যেসব পুরুষ এই কাজটি করেন, তাদের পুরুষাঙ্গে অস্বাভাবিক কিছু পিণ্ড দেখা যায়। ছবি: সংগৃহীত

পুরুষাঙ্গ বড় করতে হবে, তাই বলে...

পুরুষাঙ্গ বড় করার প্রক্রিয়াটি নিজে নিজে করতে গিয়ে ভয়াবহ আহত হচ্ছেন পুরুষরা।

কে এন দেয়া
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ১৭ এপ্রিল ২০১৯, ১১:১৯ আপডেট: ১৭ এপ্রিল ২০১৯, ১১:১৯
প্রকাশিত: ১৭ এপ্রিল ২০১৯, ১১:১৯ আপডেট: ১৭ এপ্রিল ২০১৯, ১১:১৯


যেসব পুরুষ এই কাজটি করেন, তাদের পুরুষাঙ্গে অস্বাভাবিক কিছু পিণ্ড দেখা যায়। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) অনেক ধরনের চিকিৎসা প্রক্রিয়াই ডাক্তারের অনুপস্থিতিতে নিজে নিজে করার চেষ্টা হতে পারে বিপজ্জনক, যেমন ওপেন হার্ট সার্জারি। একই ধরনের বিপজ্জনক একটি কাজ হলো পেনিস এনলার্জমেন্ট বা পুরুষাঙ্গ বড় করার প্রক্রিয়াটি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি, নিজে নিজে এই কাজটি করতে গিয়ে ভয়াবহ আহত হচ্ছেন পাপুয়া নিউ গিনির পুরুষরা

সে দেশের ডাক্তাররা এই ‘জাতীয়’ সমস্যা সামলাতে হিমশিম খেয়ে যাচ্ছেন। দেশটির পর্ট মোর্সবি জেনারেল হাসপাতালের এক ডাক্তার জানান, গত দুই বছরে তার ক্লিনিক অন্তত ৫০০ জন পুরুষের চিকিৎসা করেছে যারা পুরুষাঙ্গ বড় করতে গিয়ে বরং তা নষ্ট করে ফেলেছে। এসব পুরুষ পুরুষাঙ্গ বড় করতে গিয়ে তাতে বেবি অয়েল, সিলিকন, রান্নার তেল ও নারিকেল তেল প্রবেশ করায় ইনজেকশনের মাধ্যমে।

কাজটি কতটা বিপজ্জনক?

যেসব পুরুষ এই কাজটি করেন, তাদের পুরুষাঙ্গে অস্বাভাবিক কিছু পিণ্ড দেখা যায়, এমনকি তাদের অণ্ডকোষেও তা দেখা দিতে পারে। অনেকের পুরুষাঙ্গে ক্ষত থাকে, এমনকি এত বেশি ফুলে থাকে যে তারা প্রস্রাব করতেও পারেন না।

সেদেশের তরুণ পুরুষদের মাঝে এই কাজটি করার প্রবণতা বেশি দেখা যায়। তাদেরকে ফুসলে এই কাজটি করায় প্রতারকরা। তাদেরকে বলা হয়, এভাবে পুরুষাঙ্গে বিভিন্ন তরল প্রবেশ করালে তা লম্বা ও মোটা হবে এবং তাদের যৌন জীবন উন্নত করবে। কিন্তু আসলে তাদের পুরুষাঙ্গ বিকৃত হয়ে যাচ্ছে এমনকি তারা যৌন অক্ষমতায় ভুগছেন।

শরীরের যে কোনো জায়গাতেই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনোকিছু ইনজেকশনের মাধ্যমে প্রবেশ করানোর ঝুঁকি অনেক বেশি। গত মাসে এক নারী শরীরে ফলের রস ইনজেকশনের মাধ্যমে প্রবেশ করিয়ে মরতে বসেছিলেন। তারও কয়েক মাস আগে পিঠের ব্যথা সারাতে এক পুরুষ ১৮ বার ইনজেকশনের মাধ্যমে নিজের শরীরে বীর্য প্রবেশ করিয়েছিলেন।

সূত্র: আইএফএলসায়েন্স

প্রিয় লাইফ/রুহুল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

প্রিয় টিপস: ২৬ মে, ২০১৯

প্রিয় ৯ ঘণ্টা, ৫৩ মিনিট আগে

loading ...