খাদ্যনিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত করা যাবে

প্রথম আলো প্রকাশিত: ০৬ এপ্রিল ২০২০, ১৫:৩৬

করোনাভাইরাসের বৈশ্বিক তাণ্ডবের ধাক্কা বাংলাদেশেও লেগেছে। আমার এ লেখাটি দেশের কৃষি নিয়ে। এ মুহূর্তের ভাবনা ও করণীয় কী কী হতে পারে, তা নিয়ে অন্তত দুটো বিষয়ে আশ্বস্ত থাকা যায়। এক. দেশে পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত আছে, খাদ্যাভাবের সম্ভাবনা নেই। বাজারে যাতে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সামগ্রীর দাম না বাড়ে, সে ব্যাপারেও সরকারের কঠোর সতর্কবার্তা রয়েছে। দুই. পর্যাপ্ত খাদ্য উৎপাদন যাতে ব্যাহত না হয়, সে ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর এক ইঞ্চি জায়গাও অনাবাদি না রাখার আহ্বান। এটা কৃষক, শ্রমিক, কৃষিবিজ্ঞানী, গবেষক, উপকরণ ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্টদের উত্সাহী করবে। করোনা পরিস্থিতিতে খাদ্যনিরাপত্তার বিষয়টি সামনে চলে এসেছে। কৃষিতে জরুরি কাজগুলো ঠিকমতো করে যেতে হবে। ১. এ মাসের শুরুতে বোরো ধানে থোড় আসছে। বোরো ধান প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ চালের জোগান দেয়। এখন সেচব্যবস্থা সার্বক্ষণিক চালু রাখতে হবে। প্রায় ১৫ লাখ অগভীর নলকূপ, প্রায় ৩৫ হাজার গভীর নলকূপ ও লক্ষাধিক পাওয়ার পাম্প সচল রাখার জন্য ডিজেল ও বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। ২. সেচযন্ত্রের মেরামতকাজ নির্বিঘ্ন রাখতে খুচরা যন্ত্রপাতির দোকান চালু রাখা দরকার। হাটবাজারের দোকানপাট বন্ধ থাকায় গ্রামীণ মেকানিকেরা নিয়মিত বসতে পারছেন না।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
এই সম্পর্কিত
আরও