বাংলাদেশে করোনাভাইরাস আক্রান্ত রোগীদের আইসিইউ'র জন্য হাহাকার

বিবিসি বাংলা (ইংল্যান্ড) প্রকাশিত: ০১ এপ্রিল ২০২১, ২১:১৪


বাংলাদেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ বাড়ছে ব্যাপক হারে। রাজধানী ঢাকায় অনেক কোভিড-১৯ রোগী হাসপাতালে হাসপাতালে ঘুরেও ভর্তি হতে পারছেন না -এমন অনেক অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।


স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, সংক্রমণ লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ার কারণে হাসপাতালগুলো ইতোমধ্যেই পূর্ণ হয়ে গেছে।


চিকিৎসক এবং জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, হাসপাতালগুলোর ওপর যে হারে চাপ বাড়ছে, তাতে করোনাভাইরাসের চিকিৎসা সেবা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে।


সংক্রমণ বৃদ্ধির ধারায় গত ২৪ ঘন্টায় এই ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছে প্রায় সাড়ে ছয় হাজার জন। একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৫৯ জনের।


‘করোনা যেভাবে বাড়ছে, হাসপাতালে রোগী রাখার জায়গা থাকবে না’


প্রতিদিন যেভাবে করোনা রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে, এভাবে চলতে থাকলে দেশে কোনো হাসপাতালেই রোগী রাখার জায়গা থাকবে না বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।


তিনি বলেছেন, হাসপাতালগুলো প্রায় ভরে গেছে, এটা একটা দুর্যোগময় পরিস্থিতি হচ্ছে। আমাদের বুঝতে হবে হাসপাতালের বেড বাড়িয়ে আমরা কিন্তু রোগী সংকুলন করতে পারব না। যদি রোগী যেখানে উৎপত্তি হচ্ছে সেই উৎপত্তিস্থলগুলো যদি বন্ধ না করি, তাহলে বাড়তেই থাকবে।


বেখেয়ালি চলাফেরা আরও বিপর্যয় নিয়ে আসবে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী


করোনা নিয়ন্ত্রণে সরকারের ১৮ নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, আমাদের বেখেয়ালি চলাফেরা আগামীতে আরও বিপর্যয় নিয়ে আসবে।


বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) সকালে ভার্চুয়াল মাধ্যমে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নতুন ১০টি আইসিইউ বেডের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ আশঙ্কার কথা জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী।


অবহেলা, উদাসীনতায় করোনা পরিস্থিতির অবনতি


মার্চের শুরুতেও পরীক্ষার তুলনায় করোনা রোগী শনাক্তের হার ছিল ৪ শতাংশের সামান্য বেশি। মাসের শেষে এসে গতকাল মঙ্গলবার শনাক্তের হার হয়েছে প্রায় ১৯ শতাংশ। ৩০ দিনে সংক্রমণরেখা সোজা ঊর্ধ্বমুখী। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সংক্রমণ অনেকটাই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেছে। স্বাস্থ্য বিভাগের অবহেলা আর স্বাস্থ্যবিধি মানার ক্ষেত্রে মানুষের উদাসীনতায় সংক্রমণ পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে।


সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
এই সম্পর্কিত