খুলনার উপকূলীয় কয়রা অঞ্চলে প্রচণ্ড ঝড় বইতে শুরু করেছে। ছবি: সংগৃহীত

ফণীর প্রভাবে উপকূলীয় অঞ্চলে ঝড়-বৃষ্টি

সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও আশাশুনিতে শুরু হয়েছে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ও হালকা হাওয়া।

মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩ মে ২০১৯, ১৫:২০ আপডেট: ০৩ মে ২০১৯, ১৫:২০
প্রকাশিত: ০৩ মে ২০১৯, ১৫:২০ আপডেট: ০৩ মে ২০১৯, ১৫:২০


খুলনার উপকূলীয় কয়রা অঞ্চলে প্রচণ্ড ঝড় বইতে শুরু করেছে। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) ঘূর্ণিঝড় ফণীর আগমনী বার্তায় ইতোমধ্যে খুলনার উপকূলীয় কয়রা অঞ্চলে প্রচণ্ড ঝড় বইতে শুরু করেছে। ৩ মে, শুক্রবার দুপুর পৌনে ১টায় আকাশ কালো হয়ে ঝড় বইতে শুরু করে। এ ছাড়াও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সকাল থেকে থেমে থেমে ঝড়-বৃষ্টি হচ্ছে।

আবহাওয়া অধিদফতরের পরিচালক শামসুদ্দিন আহমেদ সংবাদমাধ্যমকে জানান, ৩ মে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা নাগাদ পুরো বাংলাদেশ ঘূর্ণিঝড়ের আওতায় থাকবে, এই সময়টা ক্রিটিক্যাল। উচ্চগতির বাতাস ও দমকা ঝোড়ো হাওয়ার সময় সবাইকে নিরাপদে থাকতে হবে। ঘূর্ণিঝড়টি শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে সারা রাত বাংলাদেশের ওপর দিয়ে বয়ে যাবে।

জানা গেছে, ইতোমধ্যে ভোলার চরফ্যাশনের চরপাতিলা ও ঢালচরের নিচু এলাকা প্লাবিত হয়েছে। এতে তলিয়ে গেছে বিস্তীর্ণ এলাকা। স্বাভাবিকের চেয়ে দেড় থেকে দুই ফুট পানি উঠায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও আশাশুনিতে শুরু হয়েছে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি ও হালকা হাওয়া। নদীতেও দেখা দিয়েছে উত্তাল ঢেউ। কুয়াকাটায় বাতাসের বেগ ক্রমেই বাড়ছে। জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এদিকে অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ফণী ঘণ্টায় প্রায় ২০০ কিলোমিটার গতিতে আঘাত হেনে ভারতের ওডিশা উপকূল অতিক্রম করে অগ্রসর হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের দিকে। এরপর ফণী দুর্বল হয়ে ৮০ থেকে ১০০ কিলোমিটার বেগে খুলনা অঞ্চলে আঘাত হেনে যশোর, সাতক্ষীরা, রাজশাহী, বগুড়া ও রংপুরের কিছু অঞ্চলের উপর দিয়ে অতিক্রম করবে বলেও জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদফতর।

প্রিয় সংবাদ/রুহুল