শুখে বগল বাজাচ্ছেন? বাজিয়ে যান। আল্লাহর বিচার বলে একটা কথা আছে। সেদিন খুব বেশী দূরে না।
বিডিআর ট্রাজেডি সরকারের সৃষ্ট,নানক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, জোয়ানদের টিভি সাক্ষাতের উতফুল্লতা, মূখুশ পরে প্রধানমন্ত্রীর সাথে সাক্ষাত মইন মিয়ার নিরবতা,অভ্যুত্বানের বিদ্রোহকে রাজনৈতিক আলোচনায় সমাধানে সেনাবাহিনীকে পুতুলের মতো দাড়িয়ে রেখএ তাদেরই সহকর্মীদেরকে মৃত্যুপুরীতে জিম্মি করে রাখার, মাঝে প্রধানমন্ত্রীর বাড়িতে অতিরিক্ত সন্য মোতায়েন ও বানিজ্যমন্ত্রীর ধরিমাছ না ছুই পানির মতো বক্তব্য, আঙ্গা বহ সিআইডি তদন্তকাহ্বারকে নিয়োগ দেওয়ার মাঝে স্পষ্ট ধারণাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিতকরার কোন সূযোগ আছে কি?
নিজেদের মতো করে বানানো তদন্ত নাটকের সেনা বাহিনীর রিপোর্টটি ও ষড়যন্ত্রের মহা নায়ক ময়না মিয়ার হাতে জমা দেওয়া হলো,ইতোমধ্যে সেনা কর্মকর্তাদের কে ভাগে আনার কাজটি ও সমপন্ন হয়েছে এবার জেএমবি কিংবা,জোয়ানদের নেতৃত্বহিনতার অপ্রিতীকর দুর্ঘটনা বলে পার করা যেতে পারে,খাটী সত্য কথার বিডিআর কর্মীদের কে মেরে ফেলা হয়েছে এর মাঝে মরেছেন একজন ইমাম সাহেব ও কারন তাদের কথাগুলি প্রকাশিত হলে তলের বিড়াল বেড়িয়ে আসতো, নিহত জোয়ানদের মৃত্যুর আগে বলা কথা গুলো প্রকাশিত হলো কিছুটা ধারণা পাওয়া যেতো! সেটা হবে না জানি-হৃদরোগের কারন হোক ওদের কথা গুলো যে সরকারের আসল চেহারা উম্মচোন হতো নির্ঘাত|তদন্ত কাহ্বার ও সেনাবাহিনীর রিপোর্ট সমন্নিত করতেই এতোদিন বিলম্ভ,সরকার মোটামুটি নিজেকে গুছিয়ে নিয়েছে|দুর্নিতি ও টেরোরিজমের নামে আমেরিকা-ব্রটেন-ভারত সারা বিশ্ব দখল করতে চায়।সেজন্য তারা প্রথমেই ইসলাম ও মুসলিম বিশ্বক্ব টার্গেট করছে এবং কিছু দালাল কিনে নে্য।বাংলাদেশে হাসিনা ও মইন হলো তাদের বিশ্বস্ত কেনা গোলাম।তাদের স্বার্থ হাসিলের লাগি বিএনপি নেতাদের বাগে আনতে দুর্নিতির অভিযুগ তুলে ও সেনাবাহিনিকে বাগে আনতে তাদের অফিসারদের মেরে ফেলে পিলখানায়।
পিলখানা হত্যাকান্ডের আগের দিন দুনিয়াতে জন্ম নেয়া অবুজ শিশুরাও জেনে গেছে যে এ হত্যাকান্ড নানক-আযম-সাহারারা আওয়ামীলিগের ওয়ার্ড সভাপতি তোরাব আলীর সহযোগিতায় করেছিল,দিনের আলোর মত সত্য একটা বিষয়কে আওয়ামী হায়েনারা অন্য দিকে ফিরাতে ছায়,মূর্খ বাকসালীরা সবাইকে তোমাদের মত আবুল/বোকা মনে কর??