খালি নেই আইসিইউ সাধারণ বেড

মানবজমিন প্রকাশিত: ০৯ এপ্রিল ২০২১, ০০:০০

চট্টগ্রামে করোনায় মৃত্যুর হার দিন দিন বেড়েই চলেছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৪শ’ ৭৩ জন। যা গত ৩ মাসের মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যু ও শনাক্তের রেকর্ড। এদিকে আইসিইউ সিটের সংকটে চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটাচ্ছেন এখানকার করোনা রোগীদের স্বজনরা। চট্টগ্রামে করোনার  সংক্রমণ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে রোগীর চাপ বেড়েছে আইসিইউতে। চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালসহ সরকারি- বেসরকারি হাসপাতালে আইসিইউর জন্য হাহাকার চলছে। অতিরিক্ত সংক্রমণ আর গুরুতর রোগীর চাপে বেকায়দায় পড়েছে এখানকার স্বাস্থ্য বিভাগ।সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্যানুযায়ী, চট্টগ্রামে হাসপাতালগুলোতে করোনা আক্রান্তদের জন্য আইসিইউ সংখ্যা আছে ৫৬টি। এর মধ্যে সরকারি হাসপাতালে আছে ২০টি। বাকি ৩৬টি বিভিন্ন বেসরকারি হাসপাতালে। তবে গত বুধবার রাতে সর্বশেষ প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, চমেক হাসপাতালের ৩টি ছাড়া নগরীর কোনো হাসপাতালে আইসিইউ খালি নেই। রোগী নিয়ে এদিক সেদিক ঘুরেও সিটের ব্যবস্থা করতে পারছেন না অনেকে। অনেকে একটি সিটের জন্য বিভিন্ন জনের কাছে দেন- দরবারও করছেন। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে নিকটজনের জন্য একটি সিট ম্যানেজ করার অনুরোধও জানাচ্ছেন কেউ কেউ। নিজের রোগীর সিটের জন্য আইসিইউতে অবস্থানকারী অন্য রোগীর মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করছেন স্বজনরা।  নগরীর পার্কভিউ হাসপাতালের  এমডি ডা. রেজাউল করিম বলেন, ‘যে হারে করোনায় আক্রান্ত বাড়ছে  কোথাও আইসিইউ খালি নেই। জেনারেল বেডেও জায়গা নেই। এখানকার করোনা রোগীদের জন্য ১০টি আইসিইউ বেড আছে। সবগুলো এখন পূর্ণ। সাধারণ শয্যা ৫৬টি হলেও বর্তমানে ৭২ জন করোনা রোগী এখানে ভর্তি আছেন।বেসরকারি মেট্রোপলিটন হাসপাতালের ডেপুটি ম্যানেজার তৌহিদুল ইসলাম জানান, ওই হাসপাতালে মোট ৫টি আইসিইউ ও ১০টি এইচডিউ সিট আছে। সবগুলোই এখন করোনা রোগীতে পূর্ণ। যে ৩২টি কেবিন আছে সেগুলোতেও সিট খালি নেই। এভাবে চলতে থাকলে তো পরিস্থিতি ভয়াবহ হবে।চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন ডা. সেখ ফজলে রাব্বী বলেন, মানুষ অসচেতন হওয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। তাই আইসিইউতে রোগীর সংখ্যাও বেড়েছে। তবে সে অনুসারে তো আইসিইউ সংখ্যা বাড়ছে না। চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে বৃহস্পতিবার  নতুন করে আরো ৮টি সিট যুক্ত করা হচ্ছে। নিজেই করোনা আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে বাসায় বিশ্রামরত অবস্থায় থাকা জেলার এই সরকারি স্বাস্থ্য কর্মকর্তা বলেন, শুধমাত্র আইসিইউ সংখ্যা বাড়ালে হবে না। এসব পরিচালনায়  অভিজ্ঞ জনবল বাড়াতে হবে। আইসিইউ শয্যার চেয়েও করোনা রোগীর জন্য অক্সিজেন সরবরাহ এবং হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা বেশি প্রয়োজন। এজন্য হাসপাতালগুলোতে অক্সিজেন লাইন ও হাইফ্লো ন্যাজাল ক্যানোলা নিয়ে কাজ করছি আমরা।
সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
এই সম্পর্কিত