Awami League MP Abdul Jalil on Thursday urged the BNP to take up the challenge by Sheikh Selim and prove that its founder Gen Ziaur Rahman's dead body was buried at the parliament premises. The prime minister's cousin Selim on February 2 challenged the main opposition to come up with evidence that slain president Ziaur Rahman's body was laid to rest at Sher-e-Bangla Nagar.
He said that nobody including family members had seen the dead body of Zia, who was killed in a failed military coup in Chittagong on May 31 1981, when he was buried. Zia's corpse was thrown in the Bay of Bengal, said Selim, an Awami League presidium member. "Senior Awami League MP Sheikh Selim has made a proposal (to the BNP). If you have the courage take up the challenge," Jalil told parliament Thursday, while delivering his speech on the president's address.
"Let people know what was placed in the so called majar or grave," said the former general secretary of the ruling Awami League Jalil who was punished for his outspoken comments on prime minister Sheikh Hasina. Jalil asked the opposition to come to parliament and criticise the government, including prime minister's recent India visit, there.
-bdnews

Comments
Find the link to the video here
Selim Confesses Taking Bribe
Selim's challange accepted
First Sk. Selim must prove that it was thrown to the Bay of Bengal. If he cannot prove this he must resign from parliament for misleading mass population of Bangladesh with lies. BNP should also file defamation case against him and urge him to prove that indeed the dead body was thrown to the Bay of Bengal. Only then we accept the challenge why should we run after a "CHIL" when foul people says "NAK CHILE NIYE GELO".
Regards.
By the way please have a look at this video and ask Sk. Selim to explain the video below:
Selim Confesses that he took millions of Dollars for himself and Hasina--- Where is the money now???
Thanks for the reminder of Sk 's corruption
This dynasty is the reason Bangladesh will turn into Shikkim
Bangashatru wanted dreamt of such a situation when he can hand over to India just like Sikkim did.
All Indian Razakar are supporting Sk Mujib and Hasina like dogs. Shame on this RAZAKARS these are the enemy of state and needs to get ride of .
Fought against Pakistan and razakars now it time to beat this Indian Razakars.
এই সেই আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল জলিল ও শেখ সেলিম ???
বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে রিমান্ডে নেয়া হলে আওয়ামী লীগ নেতা আব্দুল জলিল ও শেখ সেলিম উভয়েই তাদের জিজ্ঞাসাবাদে বলেছিলেন যে, শেখ হাসিনা হাজার হাজার কোটি টাকার সম্পদের মালিক, এ সম্পদের বেশীর ভাগ তিনি বিদেশে তার ছেলে সজিব ওয়াজেদ জয়, মেয়ে পুতুল ও বোন রেহানার নামে রেখেছেন। আমেরিকায় ছেলের নামে ব্যাংকে টাকা রাখা ছাড়াও বিপুল সম্পদ করেছেন, মেয়ের নামে ব্যাংকে টাকা রেখেছেন। এছাড়াও তার বোন রেহানার নামে লণ্ডনে বাড়ী গাড়ী ছাড়াও বিভিন্ন সম্পদ এবং ব্যাংক ব্যালেন্স আছে।
জলিলের জবানবন্দী অনুযায়ী শেখ হাসিনা নিজ হাতে উতকোচের টাকা নিতেন এবং তার মত করে রাখতেন। বেশ কয়েকজন ব্যবসায়ী তাকে বিদেশের ব্যাংক থেকে উতকোচ দিয়েছেন বলে তিনি জানিয়েছেন।তার বক্তব্য অনুযায়ী চেকে নিলে সমস্যা হতে পারে এজন্য তিনি ঘুষের টাকা ব্যাগ, বস্তা বা সুটকেসে করে নিতেন। তিনি আরো বলেছেন যে, প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে তিনি বেশীরভাগ ক্ষেত্রে গণভবনে টাকা নিতেন, পরে সুধা সদনে। জলিলের মতে আওয়ামী লীগের শাসনামলে একেকটি ব্যাংকের অনুমোদন দেয়ার জন্য শেখ হাসিনাকে তিন কোটি টাকা দিতে হতো। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টা ও এক্সিম ব্যাংকের চেয়ারম্যান মঞ্জুর ইলাহী শেখ হাসিনাকে তিন কোটি টাকা দিয়েছিলেন। একইভাবে ডাঃ ইকবালও শেখ হাসিনাকে তিন কোটি টাকা দিয়ে ব্যাংক খোলার অনুমতি সংগ্রহ করেছেন বলে তিনি জানিয়েছেন আবার বসুরা গ্রুপ শেখ হাসিনাকে প্রতিমাসে ১০ লাখ টাকা দিত বলে তিনি জানিয়েছেন। এ ছাড়াও তারা বসুরা সিটিতে তাকে এক বিঘার একটি প্লট উপহার দিয়েছে বলে তিনি জানিয়েছেন। এই প্লটটি শেখ হাসিনা শেখ রেহানার নামে করিয়ে নিয়েছেন। ''জয়ের সম্পদ ও দুর্নীতি থেকে এখন প্রমাণিত হচ্ছে যে, জলিল ও সেলিম যে জবাববন্দী দিয়েছিলেন তা মিথ্যে নয়। হয়তো এমন একদিন আসবে যে, প্রকৃত সত্য সবার সামনে উন্মোচিত হবে।হাসিনা হলে আওয়ামী জঙ্গিবাদের মহারানী। তার অধিনে আওয়ামী জঙ্গিবাহীনি বেপরোয়া চাঁদা আদায় করা শুরু করছে। কেউ কিছুই বলতে পারছে না। কিছু বললেই শূরু হয়ে যাচ্ছে অত্যাচার।
Crime and criminals
False Sheikh is false so, it is Selim's duty to prove Zia's body was thrown away in Bay of Bengal. People will only believe his claim if he admit he was involved in murder and so know better than lots of other, but that will not change people mind to go his Majar. By going to Sahid Minar People show how to respect the martyrs.
