এই শালারা সব সময়ই প্রথম আলোর বিরুদ্ধে গলাবাজী করে । আবার এই পত্রিকায় যখন নিজেগো
পছন্দের কিছু পায় , সেইটাকে আবার কামে লাগায় । এই তালেবানদের দিকে থু থু ছিটাইতেও
ঘৃনা লাগে ।
শোনা যাচ্ছে তাপসকে মেয়র প্রার্থী করা হবে, তার প্রতি মানুষের করুনা ও তার ব্যাপক প্রচারের জন্যই একাজ করেছে। সত্য মিথ্যা জানিনা তবে রেন্টু সাহেবের বই পড়লে সত্যই মনে হয়।এতে দুইটা লাভা একটা তার প্রচার বাড়ান ও মানুষের করুনা লাভ, অন্যদিকে এই ঘটনাকে উছিলা করে বিরোধিদের ঠ্যাংগান। ইতিপূর্বে কামরান সাহেবও একই ঘটানা ঘটিয়ে উপকার পেয়েছে।যুবলীগ দাবিকরেছে 28শে অক্টোবরের বীজয় তাদের 29শে ডিসেম্বরের বীজয় এনে দিয়েছে! প্রকাশ্যে রাজপথে সাপেরমত পিটিয়ে মানুষ মারা যদি রাজ নৈতিক বিজয় এনেদেয় তবে সেই রাজনিতীকে ঘৃনা করি, তেমনি ঘৃনা করি বোমাবাজি করে ইসলাম প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিকেও আর যারা গলাকেটে বন্দুকের নলদিয়ে কমিউনিজম প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখে তাদেরও। বোমা যখন স্বাশকদের জন্য এত উপকারি তাহলে মাঝে মাধ্যে 2/1 টা বোমা ট্যাবলেট গ্রেনেড ক্যাপসুল খেলে ক্ষতি কি? সত্যিই সেলুকাস আমাদের নোংড়া চরিত্রের কিছু রাজনীতি বিদ, সমাজ পতি, পুজিপতি, স্বর্থপর ধর্মব্যবসায়ী। এদের হাতথেকে কি অসহায় মানুষের কোনদিন মুক্তি নেই?
All gov activities suddenly diverted towards the prosecution process; whole countries' attention is fixed on the prosecutions.
Criminals must be prosecuted, but it should not be the main focus of the gov. Whole admin is engaged to support the gov with Taposh bombing, Sheikh killing, grenade attack, arms smuggle cases. The whole system is standing still.
আগে ছোট ছোট পোলাপানেরা দুষ্টামি করে একে অপরকে বলতো যে “ভাস্কদাগামার বন্দুক” দিয়ে গুলি করবো। আসলে “ভাস্কদাগামার বন্দুক” বলতে তারা বুঝাতো যে এই বন্দুক দিয়ে নাকি লক্ষ্য নিয়ে তেমন চিন্তা করার কোন প্রয়োজন নেই কারন শুধু নাকি “নাম” মুখে নিয়ে ট্রিগার টিপ দিলেই নাকি এটা লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম এমনকি প্রয়োজনে আকাইয়া বাকাইয়াও চলতে সক্ষম।
যদিও এধরনের কথাকে নিতান্তই কৌতুক মনে হত তারপরেও এখন প্রযুক্তির উন্নতির সাথে সাথে অনেক ধরনের গাইডেড মিসাইল তৈরী হয়েছে কিন্ত আমাদের দেশে যে সবার অজান্তেই এক মহাআবিস্কার হয়ে গেছে যা হল এমন ধরনের বোমা বা বন্দুক যা ফাটাইলে বা গুলি করলে যে সমস্ত ব্যাক্তির নামের পূর্বে “শেখ” থাকবে তাদেরকে আঘাত করবে না তবে আশেপাশে সব মেরে ছারখার করে ফেলবে। যার সফল ব্যবহার আমরা ইতিমধ্যেই কয়েকবার দেখতে পেয়েছি।
হাসিনাকে হত্যার করতে গুলি করা হয়েছিল কিন্ত সেই গুলি কিনা স্থান পেল হাসিনার ভ্যানিটি বেগে!!! একুশে অগাষ্টের মিটিং হটাৎ করেই স্থানান্তরিত হয়েছিল কোন উদ্দ্যেশ্যে এবং কে করেছিল। এতো বড় একটি হামলা করার জন্যে অবশ্যই পূর্ব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছিল কিন্ত হামলাকারিরা নতুন সভাস্থলের ব্যাপারটাকি আগে থেকেই জানতো? গ্রেনেড এর পর গ্রেনেড মেরে গন্ডায় গন্ডায় মানুষ মেরে ফেললো কিন্ত হাসিনার কাছে যে গ্রেনেডটি পরেছিল তা নাকি নিক্ষেপকারী “পিন” খুলতে ভুলে গিয়েছিল!!! হাসিনাকে মারার জন্যে ৭৬ কেজি ওজনের বোমা পাতা হল কিন্ত হাসিনা ৫ বছর ক্ষমতায় থেকেও সেই মুফতি হান্নানকে ধরতে ব্যার্থ হলো!!!
