India is replacing its high commissioner to Bangladesh Pinak Ranjan Chakravarty. The Indian government's ministry of external affairs announced on Tuesday that Chakravarty would be replaced by Rajeet Mitter currently India's ambassador to Philippines.
The move comes ahead of prime minister Sheikh Hasina's upcoming visit to New Delhi, expected to take place at the end of the year. Chakravarty has been transferred to Bangkok as India's ambassador to Thailand. A ministry of external affairs spokesman said that both Mitter and Chakravarty would take up their new assignments shortly. Chakravarty, who was appointed as Indian high commissioner to Bangladesh in January 2007, will succeed Vijaya Latha Reddy as India's ambassador to Thailand.
Chakravarty's security in Dhaka had been enhanced recently after he reportedly received a threatening e-mail. The main opposition BNP had demanded that the Indian Government should recall Chakravarty after he had reportedly made several "undiplomatic" remarks defending India's plan to construct the controversial Tipaimukh Dam.
-bdnews
Comments
স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি ইন্ডিয়ান হাইওয়ে জনগণ চায়না
স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকি ইন্ডিয়ান হাইওয়ে জনগণ চায় না -----খোন্দকার দেলোয়ার|
ইন্ডিয়ান হাইওয়ে মেনে নিতে বিশ্বব্যাংক এডিপি'র চাপ মুসলিম পরিচিতিকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র-------- মুজাহিদ
‘এশিয়ান হাইওয়ে, ট্রানজিট ও করিডোর : আধিপত্যবাদ প্রতিরোধের উপায়' শীর্ষক সেমিনারে বক্তারা বলেছেন, বাংলাদেশের স্বার্থবিরোধী এশিয়ান হাইওয়ের নামে ইন্ডিয়ান হাইওয়ে মেনে নিতে বিশ্বব্যাংক এবং এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংকের অনৈতিকভাবে চাপ দেয়া মূলত এদেশের মুসলিম পরিচিতিকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র। বক্তারা বলেন, আমরা এশিয়ান হাইওয়ে অবশ্যই চাই তবে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের জন্য হুমকিস্বরূপ ইন্ডিয়ান হাইওয়ে কখনোই চাই না। আর দেশের মানুষ যদি দেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিষয়ে বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হতে পারে তাহলে দুনিয়ার কোন শক্তি নেই যারা আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে সফল হতে পারবে ।
গতকাল মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবে লিবার্টি বাংলাদেশ আয়োজিত সেমিনারে বক্তারা এ কথা বলেন। মেজর জেনারেল (অব:) রুহুল আলম চৌধুরীর সভাপতিত্বে সেমিনারে বক্তব্য রাখেন বিএনপির মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক মন্ত্রী আলী আহসান মোহাম্মদ মুজাহিদ, ইসলামী ঐক্যজোটের মহাসচিব আব্দুল লতিফ নেজামী, জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান, বিডিআরের সাবেক ডিজি মেজর জেনারেল (অব) আ ল ম ফজলুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক এবিএম ওবায়দুল ইসলাম, বিএনপি নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ঢাকা মহানগর জামায়াতের আমীর মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, রেজাবুদ্দোল্লাহ চৌধুরী, আবু নাসের মোহাম্মদ রহমাতুল্লাত, মহিউদ্দিন খান মোহন প্রমুখ। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মানারাত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর আবদুর রব।
