প্রতিকী ছবি

বাজেটে বিড়ি-সিগারেটে আগুন

সিগারেটের নিম্ন স্তরের ১০ শলাকার দাম ৩৭ টাকা, সম্পূরক শুল্ক ৫৫ শতাংশ, মধ্যম স্তরের ১০ শলাকার দাম ৬৩ টাকা এবং সম্পূরক শুল্ক ৬৫ শতাংশ। উচ্চ স্তরের ১০ শলাকার দাম ৯৩ টাকা ও ১২৩ টাকা এবং সম্পূরক শুল্ক ৬৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়।

আমিনুল ইসলাম মল্লিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৩ জুন ২০১৯, ১৯:৪৫ আপডেট: ১৩ জুন ২০১৯, ১৯:৪৭
প্রকাশিত: ১৩ জুন ২০১৯, ১৯:৪৫ আপডেট: ১৩ জুন ২০১৯, ১৯:৪৭


প্রতিকী ছবি

(প্রিয়.কম) ২০১৯-২০ অর্থবছরে প্রস্তাবিত বাজেটে তামাকজাত পণ্য বিড়ি-সিগারেটসহ জর্দা-গুলের দাম বাড়ানোর প্রস্থাব করা হয়েছে।

১৩ জুন, বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে জাতীয় সংসদে এই বাজেট উত্থাপন শুরু হয়।

অসুস্থতা নিয়েই বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে প্রবেশ করেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বাজেট উত্থাপন শুরু করার কিছুক্ষণ পর অসুস্থতার কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাজেট উত্থাপনের অনুরোধ জানান এবং প্রধানমন্ত্রী বজেট উত্থাপন করেন।

উত্থাপিত বাজেটে বলা হয়, সিগারেটের নিম্ন স্তরের ১০ শলাকার দাম ৩৭ টাকা, সম্পূরক শুল্ক ৫৫ শতাংশ, মধ্যম স্তরের ১০ শলাকার দাম ৬৩ টাকা এবং সম্পূরক শুল্ক ৬৫ শতাংশ। উচ্চ স্তরের ১০ শলাকার দাম ৯৩ টাকা ও ১২৩ টাকা এবং সম্পূরক শুল্ক ৬৫ শতাংশ নির্ধারণের প্রস্তাব করা হয়।

এ ছাড়া যন্ত্রের সাহায্য ব্যতীত হাতে তৈরি ফিল্টারবিহীন বিড়ির ২৫ শলাকার দাম ১৪ টাকা ও সম্পূরক শুল্ক ৩৫ শতাংশ। ফিল্টারযুক্ত বিড়ির ২০ শলাকার দাম ১৭ টাকা এবং সম্পূরক শুল্ক ৩৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করা হয়েছে।

বাজেট প্রস্তাবে আরও বলা হয়, স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর বিড়ি-সিগারেটের মতো ভয়াবহ একটি পণ্য হচ্ছে, জর্দা ও গুল। এগুলোর ব্যবহারে শরীরের ওপরে বিরূপ প্রভাবও বেশি। তাই এর ব্যবহার কমানোর জন্য প্রতি ১০ গ্রাম জর্দার দাম ৩০ টাকা এবং সম্পূরক শুল্ক ৫০ শতাংশ এবং প্রতি ১০ গ্রাম গুলের দাম ১৫ টাকা ও সম্পূরক শুল্ক ৫০ শতাংশ নির্ধারণ করার প্রস্তাব করা হয়েছে। 

প্রিয় সংবাদ/কামরুল