-বাংলাদেশী দলের টিপাইমুখ সফর, ভারতীয় মন্ত্রীদের আশ্বাস সবই আইওয়াশ
-সরকার নিঃশর্তে ভারতকে টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের বৈধতা দিয়েছে
- বাংলাদেশী জনগণের অভিমত, প্রতিবাদ কোন কিছুরই তোয়াক্কা করা হচ্ছে না
গোটা দেশবাসীর মতামত উপেক্ষা করে টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের জন্য ভারতকে আনুষ্ঠানিকভাবেই বৈধতা দিতে যাচ্ছে সরকার।যত দ্রুত সম্ভব এই প্রক্রিয়া শেষ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।নামমাত্র একটি দল সমর্থিত বিশেষজ্ঞ কমিটিও গঠনের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত।কথিত এই বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের উদ্দেশ্য লোক দেখানো।অপরদিকে দেশের শীর্ষ পরিবেশ ও পানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের বৈধতা দেয়া মানেই গোটা জাতির সর্বনাশ করা।এটা হবে আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত।অন্যদিকে ভারত টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্প নির্মাণের কাজ আঞ্চলিক সংস্থার হাত থেকে অধিক শক্তিশালী কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে দেয়া হচ্ছে।অতি গোপনে ভারত সরকার NEEPCO'র হাত থেকে টিপাইমুখ বাঁধের দায়িত্ব NHPC-কে দেয়া হচ্ছে।
টিপাইমুখ পরিদর্শনের নামে ভারত ঘুরে আসা সরকারি সংসদীয় প্রতিনিধি দল গত বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর সাথে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করেছেন। প্রতিনিধিদলের নেতা আবদুর রাজ্জাক সাংবাদিকদের জানান,‘‘টিপাইমুখ পরিদর্শনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়েছে।যে তথ্য উপাত্ত পাওয়া গেছে তা প্রধানমন্ত্রীকে দেয়া হয়েছে।আমরা প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছি যে, ভারতের দু'জন মন্ত্রীর সাথে আমাদের কথা হয়েছে।তারা বলেছেন, বাংলাদেশের ক্ষতি হয়, এমন কিছু ভারত করবে না’’।আবদুর রাজ্জাক সাংবাদিকদের আরো বলেন, ভারত পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র করবে, বাঁধ নির্মাণ করবে না।
টিপাইমুখ পরিদর্শনের নামে ভারত ঘুরে আসা সংসদীয় দলের বক্তব্য নিয়েও বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে।তারা পরস্পর বিরোধী বক্তব্য রাখছেন, আবার এক এক সময় এক এক কথাও বলছেন।তারা বলেছেন, কিছু তথ্য উপাত্ত পেয়েছেন,অথচ তারাই বলেছেন যে, ভারতের কাছে তথ্য-উপাত্ত চাওয়া হয়েছে।এর আগে পররাষ্ট্র মন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি বলেছিলেন যে, ভারত টিপাইমুখ বাঁধের তথ্য-উপাত্ত দিয়েছে।কিন্তু পানি সম্পদ মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন বললেন, না, ভারত তথ্য উপাত্ত দেয়নি।ভারত যদি তথ্য-উপাত্ত দিয়েই থাকে তবে তা জনগণের কাছে প্রকাশ করা উচিত।কারণ দেশের মানুষ জানতে চায় যে, ভারত টিপাইমুখে কি করতে যাচ্ছে।এটা বাংলাদেশের মানুষের জীবন-মরণ সমস্যা। সরকার যদি মনে করেন যে, জনগণকে অন্ধকারে রেখে কিছু করবেন, তবে সেটা ইতিবাচক নাও হতে পারে।ভারতের কাছে সরকারিভাবে তথ্য-উপাত্ত চাইতে হবে। সরকারি পর্যায়ে চাওয়া হলে তখন বুঝা যাবে যে আসলে ভারত কি চায়।আর এসব বিভ্রান্তি না ছড়িয়ে সরকারের উচিত জরুরি ভিত্তিতে জেআরসি'র বৈঠক ডাকা।এই বৈঠক ডেকে তথ্য-উপাত্ত নিয়ে আলোচনা করা এবং বাংলাদেশের পক্ষ থেকে টিপাইমুখ বাঁধে ক্ষতির বিষয় তুলে ধরে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ করা।