খোন্দকার দেলোয়ার হোসেন বলেন, এশিয়ান হাইওয়ের নামে ভারতকে ট্রানজিট দেয়া হলে তা হবে আমাদের জন্য দুর্ভাগ্যজনক। এর মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব, গণতন্ত্র এবং অর্থনৈতিক নিরাপত্তা সম্পূর্ণ বিঘ্নিত হবে। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়নি। তাদের ক্ষমতায় বসানো হয়েছে। তাই দেশ ও জনগণের স্বার্থবিরোধী কাজ করতে তাদের কোন সমস্যা নেই।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেশ এখন এক মহাসংকটে। আমাদের সব কিছুই এখন হুমকির সম্মুখীন। সরকার আমাদের কোন কথাতেই কর্ণপাত করছে না। কে কোন দল করি তা দেখার সময় নেই। দেশ ও জনগণকে বাঁচাতে এখনই জাতীয়তাবাদী ও ইসলামী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। তিনি বলেন, সরকার আমাদের নেতাদের নামে মামলা করে কথা না বলার জন্য পরোক্ষভাবে হুমকি দিচ্ছে। এই মুহূর্তে আমাদের চুপ করে বসে থাকলে চলবে না। দ্রুত আন্দোলনের প্রস্তুতি নিতে হবে আমাদের।
জনাব মুজাহিদ বলেন, সভা সেমিনার ও আলোচনা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের মানুষ আধিপত্যবাদীদের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে সচেতন হতে পারছে। আর এভাবেই তাদের মধ্যে ক্ষোভের সঞ্চার হচেছ। সাধারণ মানুষের এই পুঞ্জিভূত ক্ষোভ যখন বিস্ফোরিত হবে তখন আমাদের দেশের বিরুদ্ধে যত ধরনের ষড়যন্ত্রই হোক না কেন সবকূটকৌশলই নস্যাৎ হয়ে যাবে।
তিনি বলেন, এশিয়ান হাইওয়ের ব্যাপারে কোন বিতর্ক নেই। কিন্তু আমরা এশিয়ান হাইওয়ের নামে ইন্ডিয়ান হাইওয়ে চাই না। বাংলাদেশের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট এসকাপের এ এইচ ৪১নং রুটের বিষয়ে আমরা ক্ষমতায় থাকাকালেই অনেক দূর অগ্রসর হয়েছিলাম। আমাদের পরিকল্পনা ছিল এই রুটটি ভারত থেকে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা হয়ে চট্টগ্রাম দিয়ে মিয়ানমার ও থাইল্যান্ড হয়ে চীন পর্যন্ত যাবে। সে সময়ে মিয়ানমারের সাথে আমাদের আলোচনাও ফলপ্রসু হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান সরকার বাংলাদেশের স্বার্থ বিরোধী রুটটিকেই এশিয়ান হাইওয়ের নামে অনুমোদন দেয়ার পাঁয়তারা করছে। এই রুটটি মূলত এশিয়ান হাইওয়ে নয় এটি হবে ইন্ডিয়ান হাইওয়ে। এই রুটটি হবে এইচ ৪১ এর তুলনায় অনেকগুন বেশি ব্যয় সাপেক্ষ ও বাংলাদেশের নিরাপত্তার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তিনি বলেন, বাংলাদেশের স্বার্থ বিরোধী এশিয়ান হাইওয়ের নামে ইন্ডিয়ান হাইওয়ে মেনে নিতে বিশ্বব্যাংক এবং এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংকের অনৈতিকভাবে চাপ দেয়া মূলত এশেদের মুসলিম পরিচিতিকে ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র। আর নয়তো এই সংস্থা দুটি ভারতে কাছ থেকে আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছে। তিনি আরো বলেন ভারত তাদের ৭টি অঙ্গ রাজ্য নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য অন্য দেশের স্বাধীনতা ভুলুন্ঠিত হচ্ছে কিনা তা তাদের জন্য মাথা ব্যথার কারণ মনে করে না। বিশেষ করে ভারতের ৭টি অঙ্গ রাজ্যের মধ্যে মনিপুরের জনসংখ্যার শতকরা ৮০ভাগ হচ্ছে খ্রিষ্টান। বাকি ৬ টি রাজ্যেও ৬০ ভাগ লোক খৃস্টান। আর সে কারণেই ভারতের নীতি-নির্ধারকরা মনে করেন এই জনপদকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে যে রুটে বর্তমানে যাতায়াত করা হচ্ছে তা পর্যাপ্ত নয়। তাই তাদের আরো বড় ও সহজ করিডোর দরকার।