ফাইল ছবি: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

অক্সফোর্ডের টিকা আসছে: সিনোভ্যাকের সঙ্গেও আলোচনা হবে

সঙ্কট কাটাতে যে টিকা এখন বাংলাদেশের জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজন সেই অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি ১০ লাখ ৮০০ ডোজ করোনাভাইরাসের টিকা কোভ্যাক্সের আওতায় পাওয়ার সুখবর দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন।

প্রিয় ডেস্ক
ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিত: ১১ জুন ২০২১, ২২:৫১ আপডেট: ১২ জুন ২০২১, ২০:৪৯
প্রকাশিত: ১১ জুন ২০২১, ২২:৫১ আপডেট: ১২ জুন ২০২১, ২০:৪৯


ফাইল ছবি: বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম

সঙ্কট কাটাতে যে টিকা এখন বাংলাদেশের জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজন সেই অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি ১০ লাখ ৮০০ ডোজ করোনাভাইরাসের টিকা কোভ্যাক্সের আওতায় পাওয়ার সুখবর দিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। শুক্রবার তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন, “কোভ্যাক্স কর্মসূচির আওতায় আমরা শিগগিরই ১০ লাখ ৮০০ ডোজ অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা পাচ্ছি।”

যদিও গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিলেন, বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজের টিকার ঘাটতি পূরণের জন্য বিভিন্ন দেশকে টিকা পাঠাতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। সবাই টিকা দেবে বলে। কিন্তু হাতে আসছে না।

১০ লাখ ডোজ অক্সফোর্ডের টিকা পাচ্ছি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী—প্রথম আলো (১১ জুন ২০২১): অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজের টিকার ঘাটতি পূরণের জন্য বিভিন্ন দেশের কাছে টিকা চেয়ে অনুরোধ জানিয়েছে বাংলাদেশ। তার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ২০ লাখ ডোজ টিকা চেয়েছে বাংলাদেশ। এই টিকা চেয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেনকে চিঠি লিখেছিলেন।

বাংলাদেশের অনুরোধের ব্যাপার যুক্তরাষ্ট্র কিছু বলেছে কি না, জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন আজ প্রথম আলোকে বলেন, ‘অ্যান্টনি ব্লিঙ্কেন বৃহস্পতিবার আমার চিঠির জবাব দিয়েছেন। তিনি আমাকে অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। তবে কবে, কী পরিমাণ টিকা পাঠাবেন, তা উল্লেখ করেননি।’

চীনের উপহারের ৬ লাখ টিকা ঢাকায় আসছে রোববার—প্রথম আলো (১১ জুন ২০২১): চীনের দ্বিতীয় দফা উপহারের ছয় লাখ করোনার টিকা আগামী রোববার ঢাকায় আসছে। ঢাকায় চীনা দূতাবাসের উপ-রাষ্ট্রদূত হুয়ালং ইয়ান আজ শুক্রবার সকালে তাঁর ফেসবুক পেজে এই তথ্য জানান। হুয়ালং ইয়ান লিখেছেন, চীনের উপহারের ছয় লাখ টিকা এখন বেইজিং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের পথে।

বাংলাদেশের জন্য নির্ধারিত চীনের সিনোফার্মের তৈরি ছয় লাখ টিকার চালানটি ১৩ জুন (রোববার) ঢাকায় আসবে বলে জানান হুয়ালং ইয়ান।

টিকা পেতে সিনোভ্যাকের সঙ্গে আলোচনা এ সপ্তাহে—প্রথম আলো (১১ জুন ২০২১): চীনের সিনোভ্যাক বায়োটেক থেকে করোনাভাইরাসের টিকা কিনতে সরকার এ সপ্তাহে আলোচনা শুরু করতে যাচ্ছে। বাংলাদেশের বিপুল জনগোষ্ঠীকে টিকা দেওয়া নিশ্চিত করতে সরকার বিভিন্ন উৎস থেকে টিকা কেনার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

পররাষ্ট্রসচিব মাসুদ বিন মোমেন গতকাল বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, চীনের সিনোফার্ম থেকে দেড় কোটি টিকা কেনার চুক্তি প্রায় চূড়ান্ত করে ফেলেছিল বাংলাদেশ। মে মাসের শেষ সপ্তাহে সরকারের এক অতিরিক্ত সচিব সাংবাদিকদের কাছে সিনোফার্মের টিকার দাম বলে দেন। এতে সিনোফার্ম থেকে জুন মাসে টিকার প্রথম চালান নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দিয়েছে। সিনোফার্মের টিকা বাংলাদেশের চেয়ে বেশি দামে কিনেছে শ্রীলঙ্কা। বাংলাদেশ এ বিষয়টি অনিচ্ছাকৃত উল্লেখ করে দুঃখ প্রকাশও করেছে।

কোভ্যাক্স থেকে ‘সহজে সংরক্ষণযোগ্য’ টিকা চায় বাংলাদেশ—বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম (১০ জুন ২০২১): করোনাভাইরাসের টিকার আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম কোভ্যাক্স থেকে স্থানীয় আবহাওয়ার ‘উপযোগী’ সহজে সংরক্ষণ ও পরিবহনযোগ্য টিকা চেয়েছে বাংলাদেশ। 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক এ বি এম খুরশীদ আলম গতকাল বৃহস্পতিবার বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “কোভ্যাক্স থেকে এ বিষয়ে জানতে চাওয়ার পর বাংলাদেশ বলেছে, কোভ্যাক্স থেকে দেওয়া টিকা বাংলাদেশের আবহাওয়া উপযোগী না হলে ম্যানেজ করা কঠিন হয়ে যাবে।”

সবাই টিকা দেবে বলে, কিন্তু হাতে আসছে না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী—প্রথম আলো (১০ জুন ২০২১): পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন বলেছেন, বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের অক্সফোর্ড অ্যাস্ট্রাজেনেকার দ্বিতীয় ডোজের টিকার ঘাটতি পূরণের জন্য বিভিন্ন দেশকে টিকা পাঠাতে অনুরোধ জানানো হয়েছে। সবাই টিকা দেবে বলে। কিন্তু হাতে আসছে না। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূতের কাছে ওষুধ হস্তান্তর অনুষ্ঠান শেষে তিনি এ তথ্য জানান।

টিকা মজুত আছে এক লাখ ৩৯ হাজার—বাংলা ট্রিবিউন (১০ জুন ২০২১): দেশে করোনাভাইরাসের টিকাদান কর্মসূচি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত টিকা দেওয়া হয়েছে মোট এক কোটি ৬০ হাজার ৮৭১ ডোজ। বর্তমানে টিকা মজুত আছে মাত্র এক লাখ ৩৯ হাজার ১২৯ ডোজ। এক কোটি ৬০ হাজার ৮৭১ ডোজের মধ্যে প্রথম ডোজ নিয়েছেন ৫৮ লাখ ২০ হাজার ১৫ জন। আর দ্বিতীয় ডোজ নিয়েছেন ৪২ লাখ ৪০ হাজার ৮৫৬ জন।