Should crossfire by RAB and Police be allowed in Bangladesh?

Yes, it is the demand of time
67% (189 votes)
No, it is inhuman
26% (72 votes)
Confused
7% (20 votes)
Total votes: 281
Tags:

Comments

bd08's picture

র‌্যাবের 'ক্রসফায়ারে' আরো দুই জন ২ নিহত, সাহারা ললিপপ চুষছে

রাজধানীতে র‌্যাবের সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' ২ 'সন্ত্রাসী' নিহত

ঢাকা, মে ১৫ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- রাজধানীর সবুজবাগ থানা এলাকায় শুক্রবার ভোরে র‌্যাবের সঙ্গে 'বন্দুকযুদ্ধে' দুই 'সন্ত্রাসী' নিহত হয়েছে বলে র‌্যাব দাবি করেছে।

নিহতরা হলেন সোহেল ও বাবু। তারা সন্ত্রাসী বলে পরিচিত শাহাদাত বাহিনীর সদস্য বলে দাবি করেছে র‌্যাব।

  • Save Bangladesh: No more farakka

matin's picture

সোহেল তাজ বলেছেন, ক্রসফায়ারে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সন্ত্রাসী কর্তৃক চাদার দাবীতে কয়েকজন ব্যবসায়ী খুন এবং আইন শৃঙখলা পরিস্থিতির চরম অবনতির পর স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী সোহেল তাজ বলেছেন, পূর্ববর্তী সরকার সমূহের আমলে ক্রসফায়ারে (সন্ত্রাসী) হত্যার তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

WatchDog_bd's picture

অপরাধ এবং শাস্তি - WatchDog

মানবিক অমানবিক এ প্রসংগে আসার আগে আসুন একটু যাচাই করে দেখি ক্রশফায়ারের মত পাথর যুগীয় বিচার ব্যবস্থা কেন আমাদের দেশে এতটা জনপ্রিয়। জনপ্রিয় বলছি এই কারনে, ই-মেলার মত ছোট্ট পরিসরেও ক্রশফায়ারকে গনতান্ত্রিক পদ্বতিতে স্বাগত জানানো হচ্ছে।

