বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। ফাইল ছবি

রফতানি পণ্য বহুমুখীকরণের বিকল্প নেই: বাণিজ্যমন্ত্রী

দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ স্থিতিশীল, শিল্পে কাজের সুষ্ঠু পরিবেশ বিরাজ করছে।

শেখ নোমান
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ২২:২০ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ০৭:১৬
প্রকাশিত: ২০ ফেব্রুয়ারি ২০১৮, ২২:২০ আপডেট: ২০ আগস্ট ২০১৮, ০৭:১৬


বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ। ফাইল ছবি

(প্রিয়.কম) বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, রফতানি পণ্য বহুমুখীকরণ ও বাজার সম্প্রসারণের বিকল্প নেই।

২০ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘তৈরি পেশাক শিল্পের সম্প্রসারণ ও সহজীকরণ’ শীর্ষক কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

‘শুধু তৈরি পোশাক রফতানির ওপর ভরসা করে থাকলে চলবে না। বিশ্ব বাণিজ্যে প্রতিযোগিতা বাড়ছে। সে ক্ষেত্রে রফতানি পণ্য বহুমুখীকরণ এবং বাজার সম্প্রসারণের বিকল্প নেই। দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ স্থিতিশীল, শিল্পে কাজের সুষ্ঠু পরিবেশ বিরাজ করছে। দেশে পর্যাপ্ত দক্ষ জনশক্তি রয়েছে, তুলনামূলক কম খরচে বিশ্বমানের রফতানি পণ্য উৎপাদন করা সম্ভব। এ সুযোগকে কাজে লাগাতে হবে’, বলেন মন্ত্রী। 

রপ্তানি প্রসঙ্গে তোফায়েল বলেন, ‘বাংলাদেশ গত অর্থবছরে ৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য রফতানি করেছে। এর মধ্যে ২৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি তৈরি পোশাক। ২০২১ সালে ৬০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার রফতানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বাংলাদেশের তৈরি পোশাক শিল্প এখন শক্ত ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আছে। দেশে বড় বড় গ্রিন ফ্যাক্টরি গড়ে উঠেছে।’

‘তৈরি পোশাক খাতে শিশুশ্রম বন্ধ, কোটা প্রথা বাতিলসহ সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে বাংলাদেশ সফল হয়েছে। অতীতের সকল ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ব্যবসাবান্ধব বর্তমান সরকার ব্যবসায়ীদের প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে।’

বিশ্ব বাণিজ্য ক্ষেত্রে যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে বাংলাদেশ সক্ষম উল্লেখ করে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশ ১৯৭২-৭৩ সালে ২৫টি পণ্য ৬৮টি দেশে রফতানি করে আয় করত ৩৪৮ দশমিক ৪২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। আজ বিশ্বের প্রায় ১৯৯টি দেশে ৭৪৪টি পণ্য রফতানি করে আয় করছে সার্ভিস সেক্টরসহ ৩৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। বিশ্ব বাণিজ্যের নিয়ামক সংস্থা ডব্লিউটিও প্রদত্ত সকল বাণিজ্য সুবিধা গ্রহণ করার চেষ্টা করছে বাংলাদেশ। রফতানি বাণিজ্যের সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে একত্রে কাজ করতে হবে।’

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব শুভাশীষ বসুর সভাপতিত্বে কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন বিএফটিআইয়ের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলী আহমেদ, সিপিডির গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম, বিআইডিএসের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো ড. নাজনীন আহমেদ প্রমুখ।

প্রিয় সংবাদ/নোমান/আজহার