Lawmaker and Workers Party President Rashed Khan Menon Wednesday warned of a greater movement if the government takes any step against country’s interest, such as transfer of the management of ports and airports to aliens.
“A greater movement would be built up if the government tries to hand over the management of Zia International Airport and Chittagong Seaport to foreigners,” he said addressing his party’s Gazipur district-unit conference, ahead of their national congress.
Menon, also President of the Parliamentary Standing Committee on Education Ministry, said his party doesn’t support any decision leasing out mineral resources of the country to foreign firms without discussion in parliament. He said if the government takes any anti-nation step, his party would protest and resist it along with the countrymen. Workers Party is in the national coalition of protestors now in movement against leasing out gas blocks in the Bay to foreign companies.
-Daily Star
Comments
মেননের পর আরেক কাগুজে বাঘ অলির হুমকি ...আওয়ামী মসনদে ভুমিকম্প
তিনি বলেন, "সরকার গঠন করলেও টিকে থাকবে কি না এ আস্থা তাদের (আওয়ামী লীগ) নিজেদের নেই। কিন্তু তারা ব্যর্থ হলে আবার ভিন্ন শক্তি এসে ক্ষমতা দখল করতে পারে।"
এলডিপি সভাপতি বলেন,
"আইন-শৃঙ্খলার চরম অবনতি হয়েছে।
বিদেশী বিনিয়োগ কমেছে।
কিন্তু বর্তমান সরকার এসব বিষয়ে পদক্ষেপ না নিলে তৃতীয় কোনো শক্তি এর সুযোগ নিতে পারে।"
এশিয়ান হাইওয়ে চট্টগ্রামের উপর দিয়ে নেওয়ার দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, "চট্টগ্রামের উপর দিয়ে নেওয়া না হলে এশিয়ান হাইওয়ে হতে দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে আন্দোলন গড়ে তোলা হবে।"
http://www.bdnews24.com/bangla/details.php?id=113724&cid=3&aoth=1
উল্লেখ থাকে যে, এশিয়ান হাইওয়ে চট্টগ্রামের উপর দিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে আওয়ামী লীগ বাদে আর কোন দলের আপত্তি নেই। কিন্তু শেখ হাসিনা বেনাপোল-তামাবিল রুটের মাধ্যমে ভারতকে করিডোর দিতে চাইছে, এতে দেশের প্রতিরক্ষা হুমকী সম্মুখীন হবে বলে দেশের আপামর জনগন মনে করলেও হাসিনা দেশের প্রতিরক্ষার কথা না ভেবে, নিজ পরিবার প্রতিরক্ষা আইন পাশ করিয়ে নিয়েছে। বেনাপোল-তামাবিল রুট দেশের অর্থনীতির জন্য কোন লাভ হবে না, ব্যক্তিগত লাভ হবে হাসিনা পুত্র জয় আর কিছু প্রবাসী আওয়ামী লীগারদের, এরা বেনাপোল-তামাবিল রুটের জন্য ঢাকডোল বাজিয়ে যাচ্ছে। এরা দেশের প্রকৃত শত্রু।
Save Bangladesh: No more farakka
মেননের হুমকি ...আওয়ামী মসনদে ভুমিকম্প
