রুপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র । উপরে গৃহায়ন ও গনপূর্তমন্ত্র শ ম রেজাউল করিম। ছবি: সংগৃহীত

রূপপুরের দুর্নীতির তদন্ত রিপোর্ট এলে তড়িৎ ব্যবস্থা

তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পাওয়ার পর ব্যবস্থা নেবো। কাউকে ছাড় দেবো না। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় অপরাধী কেউ ছাড় পাচ্ছে না, পাবে না।

আমিনুল ইসলাম মল্লিক
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২০ জুন ২০১৯, ২২:১১ আপডেট: ২০ জুন ২০১৯, ২২:১১
প্রকাশিত: ২০ জুন ২০১৯, ২২:১১ আপডেট: ২০ জুন ২০১৯, ২২:১১


রুপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র । উপরে গৃহায়ন ও গনপূর্তমন্ত্র শ ম রেজাউল করিম। ছবি: সংগৃহীত

(প্রিয়.কম) রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পের দুর্নীতি তদন্তে একটি উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। এই কমিটির রিপোর্ট দিয়ে দায়ীদের বিরুদ্ধে তড়িৎ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।

২০ জুন, বৃহস্পতিবর জাতীয় সংসদে ২০১৯-২০ বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে এ কথা জানান তিনি। এ সময় স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন।

বাজেট নিয়ে আলোচনার এক পর্যায়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এখন অনাকাঙ্ক্ষিত যে বিষয়ে আলোচনা হয় সেই বিষয়ে আসি। বনানীর ভবনে আগুনের ঘটনায় উচ্চ ক্ষমতাসস্পন্ন একটি তদন্ত কমিটি করা হয়েছিল। এই কমিটি ৬২ জনকে দায়ী করে রিপোর্ট দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ অপরাধী যেই হোক না কেন আমরা কাউকে ছাড় দেবো না। রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্পে দুর্নীতির ঘটনায় উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছি। তদন্ত কমিটির রিপোর্ট পাওয়ার পর ব্যবস্থা নেবো। কাউকে ছাড় দেবো না। আওয়ামী লীগ সরকারের সময় অপরাধী কেউ ছাড় পাচ্ছে না, পাবে না।’

‘বাজেটকে জেনে, না জেনে, বুঝে না বুঝে, বাজেটের গভীরে না গিয়ে সমালোচনা করার একটা প্রবণতা আমাদের দেশে আছে। তবে এবার তারা খুব একটা সুবিধা করতে পারছেন না। এই বাজেট সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাওয়ার বাজেট।’

মন্ত্রী বলেন, ‘সবার জন্য আবাসন, কেউ থাকবে না গৃহহীন- প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এই কথা বাস্তবায়নে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। ঢাকায় অবস্থানরত সব বিচারকের জন্য আবাসনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। সচিবদের জন্য আবাসন নির্মাণ করা হচ্ছে। উত্তরা, ঝিলমিল, পূর্বাচলে ৫০ হাজার ব্যক্তির জন্য ফ্ল্যাট প্রকল্পের মাধ্যমে আবাসনের ব্যবস্থা করছে সরকার। একজন মানুষও যাতে আবাসহীন না থাকে সেই ব্যবস্থা আমরা করছি। ভবিষ্যতে একজন মানুষও আবাসহীন থাকবে না।’

বিএনপির সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘ইনডেমনিটি আইন প্রবর্তনের জন্য সংসদে বিল আনা হলে ওই সময় সেই সংসদে সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, সুধাংশু শেখর হালদার এর বিরোধিতা করেছিলেন। তখন সংসদে আওয়ামী লীগের ৩৯ জন। সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত তখন বলেছিলেন, আজ আওয়ামী লীগের ৩৯ জন সদস্য, একদিন এমনও হতে পারে আপনাদের (বিএনপি) সাতটিও আসন না থাকতে পারে। আজ তাই হয়েছে, বিএনপির আসন সাতটির কম।’ 

প্রিয় সংবাদ/কামরুল