আমিনুল ইসলাম: হাইকোর্টের সকল রায়ের সার্টিফাইড কপি এখন থেকে পাওয়া যাবে অনলাইনে। দীর্ঘ ৪ বছর অক্লান্ত পরিশ্রম আর মেধা খাটিয়ে এ ওয়েবসাইট তৈরি করেছে চ্যান্সেরি রিসার্চ এন্ড কনসালটেন্টস ট্রাস্ট (সিআরসি-ট্রাস্ট) নামের এক প্রতিষ্ঠান। বাংলাদেশের ইতিহাসে এটাই আইন বিষয়ক প্রথম পূর্ণাঙ্গ ওয়েবসাইট। এ ওয়েবসাইটের নামে িি.িপষপনফ.ড়ৎম গত আগস্ট মাসে আনুষ্ঠানিকভাবে এ ওয়েবসাইটের উদ্বোধন করা হয়।
এবিষয়ে প্রতিষ্ঠানের প্রধান এডভোকেট ইরশাদুল করিম বলেন, এ ওয়েবসাইটটি আইনের রেফারেন্স হিসেবে অনেক কাজে আসবে। খুব সহজেই একজন ব্যক্তি ওয়েবসাইট থেকে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সর্বশেষ জাজমেন্টের সার্টিফাইড কপি দেখতে পাবেন। এ পর্যন্ত এ ওয়েবসাইটে প্রায় ২ হাজার ৪০০ মামলার রায়, দুটি আইন বিষয়ক ডিকশনারি (একটি জুডিশিয়াল এবং অপরটি ল্যাজিজল্যাটিভ) শব্দসংক্ষেপ, আইনে বহুল প্রচলিত ল্যাটিন শব্দের ইংরেজি সমার্থক, জার্নাল, ডিরেক্টরি, বুক রিভিউ, আইনি সহায়তা বিষয়ক হেল্পলাইন, আইন আলোচনা বিষয়ক ফোরাম ইত্যাদির তথ্য আছে এ ওয়েসাইটে। তিনি আরো বলেন, বিভিন্ন আইনের ব্যাখ্যায় এবং বিশ্লেষণে ল’ রিপোর্টিংয়ের কাজ করবে এটি। যা আইনের ছাত্র, শিক্ষক, বিচারক, আইনজীবী, বিভিন্ন মামলায় এসব রিপোর্ট ৎবভধৎবহপব হিসেবে ব্যবহার করতে পারবেন। বাংলাদেশসহ বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই এ রকম ল’ রিপোর্টের প্রচলন থাকলেও অনলাইন ল’ রিপোর্টের ধারণাটি অপেক্ষাকৃত নতুন। উন্নত বিশ্বের কয়েকটি দেশে সরকারি ব্যবস্থাপনায় এ ধরনের অনলাইন ল’ রিপোর্ট থাকলেও ব্যক্তিপর্যায়ে এর সংখ্যা একেবারেই নগণ্য। সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে চ্যান্সেরি রিচার্স এন্ড কনসালটেন্টস ট্রাস্টের এ ধরনের উদ্যোগ অবশ্যই কৃতিত্বের দাবিদার। বাংলাদেশে এ উদ্যোগের স্বপ্নদ্রষ্টা ছিলেন এডভোকেট সিগমা হুদা। এ ওয়েব সাইটে একটি শক্তিশালী সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে যার ফলে কাক্সিক্ষত শব্দটি লেখা মাত্র ঐ শব্দের যতো মামলার রায় আছে তা দেখা যাবে।
তিনি আরো বলেন, ভবিষ্যতে হাইকোর্টের প্রতিদিনের মামলার রায় নিউজ আকারে প্রকাশ করা হবে এ ওয়েবসাইটে। অপাতত যে কোনো ব্যক্তি ফি ছাড়াই এ ওয়েবসাইট সার্চ করতে পারবেন। তবে কোনো তথ্য ডাউনলোড করতে পারবেন না।