হেফাজত থেকে আরও পদত্যাগ করছেন যারা

বাংলা ট্রিবিউন প্রকাশিত: ২৫ এপ্রিল ২০২১, ২০:৫৯

মাওলানা জুনায়েদ বাবুনগরী ও নুরুল ইসলাম জিহাদীর নেতৃত্বাধীন হেফাজতে ইসলাম থেকে ইতোমধ্যে কয়েকজন দায়িত্বশীল আলেম পদত্যাগ করেছেন। এই পদত্যাগের তালিকা আরও দীর্ঘ হচ্ছে, আগামী কয়েকদিনের মধ্যেই তা সামনে আসবে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ আগমনকে কেন্দ্র করে গত মার্চের ২৫,২৬ ও ২৭ তারিখ দেশজুড়ে যে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, অন্তত ১৭ জন মানুষের প্রাণহানি হয়েছে— এসব নাশকতার পেছনে জড়িত না থাকা ও বিচারের দাবিতে অন্তত একডজন হেফাজত নেতা পদত্যাগ করবেন। ইতোমধ্যে বাংলা ট্রিবিউনের সঙ্গে  পদত্যাগে আগ্রহী অধিকাংশ নেতার আলাপ হয়েছে। এই আলাপে তারা হেফাজতে সক্রিয় থাকার বিষয়ে অনাগ্রহ প্রকাশ করেছেন।


ঘর গোছাচ্ছেন হেফাজতের শফীপন্থী নেতারা


২০১৩ সালের শাপলাচত্বরকাণ্ডের মামলা নিয়ে এখনও দৌড়ঝাঁপে আছেন মাওলানা জুনায়েদ বাবুনগরীপন্থী হেফাজতে ইসলামের নেতাকর্মীরা। এই ফাঁকে নিজেদের গুছিয়ে নিচ্ছেন সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা আল্লামা আহমদ শফীপন্থী আলেমরা। হেফাজতের ‘মূলধারা’ হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে অংশটির কর্মতৎপরতা অনেকটাই চূড়ান্ত। পরিস্থিতি বুঝে অচিরেই নতুন কমিটির ঘোষণা দেবেন তারা। এ প্রক্রিয়ায় যুক্ত একাধিক প্রভাবশালী নেতার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে এসব তথ্য।


ভেঙে পড়েছে হেফাজতের শীর্ষ কমান্ড


নতুন করে হেফাজতে ইসলামের আরও দুইশ’ নেতার তালিকা তৈরি করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। ওই তালিকা ধরে রাজধানী ঢাকার বাইরেও অভিযান চালানোর প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। জেলা পুলিশের সহায়তা নিয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ-ডিবি এ অভিযান চালাচ্ছে। প্রতিনিয়ত গ্রেফতার, গ্রেফতার আতঙ্কে আত্মগোপনে থাকা ও নজরদারির ভয়ে এরইমধ্যে ভেঙে পড়েছে দলটির শীর্ষ কমান্ড। 


আহমদ শফীর মৃত্যু: বিচার বিভাগীয় তদন্তের দাবি


হেফাজতে ইসলামের আমির ও দারুল উলুম হাটহাজারী মাদ্রাসার মহাপরিচালক আহমদ শফীর মৃত্যুকে ‘অস্বাভাবিক’ আখ্যায়িত করে এর বিচার বিভাগীয় তদন্ত দাবি করেছে বাংলাদেশ কওমি মাদ্রাসা শিক্ষক সমিতি। সংগঠনটির নেতারা এও দাবি করেন, এক সপ্তাহ আগে হাটহাজারী মাদ্রাসায় যে বিক্ষোভ হয়েছে, তা বহিরাগতদের উসকানিতে সংঘটিত হয়েছে।


তালিকায় ২১ জেলার প্রায় ২০০ হেফাজত নেতা


সাম্প্রতিক সহিংসতার ঘটনায় অভিযানের ব্যাপ্তি আরও বাড়ছে। অভিযান শুরুর আগে পুলিশ হেফাজতে ইসলামের ৩০ জনের একটি তালিকা করলেও নতুন করে প্রায় ২০০ জনের নামের তালিকা করা হয়েছে। এতে রাজধানী ঢাকাসহ ২১ জেলার নেতা-কর্মীর নাম রয়েছে। এর মধ্যে হেফাজতের শীর্ষ পর্যায়ের নেতারাও রয়েছেন। তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ঢাকা মহানগর পুলিশসহ সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশের কাছে নির্দেশনা পাঠানো হয়েছে।


হেফাজতে ইসলাম: মধ্যরাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সাথে বৈঠক নেতাদের, যা জানা যাচ্ছে


বাংলাদেশে কওমি মাদ্রাসা-ভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামির একটি প্রতিনিধি দল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খানের সাথে সাক্ষাৎ করে 'ঢালাও গ্রেফতার' বন্ধের দাবি জানিয়েছেন।
ওই সাক্ষাতে অংশ নেয়া একজন হেফাজত নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিবিসিকে একথা জানিয়েছেন। সংগঠনটির মহাসচিব নূরুল ইসলাম জেহাদীর নেতৃত্বে এ প্রতিনিধিদলে সদ্য আটক হওয়া হেফাজত নেতা মামুনুল হকের ভাই মাহফুজুল হকও ছিলেন।


হেফাজতে ইসলাম সরকারের সাথে সমঝোতার চেষ্টায় মরিয়া


বাংলাদেশে মাদ্রাসা-ভিত্তিক সংগঠন হেফাজতে ইসলামের নেতারা সোমবার মধ্যরাতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে যে বৈঠক করেছেন, সেটিকে তারা সরকারের সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি নিরসনের চেষ্টা বলে বর্ণনা করেছেন। সম্প্রতি ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বাংলাদেশ সফরের সময় সরকারের সঙ্গে এ নিয়ে চরম সংঘাতে জড়িয়ে পড়েছিল হেফাজত।

সম্পূর্ণ আর্টিকেলটি পড়ুন
এই সম্পর্কিত