এদিকে টিপাইমুখ বাঁধের বিরুদ্ধে দেশবাসী সোচ্চার।সরকার যদি জনগণকে অন্ধকারে রেখে কিছু করতে যায় তবে সেটা হবে আত্মঘাতীমূলক। সরকারকে জনগণের মতামতের বিপক্ষে যাওয়া উচিত হবে না।সাবেক সচিব আসাফ উদৌলা মনে করেন, টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে সরকারের অবস্থান দেশের ও জাতির স্বার্থে হওয়া দরকার। সিলেট বিভাগ উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি এডভোকেট আবেদ রাজা বলেছেন, আমরা এই বাঁধের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যাবো।
টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা গোটা দেশবাসীকে বিভ্রান্ত করছেন।ভারত সফরে গিয়ে সরকারি সংসদীয় প্রতিনিধি দল দেশে ফিরেছেন কোনো ইতিবাচক ফলাফল ছাড়াই।দিল্লিতে প্রতিনিধি দল ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রীর সাথে বৈঠক করেছেন, এমন খবর বাংলাদেশে সরকারি প্রচার মাধ্যমে দেশবাসী জানতে পারে। আসলে প্রতিনিধি দল কি করেছেন, তারাই ভাল বলতে পারবেন।তারা বলছেন যে, টিপাইমুখ সম্পর্কে তথ্য উপাত্ত চেয়েছেন, এখন কি তথ্য উপাত্ত দিয়েছে? দিল্লি থেকে গৌহাটি গেলেন।দু'দিন হেলিকপ্টারে উড়ে টিপাইমুখ পরিদর্শনে গেলেন।আবহাওয়া খারাপ ছিল বলে নামতে পারেননি।সাদা মেঘ তাদের হেলিকপ্টার অবতরণে বাঁধার সৃষ্টি করেছে।তবে তারা খারাপ আবহাওয়ার মধ্যে এটা দেখতে পেয়েছেন যে, টিপাইমুখে কোনো অবকাঠামো নেই।আরো দেখতে পেয়েছেন যে, টিপাইমুখের কাছে একটি ভিত্তিপ্রস্তর আছে।আবার এও বলেছেন যে, দক্ষ পাইলট দিয়ে চালানো হেলিকপ্টার ৩০টি চক্কর দিয়েছেন কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে নামতে পারেননি।অর্থাৎ তাদের বক্তব্য জনগণের মধ্যে আরো সন্দেহের জন্ম দিয়েছে। সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কথায় এবং কাজেই প্রমাণ করে যে টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণে বাংলাদেশ সরকারের কোনো আপত্তি নেই।
এদিকে ভারতের Econimic Times (২২ জুলাই, ০৯) খবর দিয়েছে টিপাইমুখ প্রকল্পের দায়িত্ব ভারত সরকার North Easter Econimic Power Corporation (NEEPCO)-এর কাছ থেকে জাতীয় পর্যায়ের National Hydel Power Company-র হাতে তুলে দিচ্ছে। আরও বেশি পুঁজি, আরও বেশি ক্ষমতা নিয়ে এই কোম্পানী সামনে অগ্রসর হচ্ছে। অর্থাৎ বাংলাদেশের সাথে আলোচনা, বাংলাদেশী প্রতিনিধি দলের টিপাইমুখ দর্শন, ভারতীয় কর্তাব্যক্তিদের আশ্বাস সবই আইওয়াশ। ভারত বাংলাদেশের কথা, প্রতিবাদ কিছুরই তোয়াক্কা করে না। অতীতে তাই ঘটেছে, এখনও সেটাই ঘটছে।
সাত কোটি মানুষ ঝুঁকির মুখে পড়বে- বলে আশঙ্কা ব্যক্ত করেছেন মণিপুর ভিত্তিক সেন্টার ফর অরগানাইজেশন রিসার্চ অ্যান্ড এডুকেশন (কোর) এর নির্বাহী পরিচালক আনাস্তাশিয়া ক্রিস্টালিনা পিন্টো।
------- টিপাইমুখ বাঁধ বাংলাদেশের জন্য হুমকি হবে না: সফরকারী প্রতিনিধিদল
-------এমনিতে কি লোকে বলে, কয়লা ধুলে ময়লা যায় না
-------কুকুরের প্রভুভক্তির অনেক কথায় আমরা শুনেছি, এবার আরো নতুন কিছু শুনবো
Comments
বাংলাদেশী জনগণের অভিমত,প্রতিবাদ কোন কিছুরই তোয়াক্কা করা হচ্ছেনা|
