The lottery was 100% fair, and I am happy about it
12% (59 votes)
The lottery was partially manipulated
10% (48 votes)
The lottery was just an eye-wash, completely manipulated
76% (364 votes)
I have got a plot
1% (6 votes)
Total votes: 477
Comments
bd08: Giving plot is wrong
As we have no enough plots for all applicants, means we have ran into land scarcity; so, no more plots from the gov.
Only cooperative flats are the solution to save lands and meet the demands.
For a citizen, having a residence to raise family is a basic right.
ফারমারের ধারনা ...আপনার ধারনাটাই ভুল।
ফারমার সাহেব,
আপনার ধারনাটাই ভুল।
নিজেকে ফেরেস্তা ভাবার কোন অবকাশ নেই মি ফারমার।
৩৯ জন অভিযোগ করছে তা নয়, সকলেই অভিযোগ করছে (আর এখন তো ক্ষমতায় আওয়ামী পান্ডারা ), সমস্যা অন্য জায়গায় ...
কারন,
রাজউকের প্লট বা যে কোন সরকারী প্লট বা ফ্লাট যাই বিক্রি করা হোক না কেন, তাতে কোটা পদ্ধতি র ব্যবহার একটি ভুল ধারনা। সকলেরই সমান অধিকার নিশ্চিত করা উচিত ছিলো। কারন সকলেই বাংলাদেশের নাগরিক।
২য়, প্রবাসীদের ক্ষেত্রে কি আলাদা সুবিধাটা দেওয়া কি উচিত নাকি অনুচিত?
উত্তর, অনুচিত। যে সব প্রবাসীদের বাংলাদেশী নাগরিকত্ব রয়েছে তাদের আলাদা কোটার সুবিধা দেওয়াও অনুচিত এবং সুযোগ গ্রহনও অনৈতিক । হ্যা, যা করা যেতে পারে তা হলো আবেদন করার ক্ষেত্রে যাতে অহেতুক ঝামেলায় না পড়তে হয় তার জন্য বিদেশে বাংলাদেশের এম্বেসী ব্যবহার করতে হবে। এম্বেসীর মাধ্যমে প্রবাসীরা সেই দেশের সোশাল সিকিউরিটি নম্বর দিয়ে আবেদন করতে পারে। যে সব বাংলাদেশী অবৈধ বা বাংলাদেশী পাসপোর্ট বর্জন করেছে বা দীর্ঘমেয়াদী বা স্থায়ী বসবাসের ভিসা প্রাপ্ত, তারা আবেদনের অযোগ্য এবং এই ধারা কঠোরভাবে প্রযোজ্য হবে। বৈধ বাংলাদেশীদের সোশাল সিকিউরিটি নম্বর অথবা ভিসা নম্বর উল্লেখ করে আবেদন করতে হবে।
৩য় শুধু প্রবাসীদের কাছে প্লট বা ফ্লাট বিক্রি করা যেতে পারে কি?
উত্তর, সেক্ষেত্রে শুধু মাত্র মানে ১০০% প্রবাসীরাই অংশগ্রহন করতে পারবে। বাংলাদেশে অবস্থিত কেউ আবেদন করতে পারবে না। একে প্রবাসীদের ডলারটা এক প্রকার বিনিয়োগ হিসাবে কাজ করবে। এক্ষেত্রে ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, বগুড়া,রংপুর, খুলনা জেলা ভিত্তিক হাউজিং প্রকল্প সরকার হাতে নিতে পারে।
Save Bangladesh: No more farakka
One out od forty will get a plot
If the process is right & honest, still, only 1 in 40 will get the plot on avg. So, 39 people will be unhappy. We as a nation known for complaining, so, every 39 people out of 40 will complain, only 1 person will thank the system.
This is not a solution, but you wanted only this solution. If you carefully solve, all people will be able to get a residence to raise their family.
