ফাইল ছবি

কিশোরগঞ্জে বজ্রপাতে শিশুসহ ৬ জনের মৃত্যু

ঘূর্ণিঝড়টি এখনও শক্তিশালী রয়েছে। উড়িষ্যা থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় কিছুটা দুর্বল হতে পারে।

মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ০৩ মে ২০১৯, ১৮:৫৭ আপডেট: ০৩ মে ২০১৯, ১৮:৫৭
প্রকাশিত: ০৩ মে ২০১৯, ১৮:৫৭ আপডেট: ০৩ মে ২০১৯, ১৮:৫৭


ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) কিশোরগঞ্জের ইটনা, মিঠামইন ও পাকুন্দিয়া উপজেলায় বজ্রপাতে এক শিশুসহ ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। ৩ মে, শুক্রবার দুপুরের দিকে ঘূর্ণিঝড় ফণীর প্রভাবে সৃষ্ট বৃষ্টির সময় বজ্রপাতে তারা প্রাণ হারান।

কিশোরগঞ্জে নিহতরা হলেন ইটনা উপজেলার ধনপুর ইউনিয়নের কাটুইর গ্রামের রাখেশ দাসের ছেলে রুবেল দাস (২৬), মিঠামইন উপজেলার বৈরাটি ইউনিয়নের বিরামচর গ্রামের গোলাপ মিয়ার ছেলে মহিউদ্দিন (২৩), একই উপজেলার কেওয়াজোড় ইউনিয়নের অলিপুর গ্রামের এবাদ মিয়ার ছেলে সুমন মিয়া (৭), পাকুন্দিয়া উপজেলার সুখিয়া ইউনিয়নের কুর্শাকান্দা গ্রামের আয়াজ আলীর ছেলে আসাদ মিয়া (৫৫), চর ফরাদি ইউনিয়নের আলগিরচর গ্রামের আব্দুল হালিমের মেয়ে নুরুন্নাহার (৩০) ও একই এলাকায় এনতাজ আলী ছেলে মুজিবুর (১৭)।

পুলিশ ও এলাকাবাসীদের ভাষ্য, শুক্রবার দুপুরের দিকে জেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রবল বৃষ্টি ও ধমকা হাওয়া বয়ে যায়। মাঠে কাজ করার সময় পাকুন্দিয়া, ইটনা ও মিঠামইনে তিন কৃষক ও মাঠ থেকে গরু আনতে গিয়ে এক শিশুর মৃত্যু হয়।

এদিকে আবহাওয়া অধিদফতর জানিয়েছ, রাতে খুলনা, সাতক্ষীরাসহ উপকূলে আঘাত হানতে পারে ফণী।

আবহাওয়া অধিদফতরের কর্মকর্তারা বলেছেন, ঘূর্ণিঝড়টি এখনও শক্তিশালী রয়েছে। ওডিশা থেকে বাংলাদেশে প্রবেশের সময় কিছুটা দুর্বল হতে পারে। কিন্তু কতটা শক্তি হারাতে পারে, তা এখনই তারা ধারণা করতে পারছেন না। 

গতিপথ ঠিক থাকলে ঘূর্ণিঝড় ফণী খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, বরিশাল অঞ্চল, রাজশাহী, ফরিদপুর এবং ঢাকা হয়ে ভারতের মেঘালয়ের দিকে যাবে।

আরও পড়ুন: কোন দিকে যাচ্ছে ফণী, দেখুন লাইভ

প্রিয় সংবাদ/রিমন