-বাংলাদেশী দলের টিপাইমুখ সফর, ভারতীয় মন্ত্রীদের আশ্বাস সবই আইওয়াশ
-সরকার নিঃশর্তে ভারতকে টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের বৈধতা দিয়েছে
- বাংলাদেশী জনগণের অভিমত, প্রতিবাদ কোন কিছুরই তোয়াক্কা করা হচ্ছে না
গোটা দেশবাসীর মতামত উপেক্ষা করে টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের জন্য ভারতকে আনুষ্ঠানিকভাবেই বৈধতা দিতে যাচ্ছে সরকার।যত দ্রুত সম্ভব এই প্রক্রিয়া শেষ করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।নামমাত্র একটি দল সমর্থিত বিশেষজ্ঞ কমিটিও গঠনের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত।কথিত এই বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠনের উদ্দেশ্য লোক দেখানো।অপরদিকে দেশের শীর্ষ পরিবেশ ও পানি বিশেষজ্ঞরা বলছেন, টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণের বৈধতা দেয়া মানেই গোটা জাতির সর্বনাশ করা।এটা হবে আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত।অন্যদিকে ভারত টিপাইমুখ বাঁধ প্রকল্প নির্মাণের কাজ আঞ্চলিক সংস্থার হাত থেকে অধিক শক্তিশালী কেন্দ্রীয় সংস্থার হাতে দেয়া হচ্ছে।অতি গোপনে ভারত সরকার NEEPCO'র হাত থেকে টিপাইমুখ বাঁধের দায়িত্ব NHPC-কে দেয়া হচ্ছে।
টিপাইমুখ পরিদর্শনের নামে ভারত ঘুরে আসা সরকারি সংসদীয় প্রতিনিধি দল গত বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর সাথে আনুষ্ঠানিক বৈঠক করেছেন। প্রতিনিধিদলের নেতা আবদুর রাজ্জাক সাংবাদিকদের জানান,‘‘টিপাইমুখ পরিদর্শনের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়েছে।যে তথ্য উপাত্ত পাওয়া গেছে তা প্রধানমন্ত্রীকে দেয়া হয়েছে।আমরা প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছি যে, ভারতের দু'জন মন্ত্রীর সাথে আমাদের কথা হয়েছে।তারা বলেছেন, বাংলাদেশের ক্ষতি হয়, এমন কিছু ভারত করবে না’’।আবদুর রাজ্জাক সাংবাদিকদের আরো বলেন, ভারত পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্র করবে, বাঁধ নির্মাণ করবে না।
টিপাইমুখ পরিদর্শনের নামে ভারত ঘুরে আসা সংসদীয় দলের বক্তব্য নিয়েও বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে।তারা পরস্পর বিরোধী বক্তব্য রাখছেন, আবার এক এক সময় এক এক কথাও বলছেন।তারা বলেছেন, কিছু তথ্য উপাত্ত পেয়েছেন,অথচ তারাই বলেছেন যে, ভারতের কাছে তথ্য-উপাত্ত চাওয়া হয়েছে।এর আগে পররাষ্ট্র মন্ত্রী ডাঃ দীপু মনি বলেছিলেন যে, ভারত টিপাইমুখ বাঁধের তথ্য-উপাত্ত দিয়েছে।কিন্তু পানি সম্পদ মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন বললেন, না, ভারত তথ্য উপাত্ত দেয়নি।ভারত যদি তথ্য-উপাত্ত দিয়েই থাকে তবে তা জনগণের কাছে প্রকাশ করা উচিত।কারণ দেশের মানুষ জানতে চায় যে, ভারত টিপাইমুখে কি করতে যাচ্ছে।এটা বাংলাদেশের মানুষের জীবন-মরণ সমস্যা। সরকার যদি মনে করেন যে, জনগণকে অন্ধকারে রেখে কিছু করবেন, তবে সেটা ইতিবাচক নাও হতে পারে।ভারতের কাছে সরকারিভাবে তথ্য-উপাত্ত চাইতে হবে। সরকারি পর্যায়ে চাওয়া হলে তখন বুঝা যাবে যে আসলে ভারত কি চায়।আর এসব বিভ্রান্তি না ছড়িয়ে সরকারের উচিত জরুরি ভিত্তিতে জেআরসি'র বৈঠক ডাকা।এই বৈঠক ডেকে তথ্য-উপাত্ত নিয়ে আলোচনা করা এবং বাংলাদেশের পক্ষ থেকে টিপাইমুখ বাঁধে ক্ষতির বিষয় তুলে ধরে আনুষ্ঠানিক প্রতিবাদ করা।
