ইইউর সঙ্গে ভিয়েতনামের মুক্তবাণিজ্য চুক্তিতে দুশ্চিন্তা বাংলাদেশে

প্রথম আলো প্রকাশিত: ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১৩:৩৮

মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ সত্ত্বেও ভিয়েতনাম ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) মধ্যে একটি মুক্তবাণিজ্য ও বিনিয়োগ চুক্তির অনুমোদন দিয়েছে ইউরোপের পার্লামেন্ট। ইভিএফটিএ নামের এ চুক্তির ফলে আগামী ১০ বছর ইইউভুক্ত দেশগুলোতে প্রায় বিনা শুল্কে পণ্য রপ্তানির সুবিধা পাবে ভিয়েতনাম। ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রভাবশালী সংসদীয় বাণিজ্য কমিটি গত মাসে এই চুক্তির পক্ষে সুপারিশ করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত বুধবার পার্লামেন্টের সংখ্যাগরিষ্ঠের ভোটে এই চুক্তি অনুমোদন পায়। এতে বড় চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্প, এমন আশঙ্কার কথা বলছেন খাতটির উদ্যোক্তারা। মুক্তবাণিজ্য চুক্তিটি ইইউ ও ভিয়েতনামের মধ্যেকার ৯৯ শতাংশ কাস্টমস শুল্ক দূর করবে। তাতে দুই দেশের কোম্পানির জন্য বাজার প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হবে। চুক্তি বাস্তবায়নের সঙ্গে সঙ্গে ভিয়েতনামে ইইউর ৬৫ শতাংশ পণ্যের রপ্তানি শুল্কমুক্ত হয়ে যাবে। বাকি পণ্যের শুল্ক ১০ বছর ধরে ক্রমান্বয়ে কমবে। একইভাবে ইইউতে রপ্তানি হওয়া ভিয়েতনামের ৭১ শতাংশ পণ্যের শুল্ক প্রত্যাহার হয়ে যাবে শুরুতেই। বাকিটা হবে সাত বছরে ধাপে ধাপে। ইইউর হিসাবে বাণিজ্য চুক্তিটির ফলে ২০৩৫ সাল নাগাদ ইইউতে ভিয়েতনামের বার্ষিক রপ্তানি বেড়ে ১ হাজার ৫০০ কোটি ইউরোতে দাঁড়াবে। অন্যদিকে ভিয়েতনামে ইইউর রপ্তানি ৮ গুণ বৃদ্ধি পেয়ে ২ হাজার ২০০ কোটি ইউরোতে পৌঁছাবে। এ ছাড়া চুক্তির ফলে ২০২৫ সাল নাগাদ ভিয়েতনামের জিডিপি ৪ দশমিক ৬ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করছে দেশটির পরিকল্পনা ও বিনিয়োগ মন্ত্রণালয়। ইভিএফটিএ নিয়ে ভিয়েতনাম ও ইইউ নিজেদের লাভ-লোকসান হিসাব–নিকাশ করলেও চুক্তিটির বিরোধিতা করে আসছিল বেশ কিছু এনজিও। ২৮টি এনজিওর একটি গ্রুপ ইইউ আইনপ্রণেতাদের বলেছে, শ্রম ও মানবাধিকার রক্ষায় ভিয়েতনাম প্রতিশ্রুতিবদ্ধ না হওয়া পর্যন্ত চুক্তিটি স্থগিত করা উচিত।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
আরও

Opening a bank account now easier than ever

৫ ঘণ্টা, ৩৬ মিনিট আগে