BNP demands all-party JS probe body

Rejecting the government probe report on BDR carnage, BNP yesterday demanded formation of a powerful all-party parliamentary committee to identify the perpetrators, planners and behind-the-scenes instigators of the carnage.


Khaleda Zia

The main opposition party also called for making the army probe report on the incident public. If the government feels embarrassed about the content of the army probe report, at least a restricted session in parliament could be held to discuss the report.

Addressing a press conference at the Jatiya Press Club, BNP Secretary General Khandaker Delwar Hossain on the government probe report said, "The report on such a grave national disaster is nothing but a mockery. We reject the essay. The investigation committee has failed to reveal anything."

BNP Chairperson Khaleda Zia Wednesday night in an instant reaction to the government probe report said, "It is unacceptable that they [the government] made public parts of the report which suit them."

Delwar came down heavily on the proposal to change the name and uniform of the border guards. "It is nothing but a bad idea of the government. Why so much focus on the name putting aside the real incidents?"

Terming the published portion of the probe report "no report", he said the government has published only the part of the report that goes to its favour.

Urging the government to publish full reports of all committees that are probing or have probed the incident, he said they along with the people of the country are frustrated at the fact that the government investigation committee could not reveal anything and only wasted time and public money.

He said the government committee framed BNP leader Nasir Uddin Ahmed Pintu in the incident but said nothing about Torab Ali of Awami League. Their report did not say anything about the meetings between the ministers and leaders of the government and the mutineers, Delwar said, adding that the "Pintu-story" was fabricated to hide facts.

"It was the government that paved the way for mutineers to flee as it did not cordon off the BDR headquarters. Activists of their party entered Pilkhana in procession during the killing spree," he claimed.

He said the report has turned into fake documents for the ruling party's propaganda machine and it could not gain credibility.

The BNP secretary general said the army was the main victim of the incident but they were not allowed the freedom to prepare their own report. "There were lots of transfers and retirements hampering their investigation process. In spite of these difficulties, their report has many sensational information and allegations against the ruling party," he said.

The report of the government-formed committee, headed by former additional secretary Anisuzzaman Khan, was submitted to Home Minister Sahara Khatun on May 21 and its summary was made public Wednesday.

At least 74 people, including army officers and soldiers of Bangladesh Rifles (BDR) and civilians, were killed in the carnage at the BDR headquarters on February 25-26.

BNP standing committee member Khandaker Mosharraf Hossain, party chief's adviser Brig Gen (retd) ASM Hannan Shah, Joint Secretary General Mirza Abbas, lawmaker Barkat Ullah Bulu and BNP Office Secretary Rizvi Ahmed were present at the press conference.