আমরা ঘৃণা করি এবং ধিক্কার জানাই।
যুক্তরাজ্যে জলিলের ওপর হামলা হলো এবং হঠাৎ দেখা গেল যে ঐদেশে প্রবাসী সাংবাদিক কলামিস্ট আব্দুর গাফফার চৌধুরী তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন এবং দু'ঘণ্টা যাবত কথাবার্তা বললেন। তার ওপর হামলা ও এই বৈঠকের পর তার সুর নেমে আসল এবং তিনি নিজেই নিজেকে মানসিক ভারসাম্যহীন বলে ঘোষণা করলেন। জনাব গাফফার চৌধুরী তার মানসিক চিকিৎসক ছিলেন কিনা আমার জানা নেই। তবে অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে যে, সত্য প্রকাশের যে ঘোষণা তিনি দিয়েছিলেন তার পরিপ্রেক্ষিতে আওয়ামী লীগের কিল ঘুষি ও লগি বৈঠা থেরপির হুমকিই তার মানসিক ভারসাম্যের ওপর হয়ত প্রভাব ফেলেছে।মানসিক স্বাস্থ্য দিবসের সেমিনারে যে সোয়া দুই কোটি মানসিক রোগীর তথ্য দেয়া তাদের মধ্যে জনাব জলিল, উচ্চতর আদালতের সার্টিফিকেটধারী ‘রং হেডেড’ বোন শেখ হাসিনার ‘রং হেডেড’ ভাই শেখ সেলিম প্রমুখ অন্তর্ভুক্ত আছেন কি না; যদি না থাকেন তাহলে এই সংখ্যা আরো বাড়বে। সংখ্যা যাই হোক। এদের চিহ্নিত করা প্রয়োজন এবং ইতোমধ্যে সুস্থ মস্তিষ্ক ভোটারদের নিয়ে মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা করা অপরিহার্য। সরকার জাতীয় স্বার্থে বিষয়টি বিবেচনা করতে পারেন।
নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদ সদস্যদের বাচনভঙ্গি আর লাশকাটা ঘরের (মর্গ) চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীর মুখের ভাষা যদি একাকার হয়ে যায়, তবে গণতন্ত্রের শত্রুরা অট্টহাসিতে ফেটে পড়লেও চিন্তাশীল লোকজনের কপালে দুশ্চিন্তার ভাঁজ পড়তে বাধ্য। গত মঙ্গলবার তেমন একটা কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলেছেন আওয়ামী লীগ দলীয় এমপি শেখ ফজলুল করিম সেলিম, জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাবের পক্ষে বক্তব্য রাখতে গিয়ে। একেবারে অপ্রাসঙ্গিকভাবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের লাশ নিয়ে তিনি অত্যন্ত আপত্তিকর ভাষা ও ভঙ্গিতে যেসব কথা বলেছেন, সেগুলোর সঙ্গে বস্তির কলতলার কোমর বেঁধে চেঁচামেচির তুলনা করা চলে; যদিও আলোচ্য ক্ষেত্রে প্রতিপক্ষ ছিল অনুপস্থিত। তিনি বলেছেন, ‘রাষ্ট্রপতি মারা গেলে তার লাশের ছবি সরকারের কাছে থাকার কথা। জিয়াউর রহমান মারা যাওয়ার পর তার ছবি দেখানো হয়নি। আমি চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি, ওই মাজারে জিয়াউর রহমানের লাশ থাকলে তিন দিনের মধ্যে তার ছবি প্রকাশ করুন। আর লাশ না থাকলে ওই বাক্স তুলে পানিতে ফেলে দিতে হবে।’ শেখ সেলিম জিয়াউর রহমানের লাশের সত্যতা প্রমাণে ডিএনএ টেস্টের দাবি করেছেন। শহীদ জিয়ার মাজারে বিভিন্ন উপলক্ষে শ্রদ্ধা জানানোর জন্য যে মানুষের ঢল নামে, তাতে নিজের উষ্মার কথাও তিনি প্রকাশ করেছেন কুরুচিকরভাবে। একই বক্তৃতায় শেখ সেলিম সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও সংসদে বিরোধীদলীয় নেত্রী খালেদা জিয়াকে ‘কুটনি বুড়ি’ বলে গালি দিয়েছেন। শেখ সেলিম মইনউদ্দিন সরকারের সময় গ্রেফতার এবং রিমান্ডে চরমভাবে নির্যাতনের শিকার হলেও আশ্চর্যজনকভাবে তার যত বিদ্বেষ জিয়াউর রহমান এবং বিএনপির ওপর। জরুরি সরকারের কয়েদখানায় দলীয় সভানেত্রীর বিরুদ্ধে তিনি যেসব স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছিলেন তার অডিও ক্যাসেট সেই সময় মানুষের হাতে হাতে ফিরেছে।
