বিআরটিসি ও স্বজন পরিবহনের বাসের রেষারেষিতে মারা যায় রাজীব। ফাইল ছবি

রাজীবের ক্ষতিপূরণের রায় পেছানো হয়েছে

সেইদিন রায় ঘোষণা না করে ২৩ মে রায় ঘোষণার দিন ধার্য করা করা হয়। সে হিসেবে মামলাটি বৃহস্পতিবারের কার্যতালিকায় ছিল।

আমিনুল ইসলাম মল্লিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৩ মে ২০১৯, ১৫:৫১ আপডেট: ২৩ মে ২০১৯, ১৫:৫১
প্রকাশিত: ২৩ মে ২০১৯, ১৫:৫১ আপডেট: ২৩ মে ২০১৯, ১৫:৫১


বিআরটিসি ও স্বজন পরিবহনের বাসের রেষারেষিতে মারা যায় রাজীব। ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) দুই বাসের রেষারেষিতে রাজধানীর তিতুমীর কলেজের ছাত্র রাজীবের মৃত্যুর ঘটনায় এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণের রুলের ওপর রায় ঘোষণার দিন আবারও পেছানো হয়েছে। আগামী ২০ জুন দিন নির্ধারণ করেছে হাইকোর্ট

২৩ মে বৃহস্পতিবার বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু। এর আগে গত ১৫ মে রায় ঘোষণার দিন নির্ধারণ থাকলেও সেইদিন রায় ঘোষণা না করে ২৩ মে রায় ঘোষণার দিন ধার্য করা হয়। সে হিসেবে মামলাটি বৃহস্পতিবারের কার্যতালিকায় ছিল।

কোনো ব্যক্তি দুর্ঘটনায় আহত বা নিহত হলে সংশ্লিষ্ট পরিবহনের ইন্স্যুরেন্সকারী কোম্পানি কীভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিকে ক্ষতিপূরণের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে পারে, বিষয়টি নিয়ে বৃহস্পতিবার আদালতে শুনানি হয়। ইন্স্যুরেন্স-সংক্রান্ত এই বিষয় সামনে আসার প্রেক্ষাপটে আদালত শুনানি নিয়ে রায়ের জন্য নতুন দিন ধার্য করেন।

২০১৮ সালের ৩ এপ্রিল রাজধানীর কারওয়ান বাজারের সার্ক ফোয়ারার কাছে বিআরটিসি ও স্বজন পরিবহনের দুই বাসের রেষারেষিতে হাত হারান রাজীব। দুই বাসের চাপায় তার ডান হাত কনুইয়ের ওপর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। দুর্ঘটনার পরপরই তাকে পান্থপথের শমরিতা হাসপাতালে নেওয়া হয়।

ঘটনার পরদিন ৪ এপ্রিল রাজীবের চিকিৎসা ও ক্ষতিপূরণের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করেন ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাজীবের অবস্থার অবনতি হলে তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজে স্থানান্তর করা হয়। ১৩ দিন চিকিৎসার পর ১৬ এপ্রিল মধ্যরাতে মারা যান রাজীব। পরে রাজীবের পরিবারকে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে রুল জারি করে হাইকোর্ট।

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বাঁশবাড়ি গ্রামের রাজীব তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় মা এবং অষ্টম শ্রেণিতে পড়ার সময় বাবাকে হারান। ঢাকার মতিঝিলে খালার বাসায় থেকে এসএসসি ও এইচএসসি পাস করে ভর্তি হন স্নাতকে। কখনো টিউশনি করে, কখনো খণ্ডকালীন কাজ করে নিজে পড়াশোনা করেছেন এবং দুই ভাইকে পড়িয়েছেন।

প্রিয় সংবাদ/রুহুল

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...