প্লটের পটভূমি
প্লট রাজউক কার স্বার্থে দেয় বোধগম্য নয়।এখানে দেশের স্বার্থ একেবারেই নগন্য।নচেৎ লক্ষ লক্ষ প্রবাসীদের জন্য ১০% বরাদ্দ আর হাজার খানেক সাংবাদিকের জন্য ৩% কি বিচিত্র তোষামোদী।প্রবাসীদের বিনিয়োগ নেয়ার জন্যই সরকারের উচিত প্রবাসী কোটা ৫০% বেশী অথবা অকশনে প্লট বিক্রয় করা।
রাজউকের উচিত প্রাপ্ত প্লট ১৫ বছরের বিক্রয় করা যাবেনা।যারা প্লটের জন্য আবেদন করবে তাদের কিস্তির টাকা দেয়ার ক্ষমতা আছে কিনা প্রমান করা।ধরা যাক কোন সরকারী কর্মচারী মাসে ১০ হাজার টাকা বেতন পাচ্ছে সে তার পরিবার চালিয়ে কিভাবে কিস্তির টাকা দিবে?একজন সাংবাদিক এবং শিল্পির ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য।
আমি ১০ কাঠা প্লটের জন্য আবেদন করি গত বছর নভেম্বরে ৩৫০০ ইঊ এস ডলার পাঠীয়েছি অষ্ট্রেলিয়ান ডলার খরচ হয়েছিল ৫৫০০/এখন ৩৫০০ usd আমি পাব অষ্ট্রেলিয়ান ৩৯০০/ এর পরেও আমার কষ্ট অনুভূতি হচ্ছে না এই ভেবে যে প্লট বরাদ্দ স্বচ্ছ হয়েছে।কিছু পত্রিকায় দেখলাম লটারীর পরে নাকি সচিবালয়ে ৪ ঘণ্টা রেজাল্ট রাখা হয়েছিল-কি জন্য রাখা হয়েছিল তা রাজউক এবং মন্ত্রনালয়ের যথাযথ ব্যাখ্যা মানূষ আশা করে।
সেদিন লিখেছিলাম এক যুবলীগ নেতা রাজউকের চেয়ারম্যানের স্ত্রীকে ঘূষ দিয়ে এসেছিল এবং সে তা গর্বভরে আমাকে বলল। আজ তাকে জিজ্ঞাস করলাম ভাই প্লট পেয়েছেন কি?উত্তরে সে জানাল চেয়ারম্যানের কোন ক্ষমতা ছিল্না মন্ত্রী ঘূষ খেয়ে প্লট দিয়েছে।অবাক হলাম-- মান্নান খানকে নিয়ে তার ভাবনা দেখে। মান্নান খান একসময়ে আমার হলের ছাত্র ছিলেন,ছিলেন ঢাবির ছাত্র ইঊনি্য়নের সভাপতি।হলের কর্মকর্তা কর্মচারী এবং মধুর ক্যাণ্টিনের অরুন দার কাছ থেকে যা শুনেছি তাতে উনি একজন সৎলোক হিসাবে পরিগনিত।আওয়ামীলীগে উনি আসার পরে দলে উনার বিরুদ্ব গ্রুপের কারো মুখেই শুনিনি তার সততা নিয়ে কোন প্রশ্ন। ইদানিঃ আমার ক্লাসমেট উনার সরকারী এপিএস হিসাবে বদলী হয়ে এসেছেন তার কাছ থেকেও উনার সততার কথাই শুনি ।
আমাদের নৈতিকতা এখন কোথায় যে এখানে কেউ স্বচ্ছ কাজ করলেও তাকে নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। ২ নম্বারী করতে করতে দেখতে দেখতে আমাদের এমন অবস্থা হয়েছে যা দেখি ২ নম্বারই মনে হয়।
ভগবান...এবং আজরাইল
সাধূ সাধূ সাধূ!!! ভগবান শরনং গচ্ছামী!!! যে শহর ১০ লাখ মানুষ ধারন করার ক্ষমতা রাখে না, সে শহরে ১ কোটি ৫০ লাখ মানুষের গ্যাঞ্জাম লাগিয়ে এখন তামাশা দেখছ দয়াল গুরু সাইবাবা!!! এমন একটা শহরে প্লট ক্রয় করা আর অসময়ে বাবাজি আজরাইলকে জামাই আদরে বরন করা একই জিনিষ। রক্ষা কর এমন অতিথি হতে!!!