অবশ্য শিষ্টাচার-বহির্ভূত কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দেয়া তার আগে শুরু করেছেন তারই দলনেত্রী এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য সাবেক মন্ত্রী শেখ সেলিম এমপি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আপন ফুফাতো ভাই হলেও এবার মহাজোট মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পাননি। তাই অন্ধ আক্রোশে মণিহারা ফণির মতো এদিক-সেদিকে ছোবল মারতে গিয়ে নিজের ভাবমূর্তিকেই তিনি ক্ষতবিক্ষত করে তুলছেন। তিনি খুব ভালো করেই জানেন, নিজের অস্তাচলগামী রাজনৈতিক ক্যারিয়ার নিয়ে শহীদ জিয়ার মহীরুহতুল্য ভাবমূর্তির ধারেকাছে যাওয়ার সাধ্যও তার নেই। সময়ের ডাকে সাড়া দিয়ে সঠিক সময়ে সঠিক কাজটি সম্পন্ন করে জিয়াউর রহমান সৈনিক থেকে স্বাধীনতার ঘোষক, স্বাধীনতার ঘোষক থেকে বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং বীর মুক্তিযোদ্ধা থেকে আধুনিক বাংলাদেশের ভিত্তি রচয়িতায় রূপান্তরিত হয়েছিলেন। আপন যোগ্যতায় তিনি হয়েছেন ইতিহাসের মহানায়ক।
শেখ সেলিম রাষ্ট্রপতি মারা গেলে তার লাশের ছবি থাকার প্রসঙ্গ টেনেছেন। স্বাভাবিক মৃত্যুর ক্ষেত্রে কথাটা খাটে। কিন্তু অস্বাভাবিক মৃত্যুর ক্ষেত্রে বিষয়টা বাধ্যতামূলক নয়। বিমান দুর্ঘটনায় নিহত পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট জিয়াউল হক, আত্মঘাতী তামিল গেরিলাদের বোমা হামলায় নিহত ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী রাজীব গান্ধী এবং বিমান দুর্ঘটনায় নিহত জাতিসংঘের দ্বিতীয় মহাসচিব দাগ হ্যামার শেল্ডের লাশের কোনো ছবি নেই। তাই বলে তাদের মৃত্যু এবং লাশ নিয়ে শেখ সেলিমের মতো অশালীন কথাবার্তা কেউ বলেনি। প্রশ্ন উঠতে পারে, একাধিকবার নির্বাচিত সংসদ সদস্য শেখ সেলিম কেন সংসদীয় ভব্যতা বিসর্জন দিয়ে এভাবে লাগামহীন কথাবার্তা বলতে গেলেন। কেন প্রধানমন্ত্রী এবং শেখ সেলিম রাজনৈতিক শিষ্টাচার এভাবে বিসর্জন দিচ্ছেন, সেই প্রশ্ন দেশের প্রত্যেক নাগরিকের। কারণ এই হতে পারে যে, আওয়ামী লীগ চাইছে না বিরোধী দল সংসদে এসে অন্যান্য বার্নিং ইস্যুগুলো নিয়ে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখুক। তাই বিএনপিকে ক্ষেপিয়ে তোলার জন্য তাদের এই অসংসদীয় আচরণ। নইলে স্পিকার শেখ সেলিমের বক্তব্যের অসংসদীয় অংশ এক্সপাঞ্জ করতেন। যে বুদ্ধিতেই শেখ সেলিম এই আচরণ করুন না কেন, সেটা সুবুদ্ধি নয়, দুর্বুদ্ধি। ধর্মীয় বিবেচনাতেও মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে এ ধরনের মন্তব্য কেবল অনভিপ্রেতই নয়, ধর্মীয় বিধানেরও সুস্পষ্ট লঙ্ঘন। সংকীর্ণতার ঔরসে অমঙ্গলের গর্ভে জন্ম নেয়া এই দুর্বুদ্ধিকে আমরা ঘৃণা করি এবং ধিক্কার জানাই।