যুক্তরাষ্ট্রে বিক্ষোভ-সহিংসতায় নিহত ১১, আহত শতাধিক

ডেইলি বাংলাদেশ প্রকাশিত: ০৩ জুন ২০২০, ১৬:০০

যুক্তরাষ্ট্রের মিনেপোলিসে শ্বেতাঙ্গ পুলিশের নির্যাতনে কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যুর প্রতিবাদে ফুসে উঠেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির রাজধানীসহ ৪০টি শহরে চলছে কারফিউ। এর মধ্যেও বিক্ষোভ ও সহিংসতায় এ পর্যন্ত অন্তত ১১ জনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরো অনেকে।
বুধবার রুশ বার্তাসংস্থা টাস এ তথ্য জানায়।

বিক্ষোভে যারা মারা গেছেন, তাদের মধ্যে শিকাগো, ডেট্রয়েট, ওমাহা, ডেভেনপোর্ট, ওকল্যান্ড, ল্যুইভিলের বাসিন্দা রয়েছেন। তাদের বেশিরভাগই আফ্রিকান আমেরিকান বলে জানা গেছে।

ওকল্যান্ডে ফেডারেল প্রোটেকটিভ সার্ভিস অফিসার ৫৩ বছর বয়সী কৃষ্ণাঙ্গ ডেভ প্যাট্রিক আন্ডারউড গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা গেছেন। এসময় আরেকজন অফিসার গুরুতর আহত হন।

ওমাহায় ২২ বছর বয়সী কৃষ্ণাঙ্গ তরুণ জেমস স্কারলক নিহত হয়েছেন। তিনি ও তার দল একজন শ্বেতাঙ্গ ব্যক্তিকে মারধর করছিলেন। এসময় ওই ব্যক্তি স্কারলককে লক্ষ্য করে গুলি করলে তার মৃত্যু হয়। এছাড়া, বিক্ষোভে সহিংসতায় যুক্তরাষ্ট্রে কয়েকশ’ মানুষ আহত হলেও তাদের সঠিক সংখ্যা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

সংবাদমাধ্যম এপির তথ্য অনুযায়ী, গত কয়েকদিনের বিক্ষোভে যুক্তরাষ্ট্রে প্রায় ৪ হাজার ৪শ’ মানুষকে আটক করা হয়। তাদের বেশিরভাগই লুট, কারফিউ ভঙ্গ এবং সড়কে ব্যারিকেড দেওয়ার অপরাধে আটক হয়েছেন। বিক্ষোভ দমনে ওয়াশিংটন, লস এঞ্জেলেস, নিউইয়র্কসহ ৪০টিরও বেশি শহরে কারফিউ জারি করা হয়েছে।

সোমবার (২৫ মে) মিনিয়াপোলিসে শ্বেতাঙ্গ এক পুলিশ কর্মকর্তার হাতে ৪৬ বছর বয়সী কৃষ্ণাঙ্গ জর্জ ফ্লয়েডের মৃত্যু হয়। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে মিনিয়াপোলিসসহ যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকটি শহরে পুলিশি সহিংসতার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ শুরু হয়।

ভিডিওতে দেখা গেছে, পুলিশের এক কর্মকর্তা ফ্লয়েডের ঘাড়ের ওপর হাঁটু দিয়ে তাকে মাটিতে চেপে ধরে রেখেছেন। এসময় ফ্লয়েড বলেছেন, ‘প্লিজ, আমি শ্বাস নিতে পারছি না’, ‘আমাকে মারবেন না।’
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
এই সম্পর্কিত
আরও