ক্রশফায়ার, যার সহজ বাংলা অনুবাদ আটক আসামীকে বিনা বিচারে গিলোটিনে পাঠানো। বাংলাদেশের শহর গঞ্জে রাস্তার অনেক ছিচকে ছিনতাইকারীকে গনপিটুনী দিয়ে মেরে ফেলতে দেখা যায়। হত্যাকান্ড বাস্তবায়নকারী এবং এর দর্শকরাও মহা-উল্লাসে এই পৈচাশিকতায় অংশ নেয় অথবা স্বাগত জানায়। মধ্যপ্রাচ্যের অনেক দেশের honor killing'এর মত এই খুন সমাজে এক ধরনের নীরব সমর্থন আদায় করে নেয় এর আর্থ-সামাজিক বাস্তবতার কারনে। ধরে নেই ছিনতাইকারীকে হত্যা না করে পুলিশে দেয়া হল, এবং যারা ছিনতাইয়ের শিকার তারা আশা করল অপরাধীকে আইনের আওতায় শাস্তি দিয়ে ভবিষতে এ ধরনের অপরাধের রাস্তা বন্ধ করা হবে। এ বিশ্বাষটুকু আমাদের সমাজে অনুপুস্থিত বলেই সাধারন মানুষ আইন হাতে তুলে নিতে দ্বিধা করেনা। এবার আসুন ছিনতাইকারীর পিছু নিয়ে তার গ্রেফাতারাবস্থায় ভাগ্যের একটা ছবি আকি। পুলিশ হাতকড়া পরিয়ে থানায় নিয়ে যাবে অপরাধীকে, হাজতে ঠেলে দেয়ার আগে হাজতীর পকেট হাতড়ে সবকিছু গলধকরন করবে পুলিশ বাহিনী যার একটা অংশ যাবে Officer-In-Command'এর পকেটে। এরপর দৃশ্যে আসবে পুলিশের সোর্স, যার দায়িত্ব হাজতীর আত্মীয়-স্বজন খুজে বের করে তাকে জামিনের ব্যবস্থা করা। এখানেই শুরু হবে নাটকের মূল অংক। এই অংকের নেতা-অভিনেতারা হবেন পুলিশ, ছাত্রনেতা, দলনেতা, পৌরসভার মেম্বার/চেয়ারম্যান, এমপি সহ আরও অনেকে। লেনাদেনায় বুঝাপড়া না হলে আসামীকে হাজত হতে চালান করা হবে জেলে। এবার বিচারের তৃতীয় পর্ব। উকিল, মোক্তার, পেশকার, বিচারক সহ গোটা দশেক পকেট উন্মুখ হয়ে থাকে এ ধরনের চালানের আশায়। মেজিষ্ট্রেট কোর্টে তখনই কেস শুনানির জন্যে উঠে যখন লেনদেনের ব্যাপারে একটা সূরাহা হয়। সাধারনত এ ধরনের ছিনতাইকারীরা তাদের পরিবারের সর্বশেষ পয়সাটা খরচ করে ১ম, ২য় এবং ৩য় অংকের সব নেতা, অভিনেতা এবং ভিলেনদের সন্তূষ্ট করে বেরিয়ে আসে আইনের হাত হতে। বলার অপেক্ষা রাখেনা এর পরের দৃশ্য; বেচারাকে আবারও ফিরে যেতে হয় সেই পুরানো ধান্ধায়। অতীতে যারা ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছিল তারাও অবাক হয়না পুরানো মূখকে আগের জায়গায় দেখে। কারন তাদেরও জানা আছে কোন সমীকরন সমাধান শেষে তাকে ফিরতে হয়েছে পুরানো ব্যবসায়। এ ভাবেই শুরু। মানুষ অতিষ্ট হয়ে উঠে যখন এই অপরাধীর দল রাজনৈতিক ছত্রছায়ায় ছিনাতাই ছাড়াও হাত বাড়ায় চাদাবাজি, খুন, ধর্ষনের মত আরও ঘোরতর অন্যায় কাজে। জমতে থাকে অপরাধীর পাপ, পাশাপাশি বাড়তে থাকে অনেকের আয়-রোজগার। একটা সময় আসে যখন মানুষের ধৈর্যের বাধ ভেঙ্গে যায়, থানা-পুলিশ, আইন-আদালত এবং প্রশাষন সহ সবার উপর হতে বিশ্বাষ উঠে যায়। এরপর অনুষ্ঠিত হয় নাটকের শেষ অংক। এই অধ্যায়ের অভিনেতা শুধু দুই পক্ষ, ছিনতাইকারী নিজে এবং তার শিকার। মুগুরের আঘাতে মাথা থেতলে যায় অনেক অপরাধীর। তার মৃত্যুতে শোক দূরে থাক অনেকে মিষ্টি বিতরন করে উল্লাশ করে।

ছোট এই ছিনতাইকারী হতে দৃশ্যপট যদি আমরা রাষ্ট্রীয় পর্য্যায়ে নিয়ে যাই ফলাফল হবে একই। থানা-পুলিশ হয়ে এবার পকেট ভরবে হাইকোর্ট-সুপ্রিমকোর্টের উকিল, মোক্তার, পেশকার আর বিচারকের দল। রাজনীতির অনেক রাঘব বোয়াল অপরাধের এই জটিল সমীকরন হতে হাতড়ে নেয় বিরাট অংকের টাকা। অপরাধীর অপরাধের মাত্রা চলে যায় মাটি হতে আকাশে। ব্যবসা, বানিজ্য হতে শুরু করে সমাজের সবকিছু হয় লন্ডভন্ড। ভিকটিম হয় নীরিহ মানুষ, মা, ভাই-বোন...। এবারে জনগনের বদলে র‌্যাব থেতলে দেয় অপরাধীর মাথা।

পাঠক, অনৈতিক হত্যা সহ সমাজের স্বাভাবিক জীবন লন্ডভন্ড করায় জানিনা আপনারা কাকে দায়ী করবেন, আমার আদালতে আসামী হবে আমাদের অসূস্থ, অক্ষম রাজনীতি এবং এর অসৎ খেলোয়াড়বৃন্ধ।

Truth Revelation's picture

Not inhuman...but...

Crossfire by RAB and Police is not inhuman at all I think so. But, this is the demand of time. Does the terrorists show any humanity to the peaceful innocent people? They show no mercy, so no mercy for the killers and chandabaz.

But, RAB should be careful to select their target. People is still supporting RAB and will support as long as RAB will target the terrorists. As far as I know, RAB crossfired few inncoent people which can not be acceptable at any cost. This could be due to political motivation, personal clash or wrong information from the source. So, RAB should be careful and verify the information obtained about its targets.

