বিদেশী ভাষায় উপমহাদেশের খাবার

বণিক বার্তা প্রকাশিত: ০৬ ডিসেম্বর ২০১৯, ১৬:০১

ভাষা মানুষের সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের সাক্ষী। খাদ্যের যাত্রাপথেরও হদিস পাওয়া যায় ভাষার সূত্র ধরে। সংস্কৃত বা হিন্দি ভাষার খিচিড় ব্রিটিশ সাহেবদের ইংরেজি ভাষায় গিয়ে হয়েছে কেজেরি। ভারতবর্ষে যখন ব্রিটিশ শাসন, তখন সাহেবরা অনেকেই প্রাতরাশ সারতেন কেজেরি মানে খিচিড় দিয়ে। খিচিড় আমাদের বাঙালিদের খিচুড়ি। মিসরীয়দের কাছে কুশারি। বিদেশী পরিব্রাজকদের অনেকেই বর্ণনা করেছেন যে সন্ধ্যায় ভারতীয়রা চাল আর ডালের মিশ্রণে তৈরি খিচুড়ি খায়।ভাষায় খাবারের নামের আদান-প্রদানের আগে ভাষায় খাবারের নামের গুরুত্ব নিয়ে একটা ঐতিহাসিক কাহিনী আলোচনা করা যাক। ভাষার সংক্ষিপ্তকরণ নিশ্চয়ই কৌতুকরসের প্রাণ, কিন্তু তা অনেক সময় আমাদের বিভ্রান্ত করতে পারে। খাদ্যের ক্ষেত্রেও এমনটা হতে পারে। ইতিহাসে তার প্রমাণও আছে। আনুমানিক খ্রিস্টপূর্ব ৪৮৬ অব্দে ৮০ বছর বয়সে কুশিনগরে গৌতম বুদ্ধের প্রয়াণ ঘটেছিল।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
আরও