A greater movement would be built up if the government tries to hand over the management of Zia International Airport and Chittagong Seaport to foreigners
এতদিন জানতাম চট্টগ্রামের সমুদ্র বন্দর বিদেশীদের হাতে দেওয়া হবে, বিদেশীরা মুনাফা লুটবে। তার পারসেন্টে হাসিনা-পুত্র জয়ের ব্যাংকের একাউন্ট স্ফীত হবে।
এখন দেখছি, জিয়া আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরও বিদেশীদের হাতে দেওয়া হবে।
এর দ্বারা বুঝা যাচ্ছে, সরকার জনগনকে অন্ধকারে রেখেই গোপনে দেশের স্বার্থ বিরোধী পদক্ষেপ নিচ্ছে। এর আগে আমি বলেছিলাম, সরকারের বিভিন্ন পদে দেশের জনগন অতীষ্ট হলেও সরকার ভ্রুক্ষেপ করছে না, তার কারনে বলেছিলাম সরকারের এক পা থাকে আমেরিকায় আরেক পা থাকে লণ্ডনে। মুজিব কোট পড়ে এরা দেশ প্রেমিক সেজেছে, কিন্তু দেহ-মন সবই পড়ে আছে বিদেশে।
এখানে কিছু আওয়ামী ভৃত্য মেননকে কাগুজে বাঘ বলে বিষয়টিকে ধামাপাচা দিতে চাইছে। মেনন কাগুজে বাঘ কি কাগুজে বিড়াল এটা আলোচনার বিষয় নয়। সুক্ষ্মভাবে বিবেচনা করুন, মেনন নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছে, তার পার্টি মহাজোট সরকারের অংশ। কাজেই মেনন ব্যক্তিগত ভাবে যেমন সরকারের অংশ, ঠিক তেমনি তার দলও সরকারের অংশ।
খেয়াল করুন, মেননের হুমকী সরকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে, এর মানে দেশ বিরুধী কর্মকান্ডে আওয়ামী লীগের হাইকমান্ড জড়িত। আর মেনন সহ অন্যান্যরা যারা সরকারের আচরনের প্রতিবাদ করছে তাদেরকে কাগুজে বাঘ ইত্যাদি বলে হেয় করছে, যা আওয়ামী ফ্যাসিবাদ চরিত্রের বৈশিষ্ট ।
মেননের এই প্রতিবাদে বুঝা যাচ্ছে সরকারের মধ্যেও চলছে অস্থিরতা। আর এই অস্থিরতা ঢাকার জন্য স্বয়ং শেখ হাসিনা মিথ্যা ছড়াচ্ছেন, গত দারিদ্র বিমোচন সম্মেলনে বলেছেন, গত ৯ মাসে দ্রব মুল্যের দাম অর্থেকে নেমে গেছে। এখন এই মিথ্যাচারের আবাদে নেমেছে সুইজ হাসান মার্কা আওয়ামী দাসেরা।
সম্প্রতি আওয়ামী লীগের নেত্রী আখি অস্ত্র সহ পুলিশের হাতে ধরা পড়েছে, চরমপন্থী ও জংগীদের সাথে আওয়ামী লীগের হাই কমান্ড জড়িত। পিলখানা ঘটনাতেও আওয়ামী লীগের নেতা তোরাব আলী জড়িত ...এইগুলো জনগন সবই দেখছে। এখন দাবী উঠছে আওয়ামী লীগের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার জন্য, কারন এরা এখন বিপথগামী, এবং জননিরাপত্তার জন্য হুমকী।
আখিতে আই-ওয়াস রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে। দেখুন, রশীদের মেয়ে মেহনাজকে রিমান্ডে নেওয়া হলে পত্রিকা মেহনাজ কি বলছে তার গালগল্প প্রকাশ করেছে ...অথচ রিমান্ডে আখির কোনই বক্তব্য আমরা জাততে পারছি না।
জয়নাল হাজারিদের পর আখির উত্থানের পিছনে কারা আছে তা সকলেই জানে।
Save Bangladesh: No more farakka
Mr. Hassan Imam khan
