ব্যতিক্রমী জয়া

দর্শক চাহিদার কথা বলতে গেলে বেশ চাহিদা চাহিদা রয়েছে তার। অন্যদিকে নির্মাতাদের কাছেও রয়েছে ব্যাপক চাহিদা। কিন্তু চাহিদার তুলনায় কাজ তিনি করেন না। কম কাজ করেও ব্যাপক জনপ্রিয়তা ধরে রেখেছেন এখনও। অভিনয় শিল্পী হিসেবে অবশ্য সাফল্য অনেক আগেই মুঠোবন্দি করেছেন।

মডেলিংয়েও চমক দেখিয়েছেন। যার কথা বলা হচ্ছে তিনি জয়া আহসান। গ্ল্যামার ও অভিনয় নৈপুণ্যে ইতিমধ্যেই টিভি দর্শকের কাছে পরিণত হয়েছেন প্রিয় মুখ হিসেবে। জয়া আহসান কম কাজ করার বিষয়ে বলেন, প্রচুর তো করেছি। তাই এখন কাজ একটু কম করতে চাই। কারণ জানতে চাইলে বলেন, নির্দিষ্ট কোন কারণ নেই।

তবে আমি চাইলে প্রচুর কাজ করতে পারতাম। কিন্তু ব্যতিক্রমী কাজ না হলে করবো না। এছাড়া সংসারেও সময় দিচ্ছি। অবশ্য নিজের কাছে যেসব কাজ ভাল লাগে সে সবই করি। আরেকটি কথা, অভিনয়কে আমি কখনও পেশা হিসেবে নেইনি। তার মানে এই নয় আমি অভিনয় করার সময় পেশাদারি মনোভাব নিয়ে করি না।

শতভাগ পেশাদারি মনোভাব ও ভালবাসা নিয়ে করি। সম্প্রতি জয়া আহসান অভিনীত টুলেট নামের একটি ধারাবাহিক নাটকের প্রচার শেষ হয়েছে। মাতিয়া বানু শুকুর পরিচালনায় এই নাটকে নুপুর চরিত্রে অভিনয় করে আবার নতুন করে আলোচনায় এসেছেন তিনি।

ব্যাপক জনপ্রিয়তা পাওয়া নাটক টুলেট এর বদৌলতে নতুন করে আলোচনায় আসা প্রসঙ্গে জয়া বলেন, সত্যি কথা বলতে টুলেট নাটকে আমি প্রথমবারের মতো নেত্রকোনা জেলার আঞ্চলিক ভাষায় সংলাপ বলি। ময়মনসিংহ হয়তো দুএকবার গিয়েছি কিন্তু নেত্রকোনায় কখনও যাইনি।

নাটকের পরিচালক শুকু আপা আমাকে সংলাপ বলার ব্যাপারে বেশ সহযোগিতা করেছেন। তারপর আমি নিজেও চেষ্টা করেছি। সব মিলিয়ে শেষ পর্যন্ত কাজটি ভাল হয়েছে। টুলেট প্রসঙ্গে জয়া আহসান আরও বলেন, এই নাটকে অভিনয়ের প্রয়োজনে আমাকে প্রচুর পরিমাণে পান খেতে হয়েছে।

আর পান খেয়ে সমস্যার সম্মুখীনও হয়েছি। উল্লেখ্য, বর্তমানে জয়া আহসান অন্তরী নামের একটি নতুন ধারাবাহিক নাটকে অভিনয় করছেন। পান্থ শাহরিয়ারের রচনায় নাটকটি পরিচালনা করছেন সুমন আনোয়ার। তিনি বলেন, অন্তরীক্ষ নাটকে আমাকে তিন রকমভাবে পর্দায় দেখতে পাবে দর্শকরা।

নাটকের বিভিন্ন সময়ে আমি বিভিন্নভাবে উপস্থিত হবো। রকম তিনটি সম্পর্কে জানতে চাইলে বলেন, চমক রাখার জন্য এখনই বলতে চাই না। তাছাড়া বলে দিলে দর্শকরা মজা পাবে না। আমি চাই এটি দর্শকরা পর্দায় দেখুক। চলচ্চিত্রের প্রসঙ্গ টানতেই বলেন, ব্যাচেলর চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছি।

আমি চলচিত্রের বিষয়ে কখনই নেগেটিভ নই। কিন্তু আমি যেভাবে চাই সে রকম হতে হবে। নিজের পছন্দকে সব সময় প্রাধান্য দেই আমি। যে বিষয়টি নাটকেও ঘটে চলেছে। মডেলিংয়ের বিষয়ে বলেন, অনেক দিন পর ফ্রেশ চিনির বিজ্ঞাপন করেছি। ইতোমধ্যে বিজ্ঞাপনটি ব্যাপক জনপ্রিয়তাও পেয়েছে।

অভিনয় ও মডেলিংয়ে সাফল্য পাওয়ার পর ভাল লাগার বিষয় জানতে চাইলে বলেন, অভিনয়ই আমার সব সময় বেশি ভাল লাগে। বিজ্ঞাপন দ্রুত পরিচিতি এনে দিলেও অভিনয়ের সঙ্গে বেশি ভালবাসায় জড়িয়ে গেছি। আমি অভিনয় নিয়েই থাকতে চাই। তার মানে বিজ্ঞাপন করবো না তা বলছি না। অন্য এক প্রসঙ্গে বলেন, নির্মাণে আসার চিন্তা ভাবনা এখনও নেই। তবে ভবিষ্যতে কি হবে তা সময়ই বলে দিবে।