এদিকে টিপাইমুখ বাঁধের বিরুদ্ধে দেশবাসী সোচ্চার।সরকার যদি জনগণকে অন্ধকারে রেখে কিছু করতে যায় তবে সেটা হবে আত্মঘাতীমূলক। সরকারকে জনগণের মতামতের বিপক্ষে যাওয়া উচিত হবে না।সাবেক সচিব আসাফ উদৌলা মনে করেন, টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে সরকারের অবস্থান দেশের ও জাতির স্বার্থে হওয়া দরকার। সিলেট বিভাগ উন্নয়ন পরিষদের সভাপতি এডভোকেট আবেদ রাজা বলেছেন, আমরা এই বাঁধের বিরুদ্ধে আন্দোলন চালিয়ে যাবো।
টিপাইমুখ বাঁধ নিয়ে সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা গোটা দেশবাসীকে বিভ্রান্ত করছেন।ভারত সফরে গিয়ে সরকারি সংসদীয় প্রতিনিধি দল দেশে ফিরেছেন কোনো ইতিবাচক ফলাফল ছাড়াই।দিল্লিতে প্রতিনিধি দল ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রীর সাথে বৈঠক করেছেন, এমন খবর বাংলাদেশে সরকারি প্রচার মাধ্যমে দেশবাসী জানতে পারে। আসলে প্রতিনিধি দল কি করেছেন, তারাই ভাল বলতে পারবেন।তারা বলছেন যে, টিপাইমুখ সম্পর্কে তথ্য উপাত্ত চেয়েছেন, এখন কি তথ্য উপাত্ত দিয়েছে? দিল্লি থেকে গৌহাটি গেলেন।দু'দিন হেলিকপ্টারে উড়ে টিপাইমুখ পরিদর্শনে গেলেন।আবহাওয়া খারাপ ছিল বলে নামতে পারেননি।সাদা মেঘ তাদের হেলিকপ্টার অবতরণে বাঁধার সৃষ্টি করেছে।তবে তারা খারাপ আবহাওয়ার মধ্যে এটা দেখতে পেয়েছেন যে, টিপাইমুখে কোনো অবকাঠামো নেই।আরো দেখতে পেয়েছেন যে, টিপাইমুখের কাছে একটি ভিত্তিপ্রস্তর আছে।আবার এও বলেছেন যে, দক্ষ পাইলট দিয়ে চালানো হেলিকপ্টার ৩০টি চক্কর দিয়েছেন কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে নামতে পারেননি।অর্থাৎ তাদের বক্তব্য জনগণের মধ্যে আরো সন্দেহের জন্ম দিয়েছে। সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের কথায় এবং কাজেই প্রমাণ করে যে টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণে বাংলাদেশ সরকারের কোনো আপত্তি নেই।
এদিকে ভারতের Econimic Times (২২ জুলাই, ০৯) খবর দিয়েছে টিপাইমুখ প্রকল্পের দায়িত্ব ভারত সরকার North Easter Econimic Power Corporation (NEEPCO)-এর কাছ থেকে জাতীয় পর্যায়ের National Hydel Power Company-র হাতে তুলে দিচ্ছে। আরও বেশি পুঁজি, আরও বেশি ক্ষমতা নিয়ে এই কোম্পানী সামনে অগ্রসর হচ্ছে। অর্থাৎ বাংলাদেশের সাথে আলোচনা, বাংলাদেশী প্রতিনিধি দলের টিপাইমুখ দর্শন, ভারতীয় কর্তাব্যক্তিদের আশ্বাস সবই আইওয়াশ। ভারত বাংলাদেশের কথা, প্রতিবাদ কিছুরই তোয়াক্কা করে না। অতীতে তাই ঘটেছে, এখনও সেটাই ঘটছে।
প্রভুভক্তি
সাত কোটি মানুষ ঝুঁকির মুখে পড়বে- বলে আশঙ্কা ব্যক্ত করেছেন মণিপুর ভিত্তিক সেন্টার ফর অরগানাইজেশন রিসার্চ অ্যান্ড এডুকেশন (কোর) এর নির্বাহী পরিচালক আনাস্তাশিয়া ক্রিস্টালিনা পিন্টো।
-------
টিপাইমুখ বাঁধ বাংলাদেশের জন্য হুমকি হবে না: সফরকারী প্রতিনিধিদল
-------এমনিতে কি লোকে বলে, কয়লা ধুলে ময়লা যায় না
-------কুকুরের প্রভুভক্তির অনেক কথায় আমরা শুনেছি, এবার আরো নতুন কিছু শুনবো
এহেন নির্লজ্জ রাজ্জাকের প্রেরণার উৎস কে? মুজিব
Save Bangladesh: No more farakka
রাজ্জাক হল আওয়ামী দালাল
রাজ্জাককে আওয়ামী দালাল হিসাবে সবাই মনে রাখবে। রাজ্জাকের পরিনতি হবে মিরজাফরের মত।