সেনাবাহিনীর তদন্তে আওয়ামী মন্ত্রীদের নাম এসেছিল কিন্টু তা জনসম্মুখে প্রকাশ করতে দেওয়া হয়নি,আওয়ামী মন্ত্রী ফারুক খান ওরফে তোতা মিয়া বলেছিল যে আর্মির তদন্ত নাকি সত্য নয়,সংশোদন করে আনতে হবে , আওয়ামী মন্ত্রী তোতা মিয়ার মন মত হয়নি তা এতদিন প্রকাশ করা হয়নি,পরের সরকার ক্ষমতায় আসলে আওয়ামী লীগের লুকোচুরির তদন্ত আবার তদন্ত হবে।তখন নানক-আযম-সাহারা আওয়ামীলিগের ওয়ার্ড সভাপতি তোরাব নাম বেরিয়ে আসবে,আমরা ওই দিনের অপেক্ষায় রইলাম।
পিলখানার ভিতরের ঘটনা ওনারা জানতেন না এটা কোন গাজাখোরও বিশ্বাস করবে না। আক্রান্ত সেনা আফিসারদের ফোন পেয়ে আত্মি্য় স্বজন ও সহকমিরা সকালেই জেনেছিলেন। স্বয়ং ডিজি সাহেব ও রাবের কণেল গুলজার প্রধানমন্ত্রি থেকে শুরু করে সেনা ও রাব আফিসে ফোন করে জিবন বাচাতে সাহায্য চেয়েছিলেন। পরে তাদের ফোনে না পেয়ে কি মনে হয়নি কিছু একটা ঘটেছে? কেন বিদ্রোহি নেতাদের কাছে আক্রান্ত সেনা আফিসারদের সাথে ফোনে যোগাযোগ করার সুযোগ দাবি করা হয়নি?14 জন আলোচকের নাম-ঠিকানা না রেখে দেহ তল্লাশি ছারাই কেন প্রধানমন্ত্রির কাছে নেয়া হল? তাদের 10 জন এখন আটক আছে? বাকি 4 জন কোথায়? এই 4 জনই কি বহিরাগত, যাদের বিমানের ফ্লাইট 2 ঘন্টা পিছিয়ে পার করে দেয়া হয়েছিল? জাতি জানতে চায় বিদ্রোহীদের সাথে যমুনায় কি কথা হয়েছিল ।ওরা কারা ছিল?
যে মীরজাফর(সেনাপ্রধান মইন)কয়েক গজ দুরে থেকে নিজ বাহিনির দেশপ্রেমিক অফিসারদের হত্যাকান্ড রহস্যজনক কারনে চেয়ে চেয়ে দেখে বাচানোর বদলে|ভারত ও হাসিনার দালাল, জাতির কুসন্তান,সেনাবাহিনীর কলংক মীরজাফর(সেনাপ্রধান মইন)ঐ তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ করতে দিবেনা আর দিলেও পরিবর্তন করে দিবে।দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর কোনো সদস্য যদি মনে করেন মইন সেনাবিহিনীর কল্যানে কোনো কাজ করতেছে তবে তাদের মতো বোকা লোক নেই।মীরজাফর(সেনাপ্রধান মইন) হলো সেনাবাহিনি ও দেশের দুষমন|একটু মাথা খাটালে এক-এগারোর প্রেক্ষাপটে একবিংশ শতাব্দীর বাংলাদেশে সিরাজউদ্দৌলাহ ও মীরজাফরকেও চিনে ফেলা সম্ভব।
সমুদ্রের বহুমুখি প্রপাগান্ডা
১।এ নিয়ে প্রপাগান্ডাটা আপনি শুরু করেছেন এবং চালাচ্ছেন। শুরুতে বিদ্রোহের পক্ষে গান গেয়েছেন, বেতাল দেখে নিহত আর্মিদের নিয়ে নকল আহাজারি, আবার সময় বুঝে বিডিআর দের জন্য মায়া কান্না... লক্ষ্য একটাই যেকোন ভাবে আওয়ামি সরকারকে ঘায়েল......
