আওয়ামী লীগ ধর্মীয় স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে । ধর্ম নিয়ে অহেতুক বাড়াবারি কিংবা ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসাবে ব্যাবহার করেনা । মনে আছে ১৯৯৬ সালে খালেদা মানিকগঞ্জের এক নির্ব্বাচনী সভায় বলেছিলেন " আওয়ামী লীগকে ভোট দিলে বাংলাদেশে আর আযান শোনা যাবেনা , শোনা যাবে শুধু উলুধ্বনি " । ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরে আপনারা আযান শোনতে পাননি ?ভন্ড , মিথ্যুক প্রতারক নেত্রীর অনুসারীরা নেত্রীর মত ধর্ম নিয়া ব্যাবসা করবে এ আর নতুন কি !!!!
Comments
সেলিম ছিঃ সাহেব
আওয়ামী লীগ ধর্মীয় স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে । ধর্ম নিয়ে অহেতুক বাড়াবারি কিংবা ধর্মকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসাবে ব্যাবহার করেনা । মনে আছে ১৯৯৬ সালে খালেদা মানিকগঞ্জের এক নির্ব্বাচনী সভায় বলেছিলেন " আওয়ামী লীগকে ভোট দিলে বাংলাদেশে আর আযান শোনা যাবেনা , শোনা যাবে শুধু উলুধ্বনি " । ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পরে আপনারা আযান শোনতে পাননি ?ভন্ড , মিথ্যুক প্রতারক নেত্রীর অনুসারীরা নেত্রীর মত ধর্ম নিয়া ব্যাবসা করবে এ আর নতুন কি !!!!
বুঝলেন না?
ধর্মনিরপেক্ষ ইফতার
এ হলো আওয়ামী লীগের ধর্মনিরপেক্ষ ইফতার
ওরা নাকি ধম নিয়া রাজনীতি করেনা|
শেখ হাচিনা ও আওয়ামি বাকশালিরা কিছুদিন পুবেও ইফতার নিয়েও বিএনপি ও খালেদার সমালোচনা করিত।ইদানিং ওরা কি ফরহেজগার বনিয়া গেল?আওয়ামি বাকশালিদের রং এত তাড়াতাড়ি বদলে গেল,দিন বদলের সাথে সাথে।ওরা নাকি ধম নিয়া রাজনীতি করেনা,শুধু বিএনপি ও জামাতীরাই করে।হজ ওমরার রাজনীতির পর এবার দিদিমণি ইফতারীর রাজনীতি শুরু করিয়াছেন।