রাজধানীর ডিবিবিএল ভবনে অবস্থিত বেসিস অফিসে মঙ্গলবার প্লেকার্ড হাতে বেসিসের এক সদস্য। ছবি: রাকিবুল হাসান

‘৩১ মার্চ নির্বাচন না হলে থাকব না বেসিসে’

বেসিসের সদস্যদের দাবি, নির্বাচনের ৪ দিন আগে নির্বাচন স্থগিতের আদেশ উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

রাকিবুল হাসান
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৭ মার্চ ২০১৮, ১৯:২৭ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ০১:০০
প্রকাশিত: ২৭ মার্চ ২০১৮, ১৯:২৭ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ০১:০০


রাজধানীর ডিবিবিএল ভবনে অবস্থিত বেসিস অফিসে মঙ্গলবার প্লেকার্ড হাতে বেসিসের এক সদস্য। ছবি: রাকিবুল হাসান

(প্রিয়.কম) ‘বেসিস বাঁচাও’, ‘৩১ মার্চ নির্বাচন না হলে থাকব না বেসিসে’, ‘আমাদের দাবি যথাসময়ে নির্বাচন’–এমন দাবিই তুলে ধরেছেন বেসিস নির্বাচনে মনোনয়ন দাখিল করা প্রার্থীরা।

২৭ মার্চ মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রাজধানীর ডিবিবিএল ভবনে অবস্থিত বেসিস অফিসে প্রার্থীরা এমন দাবি করেন। এ সময় বেসিসের একাধিক সদস্যও উপস্থিত ছিলেন।

৩১ মার্চ বেসিস নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও তা স্থগিত করা হয়েছে এবং বর্তমান কমিটির মেয়াদ ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে।

বেসিসের সদস্যদের দাবি, নির্বাচনের ৪ দিন আগে নির্বাচন স্থগিতের সিদ্ধান্ত উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাদের অভিযোগ, বেসিসকে ধ্বংস করার জন্য একটি মহল অসৎ উদ্দেশ্যে নির্বাচন বানচাল করেছে।

এর আগে ২৭ মার্চ মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে বেসিস নির্বাচন কমিশনের কাছে নির্বাচন স্থগিত সংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠানো হয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সৈয়দা নাহিদা হাবিবার স্বাক্ষর করা ওই চিঠিতে বলা হয়, ২০১৭ সালের ২২ নভেম্বর যে বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) হওয়ার কথা ছিল সেটা শেষ করে এবং এখন পর্যন্ত বেসিস যেসব বিষয় সংশোধন না করে ঝুলিয়ে রেখেছে, সেগুলো সংশোধন করে পুনরায় তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচনের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

একই আদেশে বর্তমান কমিটিকে নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে সময় দেওয়া হয়েছে। আর মেয়াদও বাড়ানো হয়েছে ছয় মাস।

২১ মার্চ মধুমতি টেকের প্রোপাইটার রকিবুল মিনাসহ ১১ জনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২২ মার্চ নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়ে এই চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিটি মঙ্গলবার দুপুরে হাতে পায় বেসিস নির্বাচন কমিশন।

প্রিয় প্রযুক্তি/নোমান/রিমন