২।সামরিক কর্তপক্ষ জিজ্ঞাসাবাদ করে যাদের আভিযুক্ত পাচ্ছে, তাদের বেসামরিক প্রশাশনের হাতে তুলে দিচ্ছে। আর্মি-পুনিশ-সি আই ডি বিডিআর দের যে কায়দায় জিজ্ঞাসাবাদ করে, তাতে বাকিরা যে বেচে আছে, সেটাই বিশ্ময়।
৩।দাত হীন বাঘ কখন মানুষ-খেকো হয় জানেন?বনের পশু শিকারের ক্ষমতা যখন থাকেনা তখন।
৪।বেসামরিক প্রেসিডেন্ট নিহত হবার পরো আমাদের দেশের সিভিল কোর্টে কোন বিচার হয় নাই? মার্শাল ল কোর্টে বিচার করে ১২ জনের ফাসি দিয়ে মামালা খতম? আর এটা ত বিডিয়ার আর আর্মির মারামারি।।
৫। মার্শল ল তে বিচার হলে সরকারের প্রকাশ্য বিচারের ঝামেলা নাই, আর্মি কে ফ্রি পাস দিয়ে দেয়া,নিজ ভাইয়ের হত্যার বিচার নিজ হাতে করে ঠান্ডা হয়ে যাও।মনে রাখতে হবে, এত বড় একটা ঘটনয়ায় আর্মি ইন্টইলিজেন্স এর নিজেদের চরম, ব্যর্থতায় সমুদ্রভাই আর্মিরা বেসিকালি নিজেরাই শরমিন্দা এবং নিজদের মধেই ক্রেডিটিনিলিটি ক্রাইসিসে আছে। তাই, তারা আপনার ডাকে সারা দিয়ে আওয়ামি সরকার নিধনে ঝাপিয়ে পড়ছে না।
স্বপ্নে যখন পোলাও খাচ্ছেন, ঘি কম দিবেন কেন!তাই স্বপনে আওয়ামি লীগের এমন পতন শুধু নয়, নিজামি মুজাহিদিদের ফুলের মালা দিয়ে বরন করছে সেটা দেখতে ভুলবেন না!
It's a fair decision
Recommendation of court martial is a fair decision. Although BDR is not full pledged army, but they are under army. As there is no judiciary system in Bangladesh , under court martial the prosecution will be fair. Whatever the reason behind mutiny, the way BDR jowans revolted is not acceptable at all. If the real killers, rapist & their collaborators are not punished, there will be no chain of command in army. In future also soldiers will revolt in the same way on small small issues.
Another new propaganda against army
Army is killing BDR soldiers in govt custody!! If army would be united & strong enough , they would have killed the real killers, BAL govt( the mastermind of pilkhana incident). Why army will killl the real witness before prosecution? According to the army law, the punishment of mutiny is death sentence. Then why they will kill these soldiers unnesessarily? Are they creasy or stupid?
Lowskilled shitheads could'nt find clue, recommend court martl
Burocrat or buroshit Anis could not find the clue; but recommended for court martial. The idiot does not know that the BDRs are not full pledged army, they never received army status nor any army benefits, then why they will be prosecuted like army? Blood sucker burocrats and army got together.
Army committing crime by killing BDRs, plannng to kill more.
Close to 30 BDRs have been killed by the army, so far. The bird hunter generals got killed like chicks, even ordinary people could survive better. The cantonment is killing the poor accused BDRs, and also planning to stage court martial.
BDRs are not regular soldiers, they never enjoyed benefiis of army, how they can be prosecuted as army in court martial?