পুলিশের ডিআইজি মিজানুর রহমান (বামে) দুদকের সাবেক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির (ডানে)। ছবি: সংগৃহীত

ঘুষ লেনদেন: মিজান ও বাছিরকে ডেকেছে দুদক

আগামী ১ জুলাই হাজির হতে বলা হয়েছে।

আমিনুল ইসলাম মল্লিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৪ জুন ২০১৯, ১৭:৫১ আপডেট: ২৪ জুন ২০১৯, ১৭:৫১
প্রকাশিত: ২৪ জুন ২০১৯, ১৭:৫১ আপডেট: ২৪ জুন ২০১৯, ১৭:৫১


পুলিশের ডিআইজি মিজানুর রহমান (বামে) দুদকের সাবেক পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছির (ডানে)। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) ঘুষ কেলেঙ্কারির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে পুলিশের আলোচিত উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমান ও দুদকের বরখাস্ত হওয়া পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে তলব করা হয়েছে। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

২৪ জুন, সোমবার দুদক প্রধান কার্যালয় থেকে এ নোটিশটি পাঠানো হয়। নোটিশে তাদেরকে আগামী ১ জুলাই হাজির হতে বলা হয়েছে। দুদকের পরিচালক শেখ মো. ফানাফিল্লার নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি টিম অনুসন্ধানের দায়িত্ব পালন করছে। অপর সদস্যরা হলেন- দুদকের সহকারী পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান ও সালাহউদ্দিন আহমেদ।

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগের মুখে থাকা মিজানুর রহমান দুদকের সে সময়ের অনুসন্ধান কর্মকর্তা পরিচালক খন্দকার এনামুল বাছিরকে ৪০ লাখ টাকা ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠে। মিডিয়ায় বিষয়টি ফাঁস হওয়ার পরপর এনামুল বাছিরকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। যদিও পরিচালক এনামুল বারবার দাবি করেন রেকর্ডকৃত বক্তব্যগুলো কণ্ঠ নকল করে বানানো।

২০১৮ সালের ৩ মে অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে মিজানকে জিজ্ঞাসাবাদ করে দুদক। প্রথমে অনুসন্ধান কর্মকর্তা ছিলেন দুদকের উপ-পরিচালক ফরিদ আহমেদ পাটোয়ারী; পরে এই দায়িত্ব পান এনামুল। পরে অনুসন্ধান কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ পান দুদকের আরেক পরিচালক মো. মঞ্জুর মোরশেদ। গত ১২ জুন তাকে নিয়োগ দেওয়া হয়।

এদিকে তিন কোটি সাত লাখ টাকার সম্পদেরর তথ্য গোপন এবং তিন কোটি ২৮ লাখ টাকা অবৈধ সম্পদের অভিযোগ স্ত্রী, ভাই ও ভাগ্নেসহ পুলিশের উপ-মহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মিজানুর রহমানের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক।

মামলার আসামিরা হলেন- মিজানুর রহমান, তার স্ত্রী সোহেলিয়া আনার রত্না, ভাগ্নে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) মাহমুদুল হাসান ও ছোট ভাই মাহবুবুর রহমান।

প্রিয় সংবাদ/কামরুল