Best wishes from me for the RAB.

-------------------------
1/11 was a revolution

শঙ্খচিল's picture

কেন ইনহিউমেন নয়? সদালাপ

Crossfire by RAB and Police is not inhuman
"ইনহিউমেন" কথাটাকে আপনি কিভাবে বুঝেন, সেটাই মূল ব্যাপার। কাউকে, বিনা বিচারে, মেরে ফেলে আইনের শাসন বজায় রাখার চিন্তাটি হাজার বছর আগেই, ইনহিউমেন বলে সবাই মেনে নিয়েছেন। আর যারা মানেননি তাদেরকে "সুস্থ-সভ্য" বলে,মেনে নেয়া হয় না সভ্যসমাজে। আমাদের দেশে শাসক শ্রেণি নিজ স্বার্থেই আইনের সুস্থ এবং সঠিক প্রয়োগ চায়না। আর সেটাকে, হোয়াইট ওয়াশ করতে বা লোকচক্ষুর আড়ালে রাখতেই, ক্রসফায়ার জাতিয় কার্যকলাপের শুরু। আমরা সভ্য বিশ্বের বাসিন্দা না হতে চাইলে, ক্রস০ফায়ার চলতে থাকুক...।
Does the terrorists show any humanity to the peaceful innocent people? They show no mercy, so no mercy for the killers and chandabaz.
পৃথিবির কোন দেশের বা কোন যুগে "terrorists" হিঊমিনিটির ধার ধারে? এমনকি আল্লাহর পথের জিহাদিরা ৯/১১ কোন হিউমেনিটি দেখিয়েছে? তাই বলে, ধরে ধরে তাদের বিনা বিচারে মেরে ফেলতে হবে? আর বিচার করে মারতে চাহিলে, কে মানা করছে? প্রশ্নটি হছে, বিনা বিচারে মের ফেলা নিয়ে, তাদের প্রতি মায়া দয়া দেখান নিয়ে নয়। আর একটি কথার কথা, যদি আপনার লাইনে চিন্তা করি পুলিশ সহ যারা আইনের শাসন বজায় রেখে আমাদের রক্ষা করার দায়িত্বে আছেন, তাদেরকেও সীমাহীণ ব্যার্থতার জন্য ক্রস্ফায়ারের আওতায় আনাটাও ত দাবি করতে পারি কি বলেন ? একদের কেই কেন "mercy" দেখাতে চান। এওরা সোজা হলেই ত আনেক কিছুর সমাধান হয়ে যায়?

As far as I know, RAB crossfired few inncoent people which can not be acceptable at any cost. This could be due to political motivation, personal clash or wrong information from the source.
সেই few inncoent এর একজন যদি আপানার ভাই/বাবা/বোন কেউ হত আপনি কি বলতেন আজকে একই কথা? আমাদের দেশে, কিসের ভিত্তিতে একজন "বাবার আলীর" বা "সাহারা খাতুনের" অধিনস্ত বিভাগের হাতে, একজন মানুষের বেচে-মরার সিদ্ধান্তটি নেবার ক্ষমতা দিতে চান? কিসের ভিত্তিতে আপনাদের বিস্বাস কাজ করে আমার জানা নেই। মানুষেকে বিনা বিচারে জেল খাটান আর মেরে ফেলা, এক জিনিস নয়। তাই আমি, এর ঘোর বিরোধী ছিলাম এবং থাকব।