Sources:
News: The Daily Star
Photo: Focus Bangla

Comments

SalimC's picture

বিএনপির সেদিনের দাবি আজ অনেকটাই প্রতিষ্ঠিত সত্য।

ষড়যনত্রকারীরা এখনো তৎপর।মইন,ফখর,হাসান মাশুদ,বা;মইনুল,মতিনদের দ্বারা যে ষড়যনত্র শুরু হয়েছিলো ১/১১এ বিএনপি ও দেশবিনাশির লাগি, তা এখনো আছে।ঐ ষড়যনত্রকারীরাই কুখ্যাত হাসিনা ও আওয়ামিদের সরকারে আনে ইলেকশনের নামে প্রহশন করে|মইন হলো সেনাবাহিনি ও দেশের দুষমন,একটু মাথা খাটালে এক-এগারোর প্রেক্ষাপটে একবিংশ শতাব্দীর বাংলাদেশে সিরাজউদ্দৌলাহ ও মীরজাফরকেও চিনে ফেলা সম্ভব।
মইন,মইনুল,মতিন,হাসান মাশুদরা নিজেদের ব্যাক্তি স্বার্থে দেশবিরোধী ষড়যনত্রকারীদের কাছে নিজেদের বিক্রি করে দেশের সর্বনাশ করে।দেশপ্রেমিক জনগন অনেক কস্ট ও ষড়যনত্র মোকাবেলা করে দেশকে উন্নয়নের দিকে এগিয়ে নিয়ে এসেছিলো কিনতু ঐ গাদদার,বেইমান,মিরযাফররা দেশের সবকিছু ধংস করিতেছে|মইনের মত অনেক ষড়যনত্রকারীরা দালালরা বিএনপি,তারেক জিয়া সহ সব জাতিয়তাবাদি সক্তিকে ভয় পায় বলেই দেশবিরোধী শক্তি হাসিনাকে আতাত করে সরকারে আনে।এখনো সে তার শেষ কামড় হিসাবে বিএনপিকে নিয়ে ষড়যনত্রের খেলা খেলতেছে।মইনের অধীনেই আমাদের দেশপ্রেমিক অফিসারদের হত্যাকান্ড ঘটে আর এখন আবার সাবেক সিনিয়র অফিসারদের ষড়যনত্রমুলুক ভাবে মামলায় জড়িয়ে তার প্রভুদের খুশি করতে তৎপর।ষড়যনত্রকারীদের নিকট সে নিজেকে বড় সস্তায় বিক্রি করলো।
বিএনপির সবচেয়ে বড় শত্রু তার সুবিধাভোগী এলিট গ্রুপ-যেমন ফখর উদদিন,ব্যা;মইনুল,মতিন,হাসান আরিফ,ইয়াজ উদিদন সহ সামরিক-বেসামরিক আমলা যারা সরকারে থাকতে খালেদা ও বিএনপি থেকে সব সুযোগ সুবিধা,পদপদবি বাগিয়ে নিয়েছে এবং ষড়যনত্রকারী ও হাসিনার লগে আতাত করে বিএনপি ও তার অগনিত নেতাকর্মি ও জিয়া ফেমিলি ধংসের অপচেস্টা করে এবং নিজের পিঠ বাচাতে হাসিনারে সরকারে আনে।গত নির্বাচনে আওয়ামিলীগের অনুকুলে মইন উ আহমেদের নেতৃত্বাধীন সেনাবাহিনীর যে একটা বিশেষ ভুমিকা রয়েছে তার কিছুটা আঁচ করতে পেরেছিলাম।
যাই হোক যথা সময়ে দেশে নির্বাচন হয়ে গেল।জাতি দেখতে পেল অনাকাঙ্খিত এক ফলাফল।২৬১ আসন পেয়ে আওয়ামিলীগ নেতৃত্বাধীন মহাজোট বিজয় কেতন উড়ালো।বিএনপির নাটোর, বগুড়া, মানিকগঞ্জ, রাজশাহী,চট্টগ্রামের মত ঘাঁটিগুলো ভেঙ্গে খান খান হয়ে গেল।বিএনপির পক্ষ থেকে প্রবল আপত্তি তুলে বলা হল সেনাবাহিনী আর তত্তাবধায়ক সরকারের কারসাজিতে একটা প্রহসনের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হল দেশে।কিন্তু তখন চরম বৈরি পরিবেশে মিডিয়া,আবাল শ্রেনীর বুদ্ধিজীবি ও বিদেশী শক্তির সমর্থনহীন বিএনপির সেই দাবির পালে হওয়া লাগেনি এতটুকু।অতঃপর শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার গঠিত হল।যথারীতি শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস,প্রতিপক্ষের নেতা কর্মিদের উপর হামলা মামলা,চর দখল,হল দখল,ফুটপাত দখল,দলীয় অন্ত কোন্দল,প্রকাশ্য খুনি সন্ত্রাসীদের প্রত্যাবর্তন,প্রতিহিংসা ইত্যাদির মধ্য দিয়ে সময় এগিয়ে যেতে লাগলো ডিজিটাল বিভ্রমে।ইতিমধ্যে দেশে ঘটে গেল ন্যাক্কারজনক পিলখানা ট্র্যাজেডি।