আওয়ামী লীগের শাসনামলে একের পর এক বোমা হামলা হল কিন্ত এরা ক্ষমতায় থেকেও কিছুই করতে পারলোনা। তাপসকে মারার জন্যে “ফোস্কা” মার্কা বোমা মারা হলো কিন্ত তাপসের কিছুই হলোনা, আসেপাশের কয়েকজন আহত হওয়া ছাড়া। সাথে সাথেই অবসর প্রাপ্ত সেনা অফিসার মোক্তিযোদ্ধা বীরবিক্রম কামরুল কে গ্রেফতার করে লীগের সন্ত্রাসী আইনজীবি ঘোষনা দিলেন যে কামরুলের কাছ থেকে নাকি এই বোমা হামলার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ন তথ্য পাওয়া গেছে, কিন্ত এখন জানা যাচ্ছে যে এব্যাপারে নাকি কোন তথ্যই পাওয়া যাচ্ছে না।
আবার এখন দেখা যাচ্ছে যে হাসিনাকে মারার জন্যে নাকি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা সংস্থা থেকে হাওয়া ভবন সহ অনেক মন্ত্রীও নাকি জরিত ছিলেন!!! একজন মানুষকে মারতে হলে একটা গুলিই যথেষ্ট অথচ একটি দেশের এত উচ্চপর্যায়ের সবাই এতো চেষ্ট করেও কিনা হাসিনাকে মারতে পারলোনা!!!
আসলে সন্ত্রাসীদের মৃত্যু সন্ত্রাসীদের হাতেই হয় সাধারনত, আর হাসিনা নিজেই বেশ ভালভাবেই জানেন যে তিনি কি আর তাই দেশের সর্বউচ্চ নিরাপত্তার মধ্যে থেকেও উনার জন্যে অতিরিক্ত নিরাপত্তা নিতে হয়। যারা লাশ আর রক্ত নিয়ে খেলে তারা শান্তিতে ঘুমাতেও পারেনা আর সবসময়েই ভিত থাকে, হাসিনাকে এখন সেই ভয়েই পেয়েছে, দিন টিন বদল করার আগে নিজেদের চরিত্র বদলান, দেখবেন সব ঠিক হয়ে গেছে।
ভুলে যাবেন না যে শেখ মুজিবর সাহেব কিন্ত হাসিনার চাইতে অনেক অনেক বেশী শক্তির অধিকারী ও অনেক রকম বাহিনী গঠন করে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই তারপর দেশের আজীবন ক্ষমতার অধিকারী হিসাবে নিজেকে ঘোষনা দিয়েছিলেন কিন্ত চরম অসহায়ের মৃত্যুলাভ করেছেন। তখন তাকে রক্ষা করার জন্যে নিরাপত্তা রক্ষিরা মানব ঢাল তৈরী করার করার কথা ছিল কিন্ত বেচারা তখন প্রান রক্ষার জন্যে কতজনের কাছে ফোন করছেন কিন্ত কেউ তাকে রক্ষা করতে না এসে বসে বসে মুচকী হাসি দিয়েছে।
Comments
সাবধান হুসিয়ার!
বিডি০৮ ভাই এই বোর্ডের একমাত্র সাচ্চা বাংলাদেশী। উনাকে নিয়ে যা তা বকবাজি করবেননা। পরিনামের জন্যে পরে আমাকে দায়ী করবেননা যেন। সাবধান!