সাধু সাধু সাধু!!!
boobytrap.........
আপনার অমূল্য বানী মোতাবেক, নিজে খারাপটা অনুসরণ করে বুঝাতে হবে যে অন্যে খারাপ, তাই তো? কি দারুন জাতীয়তাবাদী তেলেসমতি মাথার ভিতর ঘুরপাক খায়!
সবাই ভাল থাকুন,
সুস্হ থাকুন,
সুন্দর থাকুন-
-হৃদয়
ভাই বিট্রেড
হাই ট্যাক্স এর দেশ ক্যানাডা বসে তিন সহস্র ডলার জমানো বেশ কষ্টকর। আপনার কষ্টের কথা শুনে আমার খুব খারাপ লাগছে।
১৯৭২ সালে যখন ঢাকার ইঞ্জিনইয়ারিং ইউনিভারসিটির সব students রা একটা করে রিলিফের কম্বোল পেলো, তখন ই আমি বুঝতে পেরেছিলাম এই দেশ ও এই জাতির কপালে দুখখো আছে। আমার আনুমান মিথ্যা হই নি। আমি এর থেকে আর বেশি কিছু বলতে চাই না।
বাংলাদেশকে সভ্যতা স্পর্স করতে আর বহু যুগ লাগবে। তত দিনে আমরা কেঊ বেচে থাকবোনা। সব শিখ্যার জন্য সব সময় কিছু খরচ করতে হয়। যেমন স্কুলে এডুকেশন নিতে টুইশন লাগে। আপনি মনে করবেন আপনার তিন সহস্র ডলার খরচ হয়েছে এই অভিগ্যতার জন্য। আমি জানি আমার পখখে বলা যত সহজ আপনার পখখে গ্রহন করা কঠিন।
আজব বাংলাদেশ। এখানে কেউ কোন কিছুতে accountable না।
রবিন
কারমেল, ক্যালিফরনিয়া
চোংগাওয়ালা !ভূমিহীন ভাই, না পাওয়ার কষ্ট.........BT
চোঙ্গাওয়ালা
ঠিকই বলেছিস না পাওয়াতে অনেকের দুঃখের কোন শেষ থাকেনা , বিট্রেড যেমন তার প্লট না পাওয়তে নিজের ক্ষোভ প্রকশ করেছে তেমনি আমাদের বেহুলা সুন্দরী ১৯৯১ সালে সাহাবুদ্দিন সাহেবের আওতাধীন নির্বাচনে ক্ষমতায় না যেতে পেরে সুক্ষ কারচুপির দোষ দিয়ে নিজের অযৌক্তিক ক্ষোভ প্রকাশ করে ছিল তেমনি ১৯৯৬ সালের নির্বাচনে সাহাবুদ্দিন সাহেবকে চাচা ডেকে প্রসিডেন্ট বানিয়ে ধরে নিয়েছিল বেহুলা সুন্দরী আবার ক্ষমতায় আসতেছে যার জন্যে বেহুলা সুন্দরী ক্ষমতা ছেড়ে চলে যাওয়ার পুর্বে " গন ভবন " প্লট হিসাবে নিজের নামে নিয়ে নিল । নির্বাচনে হেরেই ,এবার গালাগালি শুরু করল চাচাকে , নির্বাচনে যারা জরিত ছিল সবাইকে ।এটাও নিশ্চয়ই বেহুলা সুন্দরীর আজাইরা ক্ষোভ,প্রধান মন্ত্রী না হওয়ার দুঃখ । আর বিট্রে যে নাকি নিজের রক্ত মাংসের কঠিন সংগ্রামের মধ্যে টাকা যোগাড় করে একটি প্লট চাইতে গিয়ে হোচট খায় এর পরে যদি আবার ওই টাকা সময় মত ফেরত না পায় তাহলেতো তার ক্ষোভের বহি প্রকাশা হবেই।