আপনি ভাল করে জানেন, মেনন সাহেবরা কোনদিনই টের পাবে না যে কেউ তাদের হাওয়া দিচ্ছে। হাসিনাও না, খালেদাও না। সুতরাং, আপনার মন্তব্যের কোন ভিত্তি নাই। মেননের কথাগুলোর উপর মন্তব্য করা হচ্ছে, আপনাদের জন্য যারা অন্ধের মত পার্টি লাইনে চলেন এবং আপনার নেতা নেত্রীকে হাওয়া দেন। এই সরকারের খারাপ কিছু বললেই তুলে নিয়ে আসেন জোট সরকার কি করেছে বা করত। তারপর ঐ কাল্পনিক বিষয় নিয়ে মাঠ গরম করেন। তারা কেউ জানবে না আমরা কি বলছি। তারা যদি নিজেদের কান দিয়ে শুনতো, নিজেদের চোখ দিয়ে দেখতো, তাহলে জনগন রাস্তায় নামত না। অনেক সমস্যা আগেই সমাধান হত। মেননের মত মেরুদন্ডহীন রাজনীতিবিদদের আপনারাই দুধকলা দিয়ে পুষছেন। সেই বিড়াল যখন নখের আচর দিতে চায়, তখন বুঝতে হবে আওয়ামীলীগের জনভিত্তি কত কমে গেছে। দু'দিন আগে আমার পরিবারের এক লীগার (আমার সম্পর্কটা গোপন করলাম) বলল, লীগ করেও গত সরকারের আমলে কলেজের চাকুরীটা পেয়েছিলাম এবার মনে হয় টিকায়ে রাখতে পারব না। কারন, তার ভিতরে নতূন শিক্ষানীতির ভয়। আমি জানি না কি আছে নতুন শিক্ষানীতিতে, তবে তাকে অভয় দিলাম যে চাকূরি চলে যাবার মত সেরকম হয়ত কিছু হবে না। সে নিজেই বলল, জোট সরকার প্রমোশনের বদলে পেনশন দিয়ে গেছে, যেটা ভাল। বেসরকারী কলেজের শিক্ষক, কিন্তূ বেতনে তার সংসার চলে না। বলল, এভাবে চললে তার দল আর বেশীদিন ক্ষমতায় থাকতে পারবে না। আপনারা হয়ত বলবেন, জোট সরকার যা করেছে তা আমাদের মহামতী নেত্রীর বাবার স্বপ্ন ছিল। তাই না? অন্যদিকে কিছুদিন আগে আরেকজন সরকারী চাকুরিজীবি "বি" গ্রেড পেয়েছে বলে প্রোমোশন পায় নাই। হয়ত জানেন, এ সরকার রাজনৈতিক বিচারে "এ", "এ+," "বি," "বি+," এবং "জে" গ্রেডিং চালু করেছে। একান্ত আপন লোক, জানি সে কোন পাটির সাথে আদৌ জড়িত না। তার একমাত্র অপরাধ ছিল, সে দক্ষ এবং BNP&CTG-এর আমলে গুরুত্বপুর্ন পদে ছিল।
ধন্যবাদান্তে,
পোগো
গান্ধি মার্কা পেচাল
ভাইজান উপমহাদেশে কেন বিশ্বের কোথাও বল প্রয়োগ করা ব্যাতিত কেউ ক্ষমতা ছাড়েনি। ভাগাৎ শিং যদি আগ্রাসি ভূমিকা পালন না করতেন তাহলে বিটিশদের বিতাড়িত করতে আরও অনেক সময় লাগত। তাই যা করলে কাজে আসবে তাই করতে হবে।
তবে মনে হয় না বিএনপিকে কিছু করতে হবে না। বিডিয়ার ঘটনার পর থেকে সেনা বাহীনির অধিকাংশ সেনানিরা অপেক্ষার প্রহর গুনছে। আওয়ামীদের মক্ষম সময় ক্ষমতা থেকে হটান হবে। সেনা বাহীনি কখনও অন্য রাষ্ট্রের অধিনত্য মেনে নিবে না। বীর সেনানিরা তাদের অস্ত্র ধার করছে। কেবলই সময়ের ব্যাপার।
ইউসুফ সাহেব
আপনি তো ধান ভানতে শিভের গীত গাচ্ছেন।রাজপথে না নেমে জনগনকে বুঝান যে আওয়ামিলিগ দেশের ক্ষতি করছে,দেখবেন জনমত এমনিতেই আপনাদের পক্ষে চলে আসবে।কেন বাবা হুমকি দিচ্ছেন হরতাল করবেন,জ্বালিয়ে পুড়িয়ে দিবেন?আর কত জ্বালাবেন এই দেশের মানুষকে?কত টাকা আপনাদের দরকার যে কারনে দেশের মানুষকে শান্তিতে থাকতে দিতে চাচ্ছেন না?ভাল চিন্তা করুন।দেশের অমঙ্গল করে ক্ষমতা দখল তো আর এখনকার দিনে শোভা পায় নারে ভাই।