বারো ভাতাইরাগো চরিত্র @ বিডি
এই শালারা সব সময়ই প্রথম আলোর বিরুদ্ধে গলাবাজী করে । আবার এই পত্রিকায় যখন নিজেগো
পছন্দের কিছু পায় , সেইটাকে আবার কামে লাগায় । এই তালেবানদের দিকে থু থু ছিটাইতেও
ঘৃনা লাগে ।
পোল... ইমেলার পোল বনাম প্রথম আলোর পোল
Save Bangladesh: No more farakka
বোমা স্বাশকদের জন্য উপকারি ?
শোনা যাচ্ছে তাপসকে মেয়র প্রার্থী করা হবে, তার প্রতি মানুষের করুনা ও তার ব্যাপক প্রচারের জন্যই একাজ করেছে। সত্য মিথ্যা জানিনা তবে রেন্টু সাহেবের বই পড়লে সত্যই মনে হয়।এতে দুইটা লাভা একটা তার প্রচার বাড়ান ও মানুষের করুনা লাভ, অন্যদিকে এই ঘটনাকে উছিলা করে বিরোধিদের ঠ্যাংগান। ইতিপূর্বে কামরান সাহেবও একই ঘটানা ঘটিয়ে উপকার পেয়েছে।যুবলীগ দাবিকরেছে 28শে অক্টোবরের বীজয় তাদের 29শে ডিসেম্বরের বীজয় এনে দিয়েছে! প্রকাশ্যে রাজপথে সাপেরমত পিটিয়ে মানুষ মারা যদি রাজ নৈতিক বিজয় এনেদেয় তবে সেই রাজনিতীকে ঘৃনা করি, তেমনি ঘৃনা করি বোমাবাজি করে ইসলাম প্রতিষ্ঠার পদ্ধতিকেও আর যারা গলাকেটে বন্দুকের নলদিয়ে কমিউনিজম প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন দেখে তাদেরও। বোমা যখন স্বাশকদের জন্য এত উপকারি তাহলে মাঝে মাধ্যে 2/1 টা বোমা ট্যাবলেট গ্রেনেড ক্যাপসুল খেলে ক্ষতি কি? সত্যিই সেলুকাস আমাদের নোংড়া চরিত্রের কিছু রাজনীতি বিদ, সমাজ পতি, পুজিপতি, স্বর্থপর ধর্মব্যবসায়ী। এদের হাতথেকে কি অসহায় মানুষের কোনদিন মুক্তি নেই?
Gov dedicated all resources to prosecutions?
All gov activities suddenly diverted towards the prosecution process; whole countries' attention is fixed on the prosecutions.
Criminals must be prosecuted, but it should not be the main focus of the gov. Whole admin is engaged to support the gov with Taposh bombing, Sheikh killing, grenade attack, arms smuggle cases. The whole system is standing still.
যারা লাশ আর রক্ত নিয়ে খেলে তারা শান্তিতে ঘুমাতে পারেনা
আগে ছোট ছোট পোলাপানেরা দুষ্টামি করে একে অপরকে বলতো যে “ভাস্কদাগামার বন্দুক” দিয়ে গুলি করবো। আসলে “ভাস্কদাগামার বন্দুক” বলতে তারা বুঝাতো যে এই বন্দুক দিয়ে নাকি লক্ষ্য নিয়ে তেমন চিন্তা করার কোন প্রয়োজন নেই কারন শুধু নাকি “নাম” মুখে নিয়ে ট্রিগার টিপ দিলেই নাকি এটা লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম এমনকি প্রয়োজনে আকাইয়া বাকাইয়াও চলতে সক্ষম।
যদিও এধরনের কথাকে নিতান্তই কৌতুক মনে হত তারপরেও এখন প্রযুক্তির উন্নতির সাথে সাথে অনেক ধরনের গাইডেড মিসাইল তৈরী হয়েছে কিন্ত আমাদের দেশে যে সবার অজান্তেই এক মহাআবিস্কার হয়ে গেছে যা হল এমন ধরনের বোমা বা বন্দুক যা ফাটাইলে বা গুলি করলে যে সমস্ত ব্যাক্তির নামের পূর্বে “শেখ” থাকবে তাদেরকে আঘাত করবে না তবে আশেপাশে সব মেরে ছারখার করে ফেলবে। যার সফল ব্যবহার আমরা ইতিমধ্যেই কয়েকবার দেখতে পেয়েছি।
হাসিনাকে হত্যার করতে গুলি করা হয়েছিল কিন্ত সেই গুলি কিনা স্থান পেল হাসিনার ভ্যানিটি বেগে!!! একুশে অগাষ্টের মিটিং হটাৎ করেই স্থানান্তরিত হয়েছিল কোন উদ্দ্যেশ্যে এবং কে করেছিল। এতো বড় একটি হামলা করার জন্যে অবশ্যই পূর্ব প্রস্তুতি নেয়া হয়েছিল কিন্ত হামলাকারিরা নতুন সভাস্থলের ব্যাপারটাকি আগে থেকেই জানতো? গ্রেনেড এর পর গ্রেনেড মেরে গন্ডায় গন্ডায় মানুষ মেরে ফেললো কিন্ত হাসিনার কাছে যে গ্রেনেডটি পরেছিল তা নাকি নিক্ষেপকারী “পিন” খুলতে ভুলে গিয়েছিল!!! হাসিনাকে মারার জন্যে ৭৬ কেজি ওজনের বোমা পাতা হল কিন্ত হাসিনা ৫ বছর ক্ষমতায় থেকেও সেই মুফতি হান্নানকে ধরতে ব্যার্থ হলো!!!
