বাঁশখালীর প্রধান সড়কে যান চলাচলে দুর্ভোগ

দৈনিক আজাদী প্রকাশিত: ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, ১০:৫৪

বাঁশখালী প্রধান সড়কের বিভিন্ন অংশে অসংখ্য গর্ত ও খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। পুরো সড়কটি জুড়ে গর্ত ও খানাখন্দের সৃষ্টি হওয়ায় এ সড়ক দিয়ে চলাচলকারী অসংখ্য যানবাহন গর্তে পড়ে বিকল হয়ে পড়ছে। এই সড়কে এ্যাম্বুলেন্সযোগে যাতায়াতকারী বিভিন্ন রোগী ও গর্ভবতী মহিলাসহ সাধারণ যাত্রীদের চলাচলে দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন পেকুয়া, চকরিয়া, মহেশখালী, কুতুবদিয়া সহ দক্ষিণাঞ্চলের অসংখ্য যানবাহন ও কয়েক লক্ষাধিক মানুষ চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করে। দীর্ঘদিন ধরে সড়কটি লক্ষাধিক গর্তে ভরে গেলে ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যেন কিছুই করার নেই! জানা যায়, দোহাজারী সড়ক বিভাগের অধীনে আনোয়ারা-বাঁশখালীর প্রায় ৭০ কিলোমিটার রাস্তার মধ্যে বাঁশখালী অংশটি তৈলারদ্বীপ সেতু থেকে টৈটং পর্যন্ত ২৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ৩৫ কিলোমিটার সড়কের ৯.৭ কিলোমিটার সড়ক সংস্কার করলেও বাকী অংশটুকুতে বিশাল বিশাল গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এসব গর্ত ভরাটের জন্য সড়ক বিভাগ থেকে জরুরী ভিত্তিতে সংস্কার কাজ চালালেও কার্পেটিং গুলো উঠে গিয়ে পুনরায় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সড়ক বিভাগের অধীনে আনোয়ারা কালা বিবির দিঘী থেকে জলদী পর্যন্ত সড়কের জ্বরাজীর্ণ অংশে ১৫ কোটি টাকা ব্যয়ে ১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য ও ১৮ ফুট প্রস্থ স্থায়ী ভাবে রাস্তা সংস্কারের জন্য টেন্ডার আহবান করা হয়েছে। বাঁশখালী পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা জানান, আনোয়ারা অংশে ৬ কিলোমিটার সড়কে কোন গর্ত না থাকলেও এই সড়কে ওভার লিপিং করার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অথচ বাঁশখালী প্রধান সড়কটি তৈলারদ্বীপ সেতু থেকে টৈটং পর্যন্ত অধিকাংশ স্থানে গর্ত হয়ে করুণ অবস্থার সৃষ্টি হলেও এই সড়কে সংস্কার কাজে কোন গতি দেখি না। দোহাজারী সড়ক বিভাগের দায়িত্বরত কর্মকর্তারা একটা পুরনো গাড়ি কিছু ও কয়লা ও বিটুমিন নিয়ে দু,একদিন পর পর এসে দু,একটি গর্ত ভরাট করলেও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। বাঁশখালীর পুকুরিয়ার এক্কাইত্যা পুকুর পাড়, সাধনপুরের বাণীগ্রাম বাজার ও সোনার টিলা কালীপুর ছফিরের দোকান, বৈলছড়ি বাজারের উত্তরাংশ, সরলের পাইরাং ও দেলাইয়ার দোকান, পৌরসভার উত্তর জলদী ও দক্ষিণ জলদী, শীলকূপ টাইম বাজার, চাম্বলের সিকদার দোকান থেকে শেখেরখীল রাস্তা মাথা পর্যন্ত ও পুইছড়ির প্রেম বাজার, নাপোড়া বাজারের উত্তরাংশে সড়ক জুড়ে অসংখ্য গর্ত ও খানাখন্দে ছেয়ে গেছে।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
এই সম্পর্কিত
আরও

লকডাউন

২৮ মিনিট আগে