Joshua
এই দিন দিন না আরও দিন আছে
যেমন ১৯৭৫ সালে আওয়ামী লীগে কোন অস্তিত্ত্ব ছিল না। তেমনই ১/১১ ছিল বিএনপির বিরুদ্ধে এক ক্রুসেইড। কিন্তু বিএনপি এ ক্রুসেইড মোকাবেলা করেছে। অল্প সময়ের মধ্যে রাজপথে বিএনপি তার জনসমর্থন দেশবাসীকে জানিয়ে দিবে। ১/১১ এর পরে যেমন বি এন পির নেতৃত্ত্বকে শেষ করে দেওয়ার হীন চক্রান্ত ছিল তেমনই ছিল দলকে ভেংগে টুকরা টুকরা করার কিন্তু সবই ব্যার্থ হয়েছে।
আজ মেননের অগ্নি পরীক্ষা। আজ বুঝা যাবে মেননের কাছে মন্ত্রিত্ত্ব বড় নাকি ক্ষমতা বড়। এসব তথাকথিত আদর্শ রাজনীতিবিদদের আজ অগ্নিপরীক্ষা।
ইমেলায় আরেকটি আওয়ামী ভৃত্যের উদয়
নিরপেক্ষতার ছদ্মবেশে টাইগার৭১ এর মত সুস্থু আলোচনার নামে একদা নিজেকে উপস্থাপন করেছিলেন, কিন্তু আস্তে আস্তে মুখোশ খসে পড়সে ...মেনন যদি কাগুজে বাঘ হয়ে থাকে তবে এই রুপ কাগজের সাথেও আওয়ামী লীগকে জোট গঠন করতে হয়, এর মানে হলো উভয়েই ভুয়া।
বাইবর্ন পার্টির দাসত্বে নিয়োজিত আছে, তাদেরকে ভৃত্য বলায় উচিত। তাহলে কি দাড়ালো, ইমেলায় আরেকটি আওয়ামী ভৃত্যের উদয় হলো, আওয়ামি ফারমার সাহেবেরাও খুশিতে গদগদ হলো।
Save Bangladesh: No more farakka
মেননকে হাওয়া দেয়া ফয়দাহীন...।
নিজের দল তো খাবী খাচ্ছে। তাই এখন মেনন ই ভরশা,যদি একটু হাওয়া দিয়ে ফয়দা হাছিল হয়।
সে গুড়ে বালী মহাশয়।অন্য কোন পথ ধরুন।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।
মেননের অগ্নি পরীক্ষা
এবার মেননের অগ্নি পরীক্ষা। এবার দেখা যাবে মন্ত্রিত্ত্ব নাকি নীতি বড়। আশা করি মেনন আমাদের কাছে প্রমান করবেন উনি বাংলাদেশের রাজনীতির আদর্শ। বাকশালীদের সাগর লুটার হীন চক্রান্ত নস্যাৎ করতেই হবে। বিদেশীদের বাংলাদেশের খনিজ সম্পদের মুচলেকা দিয়ে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে তা আজ স্পষ্ট। কিন্তু সেই হীন চক্রান্ত প্রতিহত করা হবে।
Menon Is a Paper Tiger
Mr Menon should realise his Workers party is tagged as a parrasite party.If not with a major party it can never win any election. It will amtter little where he goes street or elsewhere he must talk sense. If sea poerts and airports are given to good international managent in a fair and transparent manner how does it hamper national interest. Present government management is corrupt and weak. Business , trade and investment are severely impacted for corruption and inefficiency.
Menon through his staetements is proving that allaince of Mahajote is not working well .PM Hasina must take due note of it.
Kh.A. Saleque