বেঙ্গল চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিসিসিআই) এবং বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) লোগো

বাংলাদেশে তিন খাতে বিনিয়োগ করতে চান পশ্চিমবঙ্গের ব্যবসায়ীরা

‘বাংলাদেশে যদি উন্নত মানের স্বাস্থ্যসেবা গড়ে তোলা সম্ভব হয়, তাহলে তাদেরকে চিকিৎসার জন্য আর ভারতে যেতে হবে না।’

আবু আজাদ
সহ-সম্পাদক
প্রকাশিত: ২৫ এপ্রিল ২০১৮, ২২:৪৪ আপডেট: ১৫ আগস্ট ২০১৮, ১৪:১৬
প্রকাশিত: ২৫ এপ্রিল ২০১৮, ২২:৪৪ আপডেট: ১৫ আগস্ট ২০১৮, ১৪:১৬


বেঙ্গল চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিসিসিআই) এবং বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) লোগো

(প্রিয়.কম) বাংলাদেশে শিক্ষা, স্বাস্থ্য, তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) ও ব্যাংকিং খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের ব্যবসায়ী-উদ্যোক্তারা।

২৫ এপ্রিল, বুধবার রাজধানীর মতিঝিলে ফেডারেশন ভবনে সফররত বেঙ্গল চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির (বিসিসিআই) প্রতিনিধিদল বাংলাদেশ শিল্প ও বণিক সমিতি ফেডারেশনের (এফবিসিসিআই) নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে এই আগ্রহ প্রকাশ করেন।

প্রতিনিধিদলের প্রধান ও বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট চন্দ্র শেখর ঘোষ বলেন, ‘বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের পশ্চিম বাংলার ভাষা ও সংস্কৃতির অনেক মিল রয়েছে। দুই দেশের সরকারও বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদারে নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। যোগাযোগব্যবস্থা আগের তুলনায় অনেক সহজ হয়েছে। এখন ব্যবসায়ীরা একত্রে কাজ করলে দুই দেশকে আমরা এগিয়ে নিতে পারব।

শিক্ষা, স্বাস্থ্য এবং তথ্যপ্রযুক্তি খাতে আমরা ভালো করছি। এসব খাতে আমাদের অবকাঠামো এবং দক্ষতা যথেষ্ট ভালো। দুই দেশকে এগিয়ে নিতে আমরা একত্রে কাজ করতে পারি। আপনাদের সহযোগিতায় বাংলাদেশে আমরা বিশ্বমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং স্বাস্থ্যসেবা গড়ে তুলতে চাই।’

বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘গত বছর ৩২ লাখ বাংলাদেশি ভারতে ভ্রমণ করেছে। এর বড় অংশ ছিল চিকিৎসাসেবা প্রার্থী। বাংলাদেশে যদি উন্নতমানের স্বাস্থ্যসেবা গড়ে তোলা সম্ভব হয়, তাহলে তাদেরকে চিকিৎসার জন্য আর ভারতে যেতে হবে না।’

বৈঠকে সভাপতির বক্তব্যে এফবিসিসিআই সভাপতি মো. শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন বলেন, ‘বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এখন উন্নয়নের পর্যায়ে রয়েছে। দুই দেশেরই রয়েছে বড় বাজার। ব্যবসায়ীরা একত্রে কাজ করলে ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যকে সহজেই এগিয়ে নেওয়া যাবে।’

এফবিসিসিআইয়ের জ্যেষ্ঠ সহ-সভাপতি শেখ ফজলে ফাহিম বলেন, ‘বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা ভারতে ব্যবসা পরিচালনা করতে চাইলে-সহজে পারেন না। অফিস স্থাপন করা বেশ জটিল।’

ফজলে ফাহিম ভারতে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের ব্যবসা পরিচালনা কার্যক্রম সহজ করতে বিসিসিআই প্রতিনিধিদলের সহযোগিতা কামনা করেন।

২০১৬-১৭ অর্থবছরে ভারতে ৬৭২ দশমিক ৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের পণ্য রফতানি করেছে বাংলাদেশ। পক্ষান্তরে এ সময়ে ভারত থেকে বাংলাদেশের আমদানির পরিমাণ ছিল ৬ হাজার ১৬২ দশমিক ২০ মিলিয়ন ডলার।

প্রিয় সংবাদ/আজহার

পাঠকের মন্তব্য(০)

মন্তব্য করতে করুন


আরো পড়ুন

loading ...