প্রতীকী ছবি

‘ষড়যন্ত্র হয়েছে এক দিনে, করেছেন ১১ জন’

আলমাস কবির বলেন, ‘এক দিনে এই ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। এর পেছনে রয়েছেন ১১ জন।’

রাকিবুল হাসান
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২৭ মার্চ ২০১৮, ২২:১৬ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ২১:১৬
প্রকাশিত: ২৭ মার্চ ২০১৮, ২২:১৬ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ২১:১৬


প্রতীকী ছবি

(প্রিয়.কম) বেসিস নির্বাচন বানচালে ১১ জন জড়িত রয়েছেন এবং এই ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন হয়েছে এক দিনে—এমনটিই বলেছেন বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবির

২৭ মার্চ, মঙ্গলবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে রাজধানীর বেসিস কার্যালয়ে ইসি সভার মিটিং শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।

আলমাস কবির বলেন, ‘আমরা কিছুক্ষণ আগে ইসি মেম্বার, প্রার্থী, আইনজীবীদের সঙ্গে বসেছিলাম। আমাদের কাছে পাঠানো চিঠিতে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে তা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। এক দিনে এ ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। এর পেছনে রয়েছেন ১১ জন।’

আলমাস কবির আরও বলেন, ‘নির্বাচন স্থগিতের জন্য যে রিজন দেখানো হয়েছে তা ভ্যালিড নয়। আর ডিটিও’র এখতিয়ার নেই নির্বাচন বন্ধ করার। ঠিক সময়ে নির্বাচন করতে আজকের মধ্যে বাণিজ্যমন্ত্রী এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রীর সঙ্গে বসা হবে এবং কালকের মধ্যে রিপ্রেজেন্টেশন করা হবে। এর সমাধান না হলে আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হবে।’

বেসিসের সাবেক সভাপতি শামীম আহসান বলেন, ‘বর্তমান সময় বেসিস সদস্যদের জন্য একটি ডিফিকাল্ট সময়। এই পরিস্থিতি সরকারকে বিব্রত করেছে। সঠিক সময়ে নির্বাচন করতে আমাদের যদি আন্দোলন করতে হয় আমরা করব।’

বেসিস নির্বাচনে মনোনয়ন দাখিলকারী মোস্তাফা রফিকুল বলেন, ‘যে ১১ জন এর সাথে জড়িত তাদের খুঁজে বের করতে হবে। শুধু এরাই নয়, এদের পেছনে যারা রয়েছে তাদেরকেও বের করতে হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।’

লুনা শামসুদ্দোহা বলেন, ‘১১ জন বেসিসের ১১০০ সদস্যকে অপমান করেছে। এরা বাংলাদেশকে অপমান করেছে।’ 

ওই সময় বেসিস সভা কক্ষে উপস্থিত সদস্যরা ওই ১১ জনকে খুঁজে বের করে তাদের বেসিস থেকে বহিষ্কারের আহ্বান জানান।

৩১ মার্চ বেসিস নির্বাচন হওয়ার কথা থাকলেও তা স্থগিত করা হয়েছে এবং বর্তমান কমিটির মেয়াদ ছয় মাস বাড়ানো হয়েছে।

বেসিসের সদস্যদের দাবি, নির্বাচনের চার দিন আগে নির্বাচন স্থগিতের সিদ্ধান্ত উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাদের অভিযোগ, বেসিসকে ধ্বংস করার জন্য একটি মহল অসৎ উদ্দেশ্যে নির্বাচন বানচাল করেছে।

এর আগে ২৭ মার্চ, মঙ্গলবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে বেসিস নির্বাচন কমিশনের কাছে নির্বাচন স্থগিতসংক্রান্ত একটি চিঠি পাঠানো হয়।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সৈয়দা নাহিদা হাবিবার স্বাক্ষর করা ওই চিঠিতে বলা হয়, ২০১৭ সালের ২২ নভেম্বর যে বিশেষ সাধারণ সভা (ইজিএম) হওয়ার কথা ছিল সেটা শেষ করে এবং এখন পর্যন্ত বেসিস যেসব বিষয় সংশোধন না করে ঝুলিয়ে রেখেছে, সেগুলো সংশোধন করে আবার তফসিল ঘোষণা করে নির্বাচনের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

একই আদেশে বর্তমান কমিটিকে নির্বাচনের ব্যবস্থা করতে সময় দেওয়া হয়েছে। আর মেয়াদও বাড়ানো হয়েছে ছয় মাস।

২১ মার্চ মধুমতি টেকের প্রোপাইটার রকিবুল মিনাসহ ১১ জনের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২২ মার্চ নির্বাচন বন্ধের নির্দেশ দিয়ে এই চিঠি পাঠানো হয়। চিঠিটি মঙ্গলবার দুপুরে হাতে পায় বেসিস নির্বাচন কমিশন।

প্রিয় প্রযুক্তি/নোমান/আজাদ চৌধুরী