বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

‘যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বাংলাদেশের জিএসপি সুবিধার প্রয়োজন নেই’

আমরা যতই অগ্রগতি করি না কেনো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে জিএসপি সুবিধা দেবে না। সব শর্ত পূরণ করা হলেও যুক্তরাষ্ট্র এ সুবিধা দেবে না। আর আমাদের সুবিধার প্রয়োজনও নেই।

খন্দকার মহিউদ্দিন চৌধুরী
লেখক
প্রকাশিত: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১৮:৩২ আপডেট: ১৭ আগস্ট ২০১৮, ০২:৩২
প্রকাশিত: ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ১৮:৩২ আপডেট: ১৭ আগস্ট ২০১৮, ০২:৩২


বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে বাংলাদেশের জিএসপি সুবিধার কোনো প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ।

২৮ ফেব্রুয়ারি, বুধবার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানি রাষ্ট্রদূত হিরোইয়াসু ইজুমির সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন। 

তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘আমরা যতই অগ্রগতি করি না কেনো মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশকে জিএসপি সুবিধা দেবে না। সব শর্ত পূরণ করা হলেও যুক্তরাষ্ট্র এ সুবিধা দেবে না। আর আমাদের সুবিধার প্রয়োজনও নেই। বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশে পরিণত হলে এ সুবিধার আর দরকার হবে না।’

বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা অচিরেই স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নত দেশে রূপান্তরিত হতে চলেছি। তাই জিএসপির প্রশ্নই ওঠে না। তখন জিএসপির প্রশ্ন উঠবে আমাদের সঙ্গে ইইউ'র সঙ্গে। যাদের কাছ থেকে আমরা জিএসপি প্লাস চাইব।’

বাংলাদেশের সামান্য পণ্যতে জিএসপি পেতাম উল্লেখ করে তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘ইইউ'র জিএসপি আর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের জিএসপি এক নয়। আমরা শুধু তামাক, সিরামিক, প্লাস্টিক এরকম ৩-৪টি পণ্যের ওপর জিএসপি পেতাম। তৈরি পোশাকে দিতো না। মাত্র ২৫ মিলিয়ন ডলারের উপর আমরা জিএসপি পেতাম। অথচ আমরা রপ্তানি করি ৬ বিলিয়ন ডলারের মতো।’

তোফায়েল আহমেদ আরও বলেন, ‘স্বাধীনতার পরে আমাদের সবচেয়ে বেশি অর্থ সহায়তা দিয়েছে জাপান। দেশটির সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আমন্ত্রণ পেয়েছে বাংলাদেশ। জাপানে আমাদের রপ্তানিও বাড়ছে। আগামীতে ২ বিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানির সুযোগ সৃষ্টি হবে।

বৈঠকে জাপানের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে আরও বিনিয়োগের আশা প্রকাশ করেছেন বলেও জানান মন্ত্রী।

সূত্র: বাসস

প্রিয় সংবাদ/কামরুল