আর ঠিক তখনি নির্বাচনে সেনাবাহিনীর ভুমিকা নিয়ে বিএনপির যে অভিযোগ ছিল তার প্রতি সমর্থন উঠে আসে খোদ সরকারের ভিতর থেকেই।মহাজোটের অন্যতম ডাকসাইটে নেতা,প্রধানমন্ত্রীর বড় ভাই জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান হু মো এরশাদ সেনা অফিসারদের নৃশংস হত্যাযজ্ঞে ক্ষুব্ধ হয়ে প্রশ্ন তোলেন ,"আওয়ামীলিগ কি করে ভুলে গেল তাদের নির্বাচনে বিপুল বিজয়ের পিছনে সেনাবাহিনীর ভূমিকার কথা?"বিএনপি ঘরানার কিছু মানুষ এরশাদ সাহেবের বক্তব্য নিয়ে দু একদিন হৈচৈ করল ঠিকই কিন্তু কিছুই হলনা।দেশের ভাড়ায় খাটা বুদ্ধিজীবি শ্রেণী ও পক্ষপাতদূষ্ট মিডিয়া এরশাদ সাহেবের বক্তব্য নিয়ে চুল চেরা বিশ্লেষেন মেতে উঠেনি।মুন্নী সাহা,অকিল পোদ্দার,শারমীন রিনভীরা এই ব্যাপারে জ্বালাময়ী রিপোর্টিং করেননি।ফলে আবার সবকিছুই স্বাভাবিক হয়ে যায় । মিডিয়ার আনূকল্যহীনতায় আরো একবার পরাজিত হয় বিএনপি।
হঠাৎ করে রাজনীতিতে তোলপাড় সৃষ্টি করে বক্তব্য দিলেন আবদুল জলিল।আওয়ামিলীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক তুরুপের তাস খ্যাত এই প্রবীন ডাক সাইটে নেতা ১/১১ পরবর্তি সময়ে এবং নির্বাচন কালীন সময়ে সেনাবাহিনীর সাথে আওয়ামিলীগের গোপন কানেকশনের তথ্য ফাঁস করে দিলেন।বেরিয়ে এল থলের বিড়াল।
আবদুল জলিল আওয়ামিলীগ নেতাদের উদ্দেশ্য করে বলেন ১/১১-এ ডিজিএফএই-এর দালালি করে যারা সুবিধা নিয়েছেন তারা এখনও সুবিধা নিচ্ছেন।সরকারের মধ্যে ঐ সুবিধাভোগিরা রয়েছেন।তিনি বলেন বর্তমান সরকারে অনেক মন্ত্রী রয়েছেন যারা ডিজিএফআই-এর পেইড এজেন্ট।তার মতে আমু,রাজ্জাক,তোফায়েল,সুরঞ্জিত সবাই ডিজিএফআই-এর দালাল।আবদুল জলিল আওয়ামিলীগের সাধারন সম্পাদক সৈয়দ আশরাফের প্রতি ইঙ্গিত করে বলেন,"কারা ঐ সময় সকালে ডিজিএফআই-এর সাথে মিটিং করে বিকালে দলের মিটিংয়ে অংশ নিয়েছে তা দেশের মানুষ জানে।প্রথমে কেন পালিয়ে লন্ডনে গেলেন,পরে কোন নিশ্চয়তা পেয়ে দেশে ফিরে এলেন তা দেশের মানুষ বোঝে।"
এরশাদ এবং সর্বশেষ আবদুল জলিলের বক্তব্যের মধ্য দিয়েই গত নির্বাচনে নৌকার অনুকুলে সেনাবাহিনীর বিশেষ ভুমিকা স্পষ্ট হয়ে উঠেছে।ডিজিএফআই-এর সাথে কি নিয়ে মিটিং করতেন জনাব আশরাফ?একের পর এক বিএনপি নেতা কর্মী কে গ্রেফতার করে বিএনপিকে সাংগঠনিকভাবে দুর্বল করে আওয়ামিলীগের জন্য সুবিধাজনক ভোটের ক্ষেত্র তৈরি করার নীল নকশা কি ঐসব মিটিংয়ে প্রণীত হয়েছিল??দেশের ভিবিন্ন স্থানে সেনাবাহিনী কতৃক বিএনপি নেতা কর্মীদের ভয় ভীতি প্রদর্শন এবং ভোটের দিন অনেক ভোটারদের নৌকায় ভোট দিতে বাধ্য করার কৌশল কি সেইসব মিটিং গুলোতে নেওয়া হয়েছিল?
বিএনপির সেদিনের দাবি আজ অনেকটাই প্রতিষ্ঠিত সত্য। ঊনত্রিশ ডিসেম্বরের সত্য আজ বেরিয়ে আসছে।কোন স্রোতের টানে নৌকা সেদিন মহা বিজয়ের দ্বীপে নোঙর করেছিল আজ তা মানুষের কাছে অনেকটাই পরিস্কার।সত্য গোপন থাকেনা।একদিন না একদিন সত্য বেরিয়ে আসে।সামনের দিন গুলোতে দেশবাসী হয়ত আরো অনেক সত্য জানতে পারবে।জানতে পারবে পিলখানা ট্র্যাজেডিকে ঘিরে তোরাব আলীর প্রকৃত স্বীকার উক্তির কথাও।দেশবাসী কে সাথে নিয়ে সেই মাহেন্দ্রক্ষনের অপেক্ষায় থাকলাম|

farmer's picture

Looter, your mother, father, brothers, sisters, sons all looters

Fucked up Khaleda Mojumder, we will make fertilizer from your bones, shitty looter family, grabbed anything on the way.