এবি ডি ভিলিয়ার্স ও ফাফ ডু প্লেসি। ছবি: সংগৃহীত

দলে ফিরতে ডু প্লেসিকে ফোন করেছিলেন ডি ভিলিয়ার্স

এবি ডি ভিলিয়ার্সকে নিয়ে চলমান বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করলেন প্রোটিয়া অধিনায়ক ফাফ ডু প্লেসি।

মুশাহিদ
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ১২ জুন ২০১৯, ১৫:৪২ আপডেট: ১২ জুন ২০১৯, ১৫:৪২
প্রকাশিত: ১২ জুন ২০১৯, ১৫:৪২ আপডেট: ১২ জুন ২০১৯, ১৫:৪২


এবি ডি ভিলিয়ার্স ও ফাফ ডু প্লেসি। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম তিন ম্যাচের তিনটিতেই হার। ইংল্যান্ড, বাংলাদেশ ও ভারতের বিপক্ষে টানা তিন হারে রীতিমতো দিশেহারা দক্ষিণ আফ্রিকা শিবির। ঠিক এমন সময়ই বোমাটা ফাটান এবি ডি ভিলিয়ার্স। দক্ষিণ আফ্রিকার সাবেক অধিনায়ক জানান, বিশ্বকাপের আগে অবসর ভেঙে ফেরার ইচ্ছা পোষণ করেছিলেন তিনি। খেলতে চেয়েছিলেন বিশ্বকাপে। কিন্তু ভিলিয়ার্সের সেই প্রস্তাবে অসম্মতি জানায় টিম ম্যানেজমেন্ট।

গেল ৬ জুন এমন খবর প্রকাশ হওয়ার পর থেকেই বারবার আলোচনায় উঠে আসছে ভিলিয়ার্সের নাম। এবার সেই বিতর্কে নতুন মাত্রা যোগ করলেন ফাফ ডু প্লেসি। প্রোটিয়া অধিনায়ক জানান, ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের দলে ফেরার জন্য দল ঘোষণার আগের রাতে তাকে ফোন করেছিলেন ডি ভিলিয়ার্স।

১০ জুন সাউদাম্পটনে উইন্ডিজের মুখোমুখি হয় দক্ষিণ আফ্রিকা। এদিনও যেন হার চোখ রাঙাচ্ছিল টস হেরে আগে ব্যাটিং করতে নামা প্রোটিয়াদের। কিন্তু বৃষ্টির কারণে উইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যকার ম্যাচটি শেষ পর্যন্ত পরিত্যক্ত হয়। ম্যাচ পরিত্যক্ত হওয়ার পর সংবাদ সম্মেলনে এসে ডু প্লেসি জানান, ডি ভিলিয়ার্স যখন ফিরতে চেয়েছিলেন তখন তাকে স্কোয়াডে রাখার মতো কোনো সুযোগ ছিল না।

এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আমার সঙ্গে ডি ভিলিয়ার্সের কথা হয়েছিল। দল নির্বাচনের ঠিক আগের রাতে ডি ভিলিয়ার্স আমাকে ফোন করেছিল। ও বিশ্বকাপ খেলতে চেয়েছিল। কিন্তু আমি ওকে শুরুতেই বলে দিয়েছিলাম, এখন অনেক দেরি হয়ে গেছে। তাও কোচ ও নির্বাচকদের সাথে আলোচনা করব বলে জানিয়েছিলাম।’

ডু প্লেসি অবশ্য তার কথা রেখেছিলেন। পরদিনই কোচ ও টিম ম্যানেজমেন্টকে জানিয়েছিলেন ডি ভিলিয়ার্স বিশ্বকাপ দলে ফিরতে চান। কিন্তু ভিলিয়ার্সের ফেরার প্রস্তাব নাকচ করে দেয় প্রোটিয়া টিম ম্যানেজমেন্ট।

ডু প্লেসির ভাষ্য, ‘আমি সকালে কোচ ও নির্বাচকদের সঙ্গে এটা নিয়ে কথা বলি। কিন্তু আমি যখন কোচ ও নির্বাচকদের সঙ্গে কথা বলি তারাও একই কথা বলেন। সত্যিই অনেকটা দেরি হয়ে গেছে। এখন আর দলে কোনো পরিবর্তন সম্ভব নয়। কেননা দলটা তখন ৯৯.৯৯ শতাংশ তৈরি।’

২০১৮ সালে হঠাৎ করেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দেন ডি ভিলিয়ার্স। তাকে দলে না ফেরানোর ব্যাপারে টিম ম্যানেজমেন্টের যুক্তিটাও স্পষ্ট। তাদের ব্যাখ্যা, এক বছর ধরে জাতীয় দলে নেই ভিলিয়ার্স। এর জেরে নির্বাচকরাও তাকে ছাড়া ভাবতে শুরু করে। এ ছাড়া ডি ভিলিয়ার্সকে ফেরাতে হলে বর্তমানে খেলতে থাকা কোনো ক্রিকেটারকে দল থেকে বাদ দিতে হবে। সেটা হলে ওই ক্রিকেটারের সঙ্গে অবিচার করা হবে।

প্রিয় খেলা/আজাদ চৌধুরী