Hassan Imam khan's picture

ক্রসফায়ার অবশ্যই অমানবিক...।

Image
-------------------------
সন্ত্রাষের অভিযোগে ধরে এনেই বিনাবিচারে হত্যাকান্ড ঘটিয়ে যদি সমাজের শান্তি শৃংখ্যালা রক্ষা করা যায়,তাহলে আইন,বিচার,বিচারালয়,উকিল,ব্যারিস্টার,হাইকোর্ট, সুপ্রীমকোর্টের আর প্রয়োজন কিসের। ব্যায় ও সময় বহুল এসব ব্যাবস্থা বিলুপ্ত করে স্বল্প সময় ও অর্থমুল্যে একটিমাত্র ক্রসফায়ার মন্ত্রনালয় গঠন করেলেই তো ল্যাঠ্যা চুকে যায়।
কঠিন ব্যাধির অসহায় শিকার হয়ে যথাযথ উপযুক্ত চিকিৎসার বদলে যারা সাময়িক ব্যাথানাশক ট্যাবলেট গিলে নিজেদের জীবনের সাথে প্রতারনা করছেন,তাদের উদ্দেশ্যে বলছি,
সম্ভবত গতবছর মালায়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মহাথীর মোহাম্মাদ এক বেসরকারী সফরে বাংলাদেশে এসেছিলেন। তিনি এক সেমিনারে বলেছিলেন, সরকারী সঠিক সিদ্ধান্ত যেমন অনেক সময়েই জনপ্রিয়তা লাভ করে না তেমনি সরকারের অনেক জনপ্রিয় সিদ্ধান্তই পরবর্তীতে বেঠিক বলে প্রমানিত হয়। তাই জনপ্রিয়তার মোহে নয়,জনকল্যানের মোহেই সরকারী সিদ্ধান্ত নেয়া বাঞ্চনীয়।
বাংলাদেশের বর্তমান সামাজিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে অমানবিক ক্রসফায়ার জনপ্রিয় হতে পারে বটে, তবে মানবিক ও জনকল্যানকর নয় মোটেই। তাই ক্রসফায়ার অবশ্যই অমানবিক...।
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।

The One Eleven's picture

ক্রসফায়ার

ক্রসফায়ার অবশ্যই অমানবিক তবে সন্ত্রাসী,দেশ আর জনগনের শত্রু এবং রাষ্ট্রীয় চোরের বেলায় এই কথা প্রযোজ্য নহে।
Image

Hassan Imam khan's picture

স্বপন ভাই ও ১/১১ ভাইজান সমীপেষু...।

১/১১ ভাইজান,এখানে কোন কমা,কিন্তু অথবা যদির দোহাই পেড়ে ক্রসফায়ারকে সমর্থন নয়, এক কথায় প্রকাশ করুন ক্রসফায়ার মানবিক না অমানবিক ।
স্বপন ভাই ও ১/১১ ভাইজান,
ই-মেলার প্রস্তাবিত সুইস গেট-টুগেদার এর জন্য আপনারা ( ই-মেলার উৎসাহী অংশ গ্রহনেচ্ছুক ) পারস্পরিক আলোচনা করে অনতিবিলম্বে আমাকে সম্ভব্য সিডিউল জানানোর অনুরোধ করছি। কারন সামারে একসঙ্গে আনুমানিক দশ বা ততাধীক অতিথির আবাসন ব্যাবস্থা ও আয়োজক সংগীদের আগাম ছুটির ব্যাবস্থাপনার সার্থে কমপক্ষে দুমাস সময় প্রয়োজন। সে জন্য প্রস্তাবিত অগাষ্ট ২০০৯ ঠিক থাকলে এখনি ব্যাপারটির তারিখ নির্ধারন একান্ত জরুরী বলে মনে করি।
ভাল থাকুন,
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।

The One Eleven's picture

হাসান সাহেব

ক্রসফায়ার মানবিক না অমানবিক তা এক কথায় প্রকাশ করা যাবে না।আপনি মানবাধিকার সংস্থার লোক।আপনার কাছে মানবতা পরম ধর্ম।তাই সন্ত্রাসীদেরকে ক্রসফায়ারে দিতে আপনার বুক কাপবে।কিন্তু আমি মানবাধিকারের প্রতি অতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি ক্রসফায়ার অমানবিক কিন্তু এই কথা সন্ত্রসী,রাষ্ট্রীয় চোর এবং দেশের শত্রুর বেলায় প্রযোজ্য হওয়া উচিৎ নহে।
আপনার কথা অনুযায়ী আমি স্বপন ভাইকে অনুরোধ করছি এই ব্যাপারে হস্তক্ষেপ করতে।আমাদের হাতে সময় বেশী নেই।সুইচে যেতে হলে এখনই কাজ শুরু করা দরকার।স্বপন ভাই প্লিজ আপনি কিছু বলুন এই ব্যাপারে।
ধন্যবাদ হাসান সাহেব।

Image

farmer's picture

Social injustice created extremism, cross-fire illegal

Social injustice created extremism and greed. For example, if a muscled kid in ghetto follow Khaleda, Tareq, Koko; he will be looking for that kinds of opportunities. Khaledas get millions of dollars free ride, what a ghetto kid without father get? They get humilations. Take a good look in Khulna, Jessore, Rajshahi etc.; what happened to poor people? Few landlords took over most the properties and set road blocs for the poors, many of those poors became extremists.
Give them chance to surrender, give them new identities, give jobs; let them settle down. Killing is not the solution, it will create new problems.