হে ভূমিহীন
আমার দরবার থেকে তোকে অভিনন্দন জানাচ্ছি।তোর এই প্রশ্নে আমি অতিশয় খুশী হয়েছি।জেনে রাখ্ এটাই ভগবানে লীলা।কেউ ধনী আর কেউ গরীব এই না হলে ভগবানের খেলা জমতো কিভাবে?তবে আমি সব কিছুর জন্যই কিছু নিয়ম করে দিয়েছি।তোরা তো আমার সেই নির্দেশ মেনে চলার চেষ্টা করিস না।যাদের কিছুই নেই তাদেরকে আমি অতি ভালবাসি।তারা আমার অতি প্রিয় মানব।আমি তোদের মধ্যে যারা ধনাড্য জীবন যাপন করছে তাদেরকে অর্থহীনদের প্রতি দৃষ্টি দেওয়ার জন্য বলে আসছি কিন্তু তোদের সেই ধনাড্যরা তো নিজেদের দৌলত নিজেরাই আকড়ে ধরে আছে গরীব গোর্মাদের মধ্যে বিলিয়ে দিচ্ছে না।কাড়ি কাড়ি টাকা নিয়ে পড়ে আছে অথচ গরীবদেরকে হেল্প করছে না।ধনী গরীবের পার্থক্যের কথা বলছিস?এটা তোদের ভগবানেরই পলিসি।সেই পলিসিতেই ধনীরা গরীবদেরকে খাটাবে,সাহায্য করবে কোলে তুলে নিবে।যারা তা করবে না তারা অনন্ত কাল নরকের আগুনে জলবে।আমি হেসে অস্থির তোদের কির্তী দেখে।ভগবানের নিকট এই সব প্লটের মুল্য একটি চার পয়সার সিকি থেকে ও কম।আমার প্রিয় মানবদের জন্য আমি অসংখ্য প্লট রেখে দিয়েছি।তারা এইসব প্লটে তাদের হুরীদের নিয়ে নেচে গেয়ে সময় কাটাবে।হে ভুমিহীন!ভগবান তোদের সকল কিছু সকল সময় প্রত্যক্ষ করছেন।ভাল মন্দ সব কিছুর হিসাব তার কাছে আছে।তিনি সকল কিছুই দেখতে পান।কোন কিছুই তার দৃষ্টি এড়াতে পারে না।ভগবানের দরবার থেকে ঈদের ফুলেল শুভেচ্ছা আমার প্রিয় মানবদের জন্য।
ভগবান
কোন অভিযোগ নিয়ে আপাততঃ আপনার দরবারে যেতে চাই না কারন আপনার দরবারে গেলে আমাকে ওয়ান ওয়ে টিকেট নিয়ে যেতে হবে । সীরিয়াল অনুযায়ী যখন ডাক আসবে তখনি আপনার দরবারে যাবো এবং আমার হাজারো প্রস্নের মোকাবিলা আপনাকে করতে হবে । আমার প্রথম এবং প্রধান প্রস্ন হবে - আপনী আপনার বান্দাদের সমান চোখে দেখেন না । যদি দ্যাখতেন তাহলে হ্যাভ এবং হ্যাভনটদের মধ্যে এতো বেশী গ্যাপ হওয়ার কথা না । হ্যাভনটদের ঈদ মোবারক জানানোর কোন অধীকার আপনার নেই কারন ঈদ আনন্দের যে উপকরন লাগে তা' থেকে আপনী তাদের বঞ্চিত করেছেন ।