লাসিথ মালিঙ্গা। ছবি: সংগৃহীত

অবসর নিতে বাংলাদেশকেই কেন বেছে নিলেন লাসিথ মালিঙ্গা?

২৬ জুলাই, শুক্রবার বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটি খেলে একদিনের ক্রিকেট থেকে বিদায় জানাবেন শ্রীলঙ্কার ঝাঁকড়া চুলের ডানহাতি এই পেসার।

সৌরভ মাহমুদ
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ২৬ জুলাই ২০১৯, ১৩:৩৩ আপডেট: ২৬ জুলাই ২০১৯, ১৩:৩৩
প্রকাশিত: ২৬ জুলাই ২০১৯, ১৩:৩৩ আপডেট: ২৬ জুলাই ২০১৯, ১৩:৩৩


লাসিথ মালিঙ্গা। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) ২০০৪ সালের ১৭ জুলাই আন্তর্জাতিক একদিনের ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছিল লাসিথ মালিঙ্গার। দেড় দশকে ২২৫ একদিনের ম্যাচ খেলে ৩৩৫ উইকেট নিয়েছেন। ২৬ জুলাই, শুক্রবার বাংলাদেশের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটি খেলে একদিনের ক্রিকেট থেকে বিদায় নেবেন শ্রীলঙ্কার ঝাঁকড়া চুলের ডানহাতি এই পেসার।

লঙ্কান এই পেসারের অবসরের সিদ্ধান্ত জন্ম দিয়েছে একটি বিস্ময়ের। সেটি হলো, বাংলাদেশের বিপক্ষে এই সিরিজটি তিন ম্যাচের হলেও, মালিঙ্গা খেলবেন শুধু প্রথম ম্যাচেই। এমনটা হলে তো বিশ্বকাপেই ওয়ানডে ক্রিকেটকে বিদায় জানাতে পারতেন তিনি। তা না করে বাংলাদেশের বিপক্ষে হোম সিরিজের অপেক্ষা করলেন কেনো?

ক্যারিয়ারের শেষ ওয়ানডে ম্যাচ খেলতে মাঠে নামার আগে অবশ্য এর জবাব দিয়েছেন মালিঙ্গা। দেশের মাটিতে, চেনা পরিবেশে অবসর নেওয়ার জন্যই মূলত বাংলাদেশের বিপক্ষে এই ওয়ানডে সিরিজটিকে বেছে নিয়েছেন তিনি। আর যেহেতু অবসরের সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেছেন, তাই পুরো সিরিজ না খেলে স্রেফ এক ম্যাচের জন্যই খেলতে নামবেন ডানহাতি এই পেসার।

এক ভিডিও বার্তায় মালিঙ্গা বলেন, ‘আমার ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল দেশের মাটিতে। তাহলে কেন দেশের বাইরে অবসর নেব? নিজের দেশের সমর্থকদের সামনেই আমি অবসর নিতে চাই। যারা এতদিন আমাকে সমর্থন ও প্রেরণা জুগিয়ে এসেছেন, তাদের ভালোবাসার জোয়ারে ভেসে বিদায় নেওয়ার আশায় বিশ্বকাপের মঞ্চ থেকে অবসর ঘোষণা করিনি।’

তবে দেশের মাটিতে অবসর নিলেও, মালিঙ্গা বুঝতে পেরেছিলেন বিশ্বকাপ শেষেই তার থামা উচিৎ। যে কারণে অবসরটি বেশি প্রলম্বিত করেননি তিনি।

এ নিয়ে মালিঙ্গার ভাষ্য, ‘২০১৫ সালের বিশ্বকাপের পর মাহেলা জয়াবর্ধনে, কুমার সাঙ্গাকারা, দিলশানরা অবসর নেয়। এবারের বিশ্বকাপ শেষে আমার মনে হয়েছে থামা দরকার। সামনের দিকে তাকিয়ে নতুনদের সুযোগ দিতে হবে। তাদের ওপর বিশ্বাস রাখতে হবে। তারা পারে, ভবিষ্যতেও পারবে। আর সে জন্য ক্রিকেটের প্রতি নিজেদের উৎসর্গ করতে হবে তাদের। উন্নতি ঘটিয়ে নিজেদের অন্য উচ্চতায় তুলে নিয়ে যেতে হবে। এককভাবে সিদ্ধান্ত নিতে জানতে হবে।’

২০১১ সালে টেস্ট ক্রিকেট থেকে অবসর নেন মালিঙ্গা। পরবর্তী সময়ে কেবল মাত্র টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে ক্রিকেটেই মাঠে দেখা যেত তাকে। একদিনের ক্রিকেটে শ্রীলঙ্কার ইতিহাসে তৃতীয় সর্বোচ্চ উইকেট শিকারী মালিঙ্গা মোট ২২৫টি ম্যাচে ৩৩৫টি উইকেট নিয়েছেন। মুত্তিয়া মুরালিধরণের পরে তিনিই শ্রীলঙ্কার দ্বিতীয় বোলার, যিনি বিশ্বকাপে ৫০টি উইকেট নিয়েছেন। একই সঙ্গে তিনি বিশ্বের একমাত্র বোলার, যার ঝুলিতে বিশ্বকাপে দুটি হ্যাট্রিকের রেকর্ড আছে।

প্রিয় খেলা/রুহুল