The One Eleven's picture

হাসান সাহেব

মতিন সাহেব এখন আল্লাহ'র ধ্যানে মগ্ন।আল্লাহ পাক উনাকে সুমতি দিয়েছেন।মানুষকে অপমান করার যত মোজেজা দরকার উনার সবই ছিল।আল্লাহর রহমত আমরা উনার কুনজর থেকে বেঁচে গেলাম।আপনি একজন ভাগ্যবান মানুষ কারন সেই সময়ে ই-মেলায় আসেন নি।আস্‌লে হয়তো মতিন সাহেবের ওয়াজ নছিহত থেকে আপনি ও রেহাই পেতেন না।

Image

Hassan Imam khan's picture

মতিন সাহেব...।

সৃষ্টিকর্তার আশির্বাদ আপনার প্রতি বর্ষিত হউক। কি ব্যাপার হটাৎ করে হাজির হন আবার দীর্ঘ দিনের জন্য প্রস্তান। কেমন আছেন,ভাল আছেন তো ?
হাসান ইমাম খান,
সুইজারল্যান্ড।

Md.Matin's picture

আল্লাহু আকবার

আল্লাহু আকবার,আল্লাহু আকবার।
ভাই সাহেবেরা আল্লাহ'র দুনিয়ায় সবারই বেচে থাকার অধিকার আছে।ক্রসফায়ার ইসলামে হারাম।মানুষ তোমরা ভাল হও।মানুষ তোমরা সুন্দর হও।বেচে থাক দির্ঘকাল।আল্লাহ তুমি সকল মানুষকে জ্ঞান দান কর।আমিন।
আল্লাহু আকবার,আল্লাহু আকবার।

হাজী মতিন।

The One Eleven's picture

পুলটি মোটেই ইনহিউমেন নহে

এই পুলটি মোটেই ইনহিউমেন নহে।জাতীয়তাবাদ আর বাংগালী তত্বের ধ্বজাধারীরা মাস্তান এবং সন্ত্রাসী লালন করে নিজেরদের পকেট ভারী করা ছাড়া ও দেশবাসিকে এক শংকা এবং অনিশ্চয়তার মধ্যে ফেলে দিয়েছে।মানুষ মারা আর চাঁদাবাজী করার লাইসেন্স দিয়ে ্সেই চোরের দল সন্ত্রাসীদেরকে জনগনের মুখামুখি দাড় করিয়েছে।বিগত কয়েক বছর যাবৎ ক্রসফায়ার আমাদের জাতীয় জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ন ভূমিকা পালন করে আসছে।কিছু নিরিহ লোক মারা যাওয়া ছাড়া ইহার অন্য কোন সাইড ইফেক্ট নেই।সরকারকে শুধু খেয়াল রাখতে হবে নিরিহ লোক যেন কোন অবস্থাতেই ক্রসফায়ারের স্বীকার না হন।এই প্রশ্নের সাথে একটি লেজ লাগালে মন্দ হত না।লেজটি হল আমরা চোর এবং সন্ত্রাসী রাজনিতিবিদদের ক্রসফায়ার চাই কি না?এতটুকু দুর্বলতা ছাড়া পূ্লটি আর কোন দোষে দূষ্ট নহে।পুলদাতাকে ধন্যবাদ এই পুলের জন্য।

Image

bd08's picture

No, it is inhuman

এই পোলটি বন্ধ করা হোক।
এই জাতীয় পোলও inhuman। কাজেই পোলটি দ্রুত বন্ধ করা হোক।
...সরকারের মন্ত্রীরাও বলছেন এটা আর হবে না, তারপরও র‌্যাব পুরানো অমানবিক টেকনিক গ্রহন করছে ...এর মানে র‌্যাবের উপর সরকারের কোনই নিয়ন্ত্রন নেই ... সরকার কবে যে ধপাস করে পড়বে কে জানে? পিলখানার ঘটনায় তো হাসিনা গং দের উপর মৃত্যদন্ড তাদের প্রতিনিয়ত তাড়া করে বেড়াচ্ছে ...

  • Save Bangladesh: No more farakka