আওয়ামী লীগের শাসনামলে একের পর এক বোমা হামলা হল কিন্ত এরা ক্ষমতায় থেকেও কিছুই করতে পারলোনা। তাপসকে মারার জন্যে “ফোস্কা” মার্কা বোমা মারা হলো কিন্ত তাপসের কিছুই হলোনা, আসেপাশের কয়েকজন আহত হওয়া ছাড়া। সাথে সাথেই অবসর প্রাপ্ত সেনা অফিসার মোক্তিযোদ্ধা বীরবিক্রম কামরুল কে গ্রেফতার করে লীগের সন্ত্রাসী আইনজীবি ঘোষনা দিলেন যে কামরুলের কাছ থেকে নাকি এই বোমা হামলার ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ন তথ্য পাওয়া গেছে, কিন্ত এখন জানা যাচ্ছে যে এব্যাপারে নাকি কোন তথ্যই পাওয়া যাচ্ছে না।
আবার এখন দেখা যাচ্ছে যে হাসিনাকে মারার জন্যে নাকি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সেনাবাহিনীর গোয়েন্দা সংস্থা থেকে হাওয়া ভবন সহ অনেক মন্ত্রীও নাকি জরিত ছিলেন!!! একজন মানুষকে মারতে হলে একটা গুলিই যথেষ্ট অথচ একটি দেশের এত উচ্চপর্যায়ের সবাই এতো চেষ্ট করেও কিনা হাসিনাকে মারতে পারলোনা!!!
আসলে সন্ত্রাসীদের মৃত্যু সন্ত্রাসীদের হাতেই হয় সাধারনত, আর হাসিনা নিজেই বেশ ভালভাবেই জানেন যে তিনি কি আর তাই দেশের সর্বউচ্চ নিরাপত্তার মধ্যে থেকেও উনার জন্যে অতিরিক্ত নিরাপত্তা নিতে হয়। যারা লাশ আর রক্ত নিয়ে খেলে তারা শান্তিতে ঘুমাতেও পারেনা আর সবসময়েই ভিত থাকে, হাসিনাকে এখন সেই ভয়েই পেয়েছে, দিন টিন বদল করার আগে নিজেদের চরিত্র বদলান, দেখবেন সব ঠিক হয়ে গেছে।
ভুলে যাবেন না যে শেখ মুজিবর সাহেব কিন্ত হাসিনার চাইতে অনেক অনেক বেশী শক্তির অধিকারী ও অনেক রকম বাহিনী গঠন করে নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেই তারপর দেশের আজীবন ক্ষমতার অধিকারী হিসাবে নিজেকে ঘোষনা দিয়েছিলেন কিন্ত চরম অসহায়ের মৃত্যুলাভ করেছেন। তখন তাকে রক্ষা করার জন্যে নিরাপত্তা রক্ষিরা মানব ঢাল তৈরী করার করার কথা ছিল কিন্ত বেচারা তখন প্রান রক্ষার জন্যে কতজনের কাছে ফোন করছেন কিন্ত কেউ তাকে রক্ষা করতে না এসে বসে বসে মুচকী হাসি দিয়েছে।