বিদেশি কূটনীতিকদের ব্রিফিং করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন। ছবি: সংগৃহীত

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে প্রতিশ্রুতি রাখছে না মিয়ানমার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

মিয়ানমার বলছে, বাংলাদেশের কারণে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে দেরি হচ্ছে। অথচ বাংলাদেশ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে এক পায়ে খাড়া।

মোক্তাদির হোসেন প্রান্তিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১২ জুন ২০১৯, ১৫:১৪ আপডেট: ১২ জুন ২০১৯, ১৫:১৪
প্রকাশিত: ১২ জুন ২০১৯, ১৫:১৪ আপডেট: ১২ জুন ২০১৯, ১৫:১৪


বিদেশি কূটনীতিকদের ব্রিফিং করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) মিয়ানমার রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন নিয়ে মিথ্যাচার করছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী একে আবদুল মোমেন।

তিনি বলেন, ‘জাপানের ফিউচার এশিয়া সম্মেলনে মিয়ানমারের একজন মন্ত্রী বলেছেন, বাংলাদেশের কারণেই রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে দেরি হচ্ছে। এটা ডাহা মিথ্যা কথা। বাংলাদেশ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে এক পায়ে খাড়া। বরং মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের নিয়ে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, সেটা তারা রাখছে না। রাখাইনে ৮০০টি গ্রামের মধ্যে তারা মাত্র দুটি গ্রামের পরিস্থিতি ভালো দেখিয়ে বলছে, সেখানে কোনো সমস্যা নেই।’

১২ জুন, বুধবার রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় বিদেশি কূটনীতিকদের ব্রিফিং শেষে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

রোহিঙ্গা সংকটের সর্বশেষ পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করে কূটনীতিকদের সহায়তা চেয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘মিয়ানমারের ওপর চাপ বৃদ্ধি করতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ, যাতে তারা (মিয়ানমার) রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের জন্য সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করে।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘তারা (মিয়ানমার) বলছে, বাংলাদেশের কারণে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে দেরি হচ্ছে। অথচ বাংলাদেশ রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে এক পায়ে খাড়া। রোহিঙ্গাদের দেশে ফিরিয়ে নিতে বারবার আশ্বাস দিলেও কথা রাখছে না মিয়ানমার।’

‘ছয় মাস আগে তারা ব্রিফিং করে বলেছিল সব ঠিকঠাক করে দেবে। কিন্তু গত মাসের বৈঠকে দেখা গেল, নতুন কোনো অগ্রগতি হয়নি। এখন পর্যন্ত একজন রোহিঙ্গা, এমনকি নোম্যান্স ল্যান্ডে যারা আছেন, তারাও ফেরত যাননি। তাদের এমন ডাহা মিথ্যা কথা কতক্ষণ সহ্য করা যায়?’

ব্রিফিংয়ের পর ড. মোমেন গণমাধ্যমকে বলেন, ‘তারা (বিদেশি কূটনীতিক) আমাদেরকে বলেছেন যে, তারা আমাদের সাথে আছেন। আমরা তাদেরকে বলেছি, মিয়ানমারের ওপর চাপ প্রয়োগ বৃদ্ধি করুন, যাতে তারা সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করে এবং প্রায় সবাই এ ব্যাপারে একমত পোষণ করেছেন। এ ব্যাপারে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছে বাংলাদেশ।’

প্রিয় সংবাদ/আজাদ চৌধুরী