সালাহর জোড়া গোল, ক্লপের রেকর্ড

মানবজমিন প্রকাশিত: ২৬ আগস্ট ২০১৯, ০০:০০

ম্যাচের আগে আর্সেনাল কোচ উনাই এমেরি বলেছিলেন, তারা লিভারপুলের বিপক্ষে খেলতে পছন্দ করেন না। কেন করেন না, তা শনিবারের ম্যাচের পরই স্পষ্ট হলো। নিজেদের মাঠে মোহাম্মাদ সালাহর জোড়া গোলে আর্সেনালকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে চলতি মৌসুমে শতভাগ জয়ের রেকর্ড ধরে রাখলো লিভারপুল। ১৯৯০ সালে ইংল্যান্ডের প্রথম বিভাগ ফুটবল লীগে লিভারপুলের হয়ে টানা ১২ ম্যাচ জিতেছিলেন তৎকালীন কোচ কেনি ডালগ্লিশ। আর্সেনালকে হারানোর সুবাদে ডালগ্লিশকে ছুঁলেন বর্তমান কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপ। প্রিমিয়ার লীগ প্রতিষ্ঠার পরের হিসাব ধরলে অ্যানফিল্ডে টানা সবচেয়ে বেশি ম্যাচ জয়ী কোচ তিনিই। ২০১৪ সালে ব্রেন্ডন রজার্স জিতেছিলেন টানা ১১ ম্যাচ। অ্যানফিল্ডে ম্যাচের শুরুটা ভালোই ছিল আর্সেনালের। বেশ কয়েকবার সুযোগ তৈরি করে অতিথিরা। কিন্তু সুযোগ মিসে এগিযে যাওয়া হয়নি। উল্টো ৪১তম মিনিটে লিড নেয় লিভারপুল। আলেকজান্ডার-আরনল্ডের কর্নার কিক থেকে দারুণ এক হেডে গোল করেন ক্যামেরুনিয়ান ডিফেন্ডার জোয়েল মাটিপ। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই পেনাল্টি পায় লিভারপুল। ডিবক্সে মোহাম্মদ সালাহকে অবৈধভাবে ফেলে দিয়েছিলেন ডেভিড লুইস। রেফারি সিদ্ধান্ত জানাতে বিন্দুমাত্র দেরি করেননি। স্পটকিক থেকে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন সালাহ নিজেই। ৫৮তম মিনিটে লুইসের ভুলে লিভারপুলকে তৃতীয় গোল এনে দেন গত মৌসুমে ইপিএলে ২২ গোল করে গোল্ডেন বুট জেতা এই মিসরীয় তারকা। নির্ধারিত সময়ের পাঁচ মিনিট বাকি থাকলে আর্সেনালের এক গোল শোধ দেন লুকাস তোরেইরা। ম্যাচের পর লিভারপুল কোচ ক্লপ বলেন, ‘পাওয়ার, এনার্জি ও প্যাশনে পরিপূর্ণ একটা পারফরম্যান্স ছিল। আর্সেনালের মতো দলের বিপক্ষে যেমন হওয়া দরকার তেমনি।’ অন্যদিকে, আর্সেনালের স্প্যানিয়ার্ড কোচ উনাই এমেরি বলেন, আমরা বেশ কিছু সুযোগ তৈরি করেছিলাম। কিন্তু দ্বিতীয়ার্ধের ওই পেনাল্টিটা খুবই পরিষ্কার ছিল। ৩-১ ব্যবধানে হারায় আমরা হতাশ। তবে বাস্তবতা হলো লিভারপুল আমাদের চেয়ে অনেক এগিয়ে। বিগ সিক্সের মাঠে বর্ণহীন আর্সেনালইংলিশ প্রিমিয়ার লীগের শীর্ষ ৬ দলের মাঠে আর্সেনালের বাজে রেকর্ড অব্যাহত থাকলো। বিগ সিক্সের ঘরের মাঠে গত ২৩ ম্যাচে কোনো জয় দেখেনি তারা। এর মধ্যে হেরেছে ১৫টিতেই! ২০১৫ সালে ক্লপ দায়িত্ব নেয়ার পর গানারদের বিপক্ষে প্রিমিয়ার লীগের ৮ ম্যাচে ২৬ গোল করেছে অলরেডরা। এই সময়ের মধ্যে ইপিএলে একটি নির্দিষ্ট দলের বিপক্ষে প্রিমিয়ার লীগের কোনো দলের পক্ষে সর্বাধিক গোলের রেকর্ড এটি।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
আরও