ঈদুল আজহায় চামড়া সংগ্রহ করা হয়। ছবি: সংগৃহীত

চামড়া পাচারের আশঙ্কা করছে বিটিএ

‘কেউ যদি চামড়ায় সঠিকভাবে লবণ না দেয়, তাহলে কম দাম পাবে। তবে সঠিকভাবে লবণ দিয়ে চামড়া সংরক্ষণ করলে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ট্যানারি মালিকরা তা সংগ্রহ করবে, নির্ধারিত দামও পাবে।’

শেখ নোমান
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ২৫ আগস্ট ২০১৮, ১৮:২৩ আপডেট: ২৫ আগস্ট ২০১৮, ১৮:২৩
প্রকাশিত: ২৫ আগস্ট ২০১৮, ১৮:২৩ আপডেট: ২৫ আগস্ট ২০১৮, ১৮:২৩


ঈদুল আজহায় চামড়া সংগ্রহ করা হয়। ছবি: সংগৃহীত

(ইউএনবি) চামড়া পাচারের আশঙ্কার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএ)। সংগঠনটির পক্ষ থেকে তাই আগামী এক মাস সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর আহ্বান জানানো হয়েছে।

২৫ আগস্ট, শনিবার ধানমন্ডির বিটিএ অফিসে চামড়া নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সভাপতি শাহিন আহমেদ এই আশঙ্কার কথা জানান।

শাহিন আহমেদ বলেন, ‘কাঁচা চামড়ার দাম নিয়ে মিডিয়াতে যেভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে, এটা আসলে বিচ্ছিন্ন ঘটনা। পাড়া-মহল্লায় লোকজন ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন জোরপূর্বক কম দামে চামড়া কিনছে, তার দায় ট্যানারিরা নিবে না। ট্যানারি মালিকরা নির্ধারিত মূল্যে লবণযুক্ত চামড়া কিনবে।’

‘কেউ যদি চামড়ায় সঠিকভাবে লবণ না দেয়, তাহলে কম দাম পাবে। তবে সঠিকভাবে লবণ দিয়ে চামড়া সংরক্ষণ করলে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে ট্যানারি মালিকরা তা সংগ্রহ করবে, নির্ধারিত দামও পাবে’, যোগ করেন বিটিএ সভাপতি।

কম মূ্ল্যে চামড়া কেনা হচ্ছে, এ ধরনের সংবাদ সঠিক নয় দাবি করে শাহিন বলেন, ‘এই ম্যাসেজের কারণে চামড়া পাচারের আশঙ্কা রয়েছে। আর তাই আগামী এক মাস সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানাচ্ছি।’

বাংলাদেশ ট্যানার্স অ্যাসোসিয়েশন সভাপতি আরও বলেন, ‘চামড়া শিল্পে ক্রান্তিকাল চলছে। বর্তমানে বেশির ভাগ ট্যানারিতে উৎপাদনে নেই। গত বছরের ৪০-৪৫ শতাংশ চামড়া এখনো অবিক্রিত অবস্থায় পড়ে আছে। সাভারে পরিকল্পিত ট্যানারি শিল্প গড়ে না উঠার দায় বিসিকের। ভুল তথ্য দিয়ে ট্যানারি মালিকদের সেখানে স্থানান্তর করা হয়েছিল। বারবার সময় বাড়িয়েও এখানে পরিকল্পিত শিল্প নগরীর কাজ শেষ করা হয়নি। এর দায় বিসিকের।’

এখানে বিনিয়োগ করে ট্যানারি মালিকরা মাঠে মারা গেছে বলেও মনে করেন শাহিন আহমেদ।

প্রিয় সংবাদ/শান্ত