ই-সিগারেটে হৃদযন্ত্রের ক্রিয়ায় ব্যাপক উন্নতি

মানবজমিন প্রকাশিত: ২৩ নভেম্বর ২০১৯, ০০:০০

সাধারণ তামাক পাতার সিগারেট ছেড়ে ই-সিগারেট ব্যবহার করেন এমন দীর্ঘদিনের ধূমপায়ীদের ওপর একটি গবেষণা প্রকাশিত হয়েছে। এতে দেখা যায়, মাত্র এক মাসের মধ্যেই ওই ধূমপায়ীর হৃদযন্ত্রের পারফরমেন্সে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হয়েছে। বৃটিশ বিজ্ঞানীরা বলছেন, তামাক পাতার সিগারেট ছেড়ে যারা নিকোটিন-সমৃদ্ধ ই-সিগারেট ব্যবহার করছেন, তাদের হৃদযন্ত্রের ক্রিয়ায় উন্নতি দেখা গেছে। অর্থাৎ, এই পরিবর্তনের কারণে তাদের হৃদরোগের ঝুঁকি ব্যাপকভাবে হ্রাস পায়। রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, বৃটিশ বিজ্ঞানীদের এই গবেষণার ফলাফল অবশ্য বিশ্বব্যাপী বহু স্বাস্থ্য গবেষক খুবই গভীরভাবে পরীক্ষা নীরিক্ষা করবেন।তবে ব্রিটেনের ডান্ডি বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্ডিওভাসকুলার মেডিসিন ও থেরাপিউটিকস বিভাগের অধ্যাপক জ্যাকব জর্জ বলেন, ‘সিগারেট ছেড়ে যারা ই-সিগারেট ধরেছেন, তাদেরকে পরীক্ষা করে দেখা গেছে যে, তাদের হৃদযন্ত্রের কার্যক্রমে মাত্র এক মাসেই গড়ে ১.৫% উন্নতি হয়েছে। একে যদি প্রেক্ষিতের মধ্যে দাঁড় করাই, তাহলে বলতে হয় যে, সংবহনতান্ত্রির ক্রিয়ায় যদি ১ শতাংশও উন্নতি হয়, তাহলে হার্ট অ্যাটাকের মতো হৃদযন্ত্র সংক্রান্ত দুর্ঘটনার হার ১৩ শতাংশ হ্রাস পায়।’জ্যাকব অবশ্য একটি বিষয়ের ওপর জোর দিয়েছেন। তিনি বলেছেন, এই গবেষণায় বিশেষভাবে ই-সিগারেট গ্রহণ বা ভেপিং-কে তামাক পাতার সিগারেটের সঙ্গে তুলনা করা হয়েছে। তামাক পাতার সিগারেট গ্রহণে ফুসফুস ও অন্যান্য ক্যান্সার হয়ে থাকে। এছাড়া প্রাণঘাতী স্ট্রোক, হার্ট অ্যাটাক ও হৃৎযন্ত্রের অন্যান্য জটিল রোগ হওয়ার ঝুঁকি বহুগুণে বৃদ্ধি পায়।তবে জ্যাকব বলেন, ‘এ বিষয়ের ওপর জোর দিয়ে বলা গুরুত্বপূর্ণ যে, ই-সিগারেট মোটেই নিরাপদ নয়। সংবহনতন্ত্রের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে তামাক পাতার সিগারেটের চেয়ে ই-সিগারেট কিছুটা কম ক্ষতিকর। ই-সিগারেটকে মোটেই ক্ষতিহীন যন্ত্র হিসেবে দেখা উচিত নয়। ফলে যারা ধূমপান করেন না বা তরুণ, তারা একে ক্ষতিহীন কিছু ভেবে গ্রহণ করবেন না।’
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
আরও

মুলার অমূল্য গুণ

১২ ঘণ্টা, ৩০ মিনিট আগে